নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: দেড় বছর আগে সৌদি আরবের হজ করতে গিয়েছিলেন হোগলবেড়িয়ার বাসিন্দা মর্জেম মণ্ডল। দালাল মারফত ভিসা করিয়েই আরব যান তিনি। কিন্তু ভিসার মেয়াদ ফুরিয়ে গেলেও এখনও দেশে ফেরা হয়নি তাঁর। বর্তমানে তিনি সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষা করে বেড়ান। মর্জেম সাহেবের মতো এরম অনেকেই আছেন, যাঁদের হজ করতে নিয়ে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ভিক্ষাবৃত্তিতে নামানো হচ্ছে। সুযোগ নেওয়া হচ্ছে তাঁদের অসহায়তার। আরবের সেই অসাধু চক্রের সঙ্গে যোগ রয়েছে এদেশে আন্তর্জাতিক মানব পাচার চক্রের। যারা নদীয়া, মুর্শিদাবাদের মতো সীমান্ত এলাকায় সক্রিয় রয়েছে। সেই সমস্ত দালালের মাধ্যমে ভিসা করাতে গিয়েই বিপাকে পড়তে হচ্ছে সাধারণ মানুষদের। মূলত টুরিস্ট ভিসার আড়ালেই সেই ব্যবসা করা হচ্ছে।
Advertisement
সৌদি আরবে আটকে পড়া মানুষদের পরিবারের কথায়, তাঁদের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করা হচ্ছে। বিভিন্ন তীর্থস্থানগুলোর সামনে সকাল হলেই গাড়িতে করে এনে বসিয়ে দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। আবার সন্ধ্যার দিকে গাড়ি করে সিন্ডিকেটের লোকজন এসে তাঁদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে। ভিক্ষার উপার্জনের কানাকড়িও দেওয়া হচ্ছে না তাঁদের। সেই টাকার মোটা কমিশন আসছে এদেশের দালালদের কাছেও।
মুর্শিদাবাদের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার মতিউর রহমান বলেন, ‘হোগলবেড়িয়ার মর্জেম সাহেবের বাড়ির লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সৌদি আরবে অনেককেই নিয়ে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তির কাজ করানো হয়। হোগলবেড়িয়ার ঘটনায় আমরা হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে।’
জানা গিয়েছে, মর্জেম মণ্ডল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন। পেশায় বিড়ি ব্যবসায়ী। আর্থিক অবস্থা খারাপ নয়। বছর দেড়েক আগে সৌদি আরবে উমরা হজ করতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেইমতো মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ভিসা, পাসপোর্ট সমস্ত কিছু করে দেওয়ার জন্য মর্জেমের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেয় সে। সেই মতো মর্জেমের ‘মাল্টিপল টুরিস্ট ভিসা’ করিয়ে দেয় সে। এই টুরিস্ট ভিসা মূলত ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা হয়। এক বছরের মেয়াদ থাকে এই ভিসার। তার মধ্যে যতবার খুশি যাওয়া আসা করা হয়। তবে সবমিলিয়ে বিদেশে মোট ৯০ দিনই থাকতে পারে সেই ব্যক্তি।
সেইমতো বহরমপুরের ওই ব্যক্তি আরও কয়েকজনের সঙ্গে মর্জেম সাহেবকে আরবে নিয়ে গিয়ে এক এজেন্সির হাতে তুলে দেয়। সেখানে প্রথমেই তাঁর ভিসা কেড়ে নেওয়া হয়। তাঁর স্ত্রী মিনওয়ারা বিবি বলেন, ‘ওখানে গিয়ে আমার স্বামীর ফোন হারিয়ে যায়। একটা ঘরে আরও কয়েকজনের সঙ্গে আমার স্বামীকে রাখে। এখন সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষা করানো হচ্ছে ওঁকে দিয়ে। দেড় বছর হল বাড়ি আসতে পারেননি। ওঁর মা মারা গিয়েছেন। কিন্তু মাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন না। আমাদের ব্যবসাও বন্ধ হতে গিয়েছে। কিন্তু কী করব বুঝতে পারছি না। আমার স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হোক। এখন মাঝেমধ্যে ফোন কথা হয় ওঁর সঙ্গে।’
মর্জেম সাহেবের সঙ্গে আরও অনেকেই আটকে রয়েছেন সেখানে। যাদের হজ করতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে ভিক্ষা করানো হচ্ছে। তার কমিশন নিচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মথুরাপুরের এক বাসিন্দা। যে কিনা এই গোটা মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত।
মুর্শিদাবাদের এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার কর্ণধার মতিউর রহমান বলেন, ‘হোগলবেড়িয়ার মর্জেম সাহেবের বাড়ির লোক আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছিলেন। সৌদি আরবে অনেককেই নিয়ে গিয়ে ভিক্ষাবৃত্তির কাজ করানো হয়। হোগলবেড়িয়ার ঘটনায় আমরা হাইকমিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করি। তারা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে দেখছে।’
জানা গিয়েছে, মর্জেম মণ্ডল বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন। পেশায় বিড়ি ব্যবসায়ী। আর্থিক অবস্থা খারাপ নয়। বছর দেড়েক আগে সৌদি আরবে উমরা হজ করতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সেইমতো মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরের এক ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করেন তিনি। ভিসা, পাসপোর্ট সমস্ত কিছু করে দেওয়ার জন্য মর্জেমের কাছ থেকে এক লক্ষ টাকা নেয় সে। সেই মতো মর্জেমের ‘মাল্টিপল টুরিস্ট ভিসা’ করিয়ে দেয় সে। এই টুরিস্ট ভিসা মূলত ব্যবসার কাজে ব্যবহার করা হয়। এক বছরের মেয়াদ থাকে এই ভিসার। তার মধ্যে যতবার খুশি যাওয়া আসা করা হয়। তবে সবমিলিয়ে বিদেশে মোট ৯০ দিনই থাকতে পারে সেই ব্যক্তি।
সেইমতো বহরমপুরের ওই ব্যক্তি আরও কয়েকজনের সঙ্গে মর্জেম সাহেবকে আরবে নিয়ে গিয়ে এক এজেন্সির হাতে তুলে দেয়। সেখানে প্রথমেই তাঁর ভিসা কেড়ে নেওয়া হয়। তাঁর স্ত্রী মিনওয়ারা বিবি বলেন, ‘ওখানে গিয়ে আমার স্বামীর ফোন হারিয়ে যায়। একটা ঘরে আরও কয়েকজনের সঙ্গে আমার স্বামীকে রাখে। এখন সৌদি আরবের বিভিন্ন জায়গায় ভিক্ষা করানো হচ্ছে ওঁকে দিয়ে। দেড় বছর হল বাড়ি আসতে পারেননি। ওঁর মা মারা গিয়েছেন। কিন্তু মাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন না। আমাদের ব্যবসাও বন্ধ হতে গিয়েছে। কিন্তু কী করব বুঝতে পারছি না। আমার স্বামীকে দেশে ফিরিয়ে নিয়ে আসা হোক। এখন মাঝেমধ্যে ফোন কথা হয় ওঁর সঙ্গে।’
মর্জেম সাহেবের সঙ্গে আরও অনেকেই আটকে রয়েছেন সেখানে। যাদের হজ করতে নিয়ে যাওয়ার নাম করে ভিক্ষা করানো হচ্ছে। তার কমিশন নিচ্ছে দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার মথুরাপুরের এক বাসিন্দা। যে কিনা এই গোটা মানব পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত।



