নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: হলদিয়া থেকে পুরুলিয়া যাওয়ার পথে রাস্তায় ৩০ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ভোজ্যতেল হাপিস হয়ে গিয়েছে। ১২ চাকার একটি লরিতে ১৩৫০টিন ভোজ্যতেল নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। প্রতি টিনে ১৫ লিটার করে তেল ছিল। গত ৭ ডিসেম্বর হলদিয়া থেকে ওই লরিটি পুরুলিয়ার বলরামপুরের উদ্দেশে রওনা দিয়েছিল। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোজ্যতেলবাহী ওই লরি না পৌঁছনোয় ট্রান্সপোর্ট সংস্থা খোঁজাখুঁজি শুরু করে। জিপিএস(গ্লোবাল পজিশনিং সিস্টেম) সূত্র ধরে জানা যায়, পাঁশকুড়ার মঙ্গলদ্বারি এলাকায় জাতীয় সড়কের ধারে লরিটি রয়েছে। সমস্ত তেলের টিন নামিয়ে ওই জায়গায় খালি লরি রেখে চালক পালিয়ে গিয়েছে। ট্রান্সপোর্ট সংস্থার ম্যানেজার তাপস চৌধুরী এনিয়ে পাঁশকুড়া থানায় এফআইআর করেছেন। পুলিস ওই লরিটি বাজেয়াপ্ত করেছে। তদন্ত শুরু হয়েছে।
Advertisement
ভোজ্যতেলবাহী লরি থেকে তেল চুরি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। প্রায় প্রতি মাসেই এধরনের ঘটনা ঘটছে। ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলি এনিয়ে পুলিসের দ্বারস্থ হচ্ছে। পুরুলিয়ার বলরামপুরগামী ওই লরির আসল মালিক কোলাঘাট থানার সিদ্ধা গ্রামের এক গৃহবধূ। যদিও সেটি সুতাহাটা থানার ঢেকুয়ার আনিসুর রহমান বেগ নামে এক ব্যক্তি লিজে নিয়ে চালাচ্ছিলেন। গত ৭ডিসেম্বর সকাল ১০টা নাগাদ আনিসুর সাহেবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন ওই ট্রান্সপোর্ট সংস্থা। ওইদিন সন্ধ্যা ৬টায় ৩০ লক্ষ টাকা মূল্যের ভোজ্যতেল নিয়ে ওই লরিটি পুরুলিয়ার বলরামপুরের উদ্দেশে রওনা দেয়। গত ১১ ডিসেম্বর সকাল ৯টা নাগাদ বলরামপুর থেকে ওই ট্রান্সপোর্ট সংস্থার অফিসে জানানো হয়, লরিটি আসেনি। এরপরই খোঁজাখুঁজি শুরু হয়। পাঁশকুড়ার মঙ্গলদ্বারিতে জাতীয় সড়কের ধারে খালি লরি দেখতে পাওয়া যায়।
৩০ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ভোজ্যতেল হাপিসের ঘটনায় লরির চালক সহ আরও কয়েকজন জড়িত বলে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ধারণা। গত ১২ ডিসেম্বর পাঁশকুড়া থানায় এফআইআর করা হয়েছে। লরিচালক হলদিয়ার দিঘাসিপুরের রাকেশ খান। ওই লরির আসল মালিক এবং লিজ নেওয়া আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধেও এফআইআর করা হয়েছে। পাঁশকুড়ার মঙ্গলদ্বারি গ্রাম থেকে ওই লরি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উলুবেড়িয়া এলাকায় ওই লরি নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে সমস্ত তেলের টিন নামানো হয়েছে বলে জেনেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিস। এখনও তেলের টিন উদ্ধার হয়নি। ওই ঘটনায় কেউ ধরা পড়েনি।
অভিযোগকারী তাপস চৌধুরী বলেন, হলদিয়া থেকে ভোজ্যতেল বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পথে হামেশাই এধরনের ঘটনা ঘটছে। ফলে ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলি সমস্যায় পড়ছে। আমরা গত ৭ ডিসেম্বর ওই লরিতে ১৩৫০টিন ভোজ্যতেল লোডিং করে বলরামপুরে পাঠিয়েছিলাম। মাঝরাস্তায় সব টিন উধাও। পাঁশকুড়া থানার আইসি সমর দে বলেন, উলুবেড়িয়া এলাকায় ওই লরি নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে তেলের টিন নামানো হয়েছে। আমরা লরিটি বাজেয়াপ্ত করেছি। এখনও কেউ ধরা পড়েনি। তদন্ত শুরু হয়েছে।
৩০ লক্ষ ৩২ হাজার টাকা মূল্যের ভোজ্যতেল হাপিসের ঘটনায় লরির চালক সহ আরও কয়েকজন জড়িত বলে ট্রান্সপোর্ট এজেন্সির ধারণা। গত ১২ ডিসেম্বর পাঁশকুড়া থানায় এফআইআর করা হয়েছে। লরিচালক হলদিয়ার দিঘাসিপুরের রাকেশ খান। ওই লরির আসল মালিক এবং লিজ নেওয়া আনিসুর রহমানের বিরুদ্ধেও এফআইআর করা হয়েছে। পাঁশকুড়ার মঙ্গলদ্বারি গ্রাম থেকে ওই লরি থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে। উলুবেড়িয়া এলাকায় ওই লরি নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে সমস্ত তেলের টিন নামানো হয়েছে বলে জেনেছে পাঁশকুড়া থানার পুলিস। এখনও তেলের টিন উদ্ধার হয়নি। ওই ঘটনায় কেউ ধরা পড়েনি।
অভিযোগকারী তাপস চৌধুরী বলেন, হলদিয়া থেকে ভোজ্যতেল বিভিন্ন জায়গায় নিয়ে যাওয়ার পথে হামেশাই এধরনের ঘটনা ঘটছে। ফলে ট্রান্সপোর্ট সংস্থাগুলি সমস্যায় পড়ছে। আমরা গত ৭ ডিসেম্বর ওই লরিতে ১৩৫০টিন ভোজ্যতেল লোডিং করে বলরামপুরে পাঠিয়েছিলাম। মাঝরাস্তায় সব টিন উধাও। পাঁশকুড়া থানার আইসি সমর দে বলেন, উলুবেড়িয়া এলাকায় ওই লরি নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে তেলের টিন নামানো হয়েছে। আমরা লরিটি বাজেয়াপ্ত করেছি। এখনও কেউ ধরা পড়েনি। তদন্ত শুরু হয়েছে।



