সংবাদদাতা, হলদিয়া: মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পর জমি থেকে দখলদার সরাতে নড়েচড়ে বসল হলদিয়া উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(এইচডিএ)। শিল্পাঞ্চলে সরকারি জমি থেকে বেআইনি দখলদার সরাতে ফের নতুন করে কমিটি তৈরির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হলদিয়া পুরসভা, এইচডিএ এবং পুলিসকে নিয়ে কমিটি গড়ার পর এক সপ্তাহের মধ্যে যৌথ সমীক্ষা শুরু হবে। বুধবার এইচডিএর ১৪৪তম বোর্ড মিটিংয়ে ওই সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিল্পাঞ্চলের সরকারি জমি দখল মুক্ত করতে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত মিলেছে।
Advertisement
গত ৩ মার্চ নবান্নে ইনভেস্টমেন্ট সিনার্জি কমিটির বৈঠকে বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি জমি দখল নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন মুখ্যমন্ত্রী। সাতদিনের মধ্যে প্রতিটি দপ্তরের প্রধান সচিবদের জমি সংক্রান্ত বিস্তারিত রিপোর্ট দেওয়ার নির্দেশ দেন। তারপরই এবারের বোর্ড মিটিংয়ে জমি দখলের বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেয় এইচডিএ। এদিন বোর্ড মিটিংয়ে এইচডিএর চেয়ারম্যান জ্যোতির্ময় কর, জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক, এইচডিএর চিফ এগজিকিউটিভ অফিসার কোন্থাম সুধীর, অতিরিক্ত পুলিস সুপার মনোরঞ্জন ঘোষ, আইওসির এগজিকিউটিভ ডিরেক্টর(প্ল্যান্ট হেড) অতনু সান্যাল প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
এইচডিএর চেয়ারম্যান বলেন, এবার মিটিংয়ে জনস্বার্থে তিনটি বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার, শহরজুড়ে খারাপ হওয়া পথবাতি এবং সিসি ক্যামেরাগুলি দ্রুত মেরামতি করা হবে। এইচডিএ এবং পুরসভা উভয়েরই জমি বেআইনিভাবে দখল হয়ে রয়েছে। এছাড়া সরকারি অন্য জমিও দখল হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প এলাকায় পড়ে থাকা জমি দখল নিয়েও শিল্প সংস্থাগুলি প্রায়ই অভিযোগ করে। কমিটি তৈরি করে মিটিং করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশকিছু দখল সরানো হয়েছে। বাকি যেগুলিতে সমস্যা রয়েছে সেখানে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করবে। কে এই বিষয়ে নোডাল এজেন্সি হবে তা কমিটির মিটিংয়ে ঠিক করা হবে। ওই এজেন্সির কাছে অভিযোগ আসার পর দখল সরানো হবে।
অভিযোগ, গত কয়েক বছরে হলদিয়ায় সরকারি জমি, শিল্প সংস্থার জমি দখল হওয়ার ঘটনা মাত্রা ছাড়িয়েছে। শহরে কোনও ফাঁকা জায়গা থাকলেই তা দখল করে রাতারাতি কংক্রিটের কাঠামো গড়ে উঠছে। এইচডিএ ও পুরসভা অফিস এলাকাতেই সরকারি জমি গায়ের জোরে দখল করার অভিযোগ উঠেছে শাসকদলের নেতাদের একাংশের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, কোনও পদক্ষেপই নিতে পারছে না এইচডিএ বা পুরসভা। এনিয়ে মিটিংয়ে এদিন আক্ষেপ করেন এইচডিএর চেয়ারম্যান।এইচডিএর চেয়ারম্যান বলেন, এবার মিটিংয়ে জনস্বার্থে তিনটি বিষয়ে বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, সিদ্ধান্তও নেওয়া হয়েছে। বেদখল হওয়া সরকারি জমি উদ্ধার, শহরজুড়ে খারাপ হওয়া পথবাতি এবং সিসি ক্যামেরাগুলি দ্রুত মেরামতি করা হবে। এইচডিএ এবং পুরসভা উভয়েরই জমি বেআইনিভাবে দখল হয়ে রয়েছে। এছাড়া সরকারি অন্য জমিও দখল হয়েছে। পাশাপাশি শিল্প এলাকায় পড়ে থাকা জমি দখল নিয়েও শিল্প সংস্থাগুলি প্রায়ই অভিযোগ করে। কমিটি তৈরি করে মিটিং করতে বলা হয়েছে। ইতিমধ্যেই বেশকিছু দখল সরানো হয়েছে। বাকি যেগুলিতে সমস্যা রয়েছে সেখানে কমিটি সিদ্ধান্ত নিয়ে কাজ করবে। কে এই বিষয়ে নোডাল এজেন্সি হবে তা কমিটির মিটিংয়ে ঠিক করা হবে। ওই এজেন্সির কাছে অভিযোগ আসার পর দখল সরানো হবে।
হলদিয়া শিল্পাঞ্চলে নিরাপত্তার জন্য দেড়-দু’বছর আগে প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছিল। এইচডিএকে অর্থ সহায়তা করেছিল বিভিন্ন শিল্প সংস্থা। পুলিস ওই ক্যামেরা নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে ছিল। কিন্তু বছর না ঘুরতেই বহু ক্যামেরা অকেজো হয়ে পড়ায় দুষ্কৃতীরাজ বেড়ে চলেছে। এদিন এইচডিএর মিটিংয়ে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ওই সিসি ক্যামেরা মেরামতি করবে এইচডিএ। এজন্য এজেন্সিকে খবর দিতে বলা হয়েছে পুলিসকে। এছাড়া পথবাতি মেরামতির জন্য মোবাইল নম্বর দিয়ে এইচডিএ বা পুরসভাকে জানানোর নয়া সিস্টেম চালু হচ্ছে। চেয়ারম্যান বলেন, আগামী এপ্রিল মাসে বাংলা নববর্ষবরণের আয়োজন করছে এইচডিএ। যেহেতু হলদিয়া মেলা হয়নি, তার পরিবর্তে এই অনুষ্ঠান হবে। এটি মূলত নতুন প্রতিভা অন্বেষণের জন্য প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান হবে। দুর্গাচকে কুমারচন্দ্র জানা অডিটোরিয়ামে আগামী ১৮-২০ এপ্রিল ওই অনুষ্ঠান হবে।



