নয়াদিল্লি: এবার নিশানায় ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা তথা নিট আন্দোলনের অন্যতম মুখ অভিজিৎ দিপকের বাবা ভগবান রাও দিপকে। অবসরপ্রাপ্ত সরকারি কর্মী হয়ে তিনি কীভাবে বিদেশে ছেলের পড়াশোনার খরচ জোগালেন, তা জানতে আরটিআই (তথ্য জানার অধিকার আইন) ফাইল করলেন গুজরাতের এক সমাজকর্মী অমিত তিওয়ারি। অভিজিতের বাবার সম্পত্তি নিয়েও তদন্তের দাবি জানিয়েছেন সুরাতের এই বাসিন্দা। তাঁর বক্তব্য, ভগবান রাও মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট কর্পোরেশনের (এমআইডিসি) জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। অবসরের আগে মাসে ৬০-৬৫ হাজার টাকা বেতন পেতেন। এমন একজন ব্যক্তি কীভাবে নিজের ছেলেকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠাতে পারেন? এর পাশাপাশি সিজেপি-র আইনি বৈধতা, তহবিল ও আয়কর সংক্রান্ত বিষয় নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অমিত তিওয়ারি। দিনকয়েক আগে সিজেপি-কে আইনি সহায়তা প্রদানের জন্য ১ কোটি টাকা দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন প্রবীণ আইনজীবী কপিল সিবাল। এনিয়েও সরব হয়েছেন সুরাতের ওই সমাজকর্মী। আমেরিকার বস্টন ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতকোত্তরের ডিগ্রি অর্জন করেছেন দিপকে। সেই বিষয়টিকেই হাতিয়ার করেছেন অমিত তিওয়ারি। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, ‘তিনটি আলাদা আলাদা জায়গায় অভিযোগ জানিয়েছি। সিজেপির বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে অভিযোগ জানিয়েছি। কপিল সিবালের ১ কোটির অনুদান নিয়েও সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমসের দ্বারস্থ হয়েছি। আমাদের দাবি, এই অনুদানের উপরে নিয়ম মেনে ১৮ শতাংশ জিএসটি আরোপ করা হোক। মহারাষ্ট্র সরকারের কাছেও একটি অভিযোগ জানিয়েছি। এই বেতনে ভগবান রাও তাঁর ছেলেকে কীভাবে বিদেশে পড়ালেন? যদি কোনো আয় বহির্ভূত সম্পত্তির হদিশ মেলে, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হোক।’



