নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: বাড়িতে বৈধ সংযোগ থাকা সত্ত্বেও হুকিং করে আলো, পাখা ও ফ্রিজ চালাচ্ছিলেন তৃণমূল নেতা। ভূপতিনগর থানার ইটাবেড়িয়া পঞ্চায়েতের পাঁচবজরি বুথের ওই তৃণমূল নেতা নোটন মণ্ডল পাঁচবজরি বুথের সভাপতি। ৬ডিসেম্বর বিদ্যুৎ বণ্টন সংস্থার মাধাখালি স্টেশন ম্যানেজারের আচমকা ভিজিটে হাতেনাতে সেই হুকিংয়ের ঘটনা ধরা পড়ে। নোটনের বিরুদ্ধে ভূপতিনগর থানায় এফআইআর হয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর দুই প্রতিবেশী নিখিল পট্টনায়েক ও অলোক পট্টনায়েক হুকিংয়ের ঘটনায় অভিযুক্ত। তাঁদের বিরুদ্ধেও থানায় এফআইআর করেছেন স্থানীয় স্টেশন ম্যানেজার প্রণবেশ মাজি। রবিবার ভূপতিনগর থানার পুলিস অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা নোটনের বাড়িতে পৌঁছে যায়। পুলিস যেতেই গাঢাকা দেন ওই তৃণমূল নেতা।
Advertisement
জানা গিয়েছে, বণ্টন সংস্থার মাধাখালির ওই স্টেশন ম্যানেজার সহ তাঁর টিম ৬ডিসেম্বর বিকেল ৩টে নাগাদ পাঁচবজরি গ্রামে হাজির হন। পটাশপুর থানা সীমানা লাগোয়া পাঁচবজরি বণ্টন সংস্থার অফিস থেকে প্রায় ২২কিলোমিটার দূরে। ইটাবেড়িয়া থেকে ওই গ্রামের দূরত্ব আট কিলোমিটার। প্রত্যন্ত এই এলাকায় দেদার হুকিং চলছে বলে বণ্টন সংস্থার কাছে খবর পৌঁছেছিল। সেইমতো শুক্রবার ওই টিম আচমকা গ্রামে পৌঁছয়। প্রথমেই তারা তৃণমূলের বুথ সভাপতি নোটন মণ্ডলের বাড়িতে হাজির হয়। ওই বাড়িতে ২.৭ কেভিএ লোডের বৈধ মিটার রয়েছে। তারপরও বিদ্যুৎ খরচ ফাঁকি দিতে ওই নেতা সরাসরি হুকিং করে আলো, পাখা, ফ্রিজ ও পাম্প চালাতেন বলে অভিযোগ। গ্রামের নেতাকে হুকিং করতে দেখে তাঁর দুই প্রতিবেশীও ওই কাজে উৎসাহ পান। তাঁরাও হুকিং করে পাম্প চালিয়ে সব্জির খেতে জল দিতেন। পাশাপাশি হুকিং করে মোটরচালিত ধান ঝাড়াই মেশিন চলছিল। তিনজনের বাড়ি থেকে হুকিংয়ে ব্যবহৃত সরঞ্জাম বাজেয়াপ্ত করেছে বণ্টন সংস্থা। সেইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে ভূপতিনগর থানায় এফআইআর হয়েছে। প্রায় সাড়ে চার লক্ষ টাকা ফাইন করা হচ্ছে।
রবিবার ওই কেসের তদন্তকারী অফিসার আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিস বাহিনী নোটনের বাড়িতে হাজির হয়। পুলিস দেখে গাঢাকা দেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই কারণে তাঁকে নোটিস দিতে পারেনি পুলিস। অপর দুই অভিযুক্তও পুলিস দেখে চম্পট দেন। ওই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত বুথ সভাপতি নোটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও ফোন ধরেননি।
ইটাবেড়িয়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি কালীপদ বর্মণ বলেন, নোটন আমাদের দলের বুথ সভাপতি। তিনি হুকিং করছিলেন বলে জেনেছি। দল এধরনের কাজ অনুমোদন করে না। মাধাখালি স্টেশন ম্যানেজার প্রণবেশ মাজি বলেন, পাঁচবজরি গ্রাম ব্লক সদর থেকে অনেকটা দূরে। নজরদারি সেভাবে না থাকার সুযোগে হুকিং হচ্ছিল বলে খবর ছিল। ৬ডিসেম্বর আমরা অভিযান চালিয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছি।
রবিবার ওই কেসের তদন্তকারী অফিসার আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিস বাহিনী নোটনের বাড়িতে হাজির হয়। পুলিস দেখে গাঢাকা দেন ওই তৃণমূল নেতা। সেই কারণে তাঁকে নোটিস দিতে পারেনি পুলিস। অপর দুই অভিযুক্তও পুলিস দেখে চম্পট দেন। ওই ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযুক্ত বুথ সভাপতি নোটনের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা হলেও ফোন ধরেননি।
ইটাবেড়িয়া অঞ্চল তৃণমূল সভাপতি কালীপদ বর্মণ বলেন, নোটন আমাদের দলের বুথ সভাপতি। তিনি হুকিং করছিলেন বলে জেনেছি। দল এধরনের কাজ অনুমোদন করে না। মাধাখালি স্টেশন ম্যানেজার প্রণবেশ মাজি বলেন, পাঁচবজরি গ্রাম ব্লক সদর থেকে অনেকটা দূরে। নজরদারি সেভাবে না থাকার সুযোগে হুকিং হচ্ছিল বলে খবর ছিল। ৬ডিসেম্বর আমরা অভিযান চালিয়ে তিনজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেছি।



