সংবাদদাতা, হলদিবাড়ি: স্কুল চলছে ঠিকই, তবে ক্লাসঘরে না হয়ে হচ্ছে গাছতলায়। ভগ্নদশা ক্লাসরুমের। যা অবস্থা তাতে যেকোনও সময় হতে পারে বিপদ। ঝুঁকি না নিয়ে শিক্ষকরা তাই গাছতলাতেই ক্লাস নিচ্ছেন। এমনই ছবি, হলদিবাড়ি ব্লকের দক্ষিণ বড় হলদিবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের খালপাড়া এনপি স্কুল। ১৯৯৯ সালে স্থাপিত হয় স্কুলটি। বর্তমানে এই স্কুলে প্রাক্ প্রাথমিক থেকে চতুর্থ শ্রেণি পর্যন্ত মোট ৬৭ জন ছাত্রছাত্রী পড়ে।
Advertisement
স্কুল সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২০ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি স্কুলবাড়ি সংস্কারের জন্য বিদ্যালয় পরিদর্শকের অফিসে আবেদন জানানো হয়েছিল। কিন্তু কাজ হয়নি। এরপর ২০২১ সালে ১ সেপ্টেম্বর ডিস্ট্রিক্ট এডুকেশন অফিসার ও ২০২২ সালের ৩ মার্চ কোচবিহারের ডিপিএসসি’র চেয়ারম্যানকে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য স্কুল থেকে আবেদন করা হয়। ২০২২ সালের ৩০ মে স্কুলে ইঞ্জিনিয়াররা আসেন। তাঁদের রিপোর্ট জমা পড়ে জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় পর্ষদে। পরে সেখান থেকে স্কুলের সংশ্লিষ্ট রুমটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ভেঙে ফেলার নির্দেশ দেওয়া হয়। নির্দেশে পেয়ে স্কুল কর্তৃপক্ষ রুমটি পরিত্যক্ত লিখেও দেয়। ফলে সেটি আর ব্যবহারে আসছে না।
খালপাড়া এনপি স্কুলের টিআইসি ফণিভূষণ সরকার বলেন, আমাদের স্কুলে মাত্র দু’টি রুম। তারমধ্যে একটি রুমের অবস্থা খুবই খারাপ। ফলে একটি রুমে তিনটি ক্লাস হচ্ছে। প্রাক্ প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াদের গাছতলায় ক্লাস নিতে হচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আমরা চাই, দ্রুত রুমটি সংস্কার করে ব্যবহার যোগ্য করে তোলা হোক।
এ বিষয়ে কোচবিহার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান রজত বর্মা বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি। তবে বাইরে ক্লাস নেওয়া কখনই উচিত নয়। খুব শীঘ্রই নতুন ঘর তৈরি করা হবে।
খালপাড়া এনপি স্কুলের টিআইসি ফণিভূষণ সরকার বলেন, আমাদের স্কুলে মাত্র দু’টি রুম। তারমধ্যে একটি রুমের অবস্থা খুবই খারাপ। ফলে একটি রুমে তিনটি ক্লাস হচ্ছে। প্রাক্ প্রাথমিক ও প্রথম শ্রেণির পড়ুয়াদের গাছতলায় ক্লাস নিতে হচ্ছে। প্রশাসনকে জানিয়েও কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। আমরা চাই, দ্রুত রুমটি সংস্কার করে ব্যবহার যোগ্য করে তোলা হোক।
এ বিষয়ে কোচবিহার জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয় সংসদের চেয়ারম্যান রজত বর্মা বলেন, বিষয়টি খোঁজখবর নিয়ে দেখছি। তবে বাইরে ক্লাস নেওয়া কখনই উচিত নয়। খুব শীঘ্রই নতুন ঘর তৈরি করা হবে।



