Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জলে ডুবেই মৃত্যু হিমাচলের পড়ুয়ার, ইঙ্গিত ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে

জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে সাঁকরাইলের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়তে আসা হিমাচল প্রদেশের ছাত্রের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে এমনটাই জানিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস।

জলে ডুবেই মৃত্যু হিমাচলের পড়ুয়ার, ইঙ্গিত ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে
  • ১৩ আগস্ট, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, হাওড়া: জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে সাঁকরাইলের বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে পড়তে আসা হিমাচল প্রদেশের ছাত্রের। ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টের ভিত্তিতে এমনটাই জানিয়েছে হাওড়া সিটি পুলিস। শনিবার দুপুরে সাঁকরাইলের একটি বেসরকারি ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজের ডাইভিং পুলে উদ্ধার হয় কপিল কুমার (২১) নামের এক ছাত্রের দেহ। এই ঘটনায় খুনের অভিযোগ তোলে পরিবার। সোমবার ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে ভিডিওগ্রাফি সহ পড়ুয়ার দেহের ময়নাতদন্ত হয়। তাঁর শরীরে আঘাতের কোনও চিহ্ন বা অস্বাভাবিক কিছু ধরা পড়েনি বলে জানিয়েছে পুলিস। 

Advertisement

হাওড়া সিটি পুলিসের এক কর্তা বলেন, ‘ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্ট দেখে বোঝা যাচ্ছে, জলে ডুবেই মৃত্যু হয়েছে ওই পড়ুয়ার। কলেজের সমস্ত সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে খতিয়ে দেখা হয়েছে। পড়ুয়াকে খুন করার মতো অস্বাভাবিক কিছু পাওয়া যায়নি’। তবে তদন্ত প্রক্রিয়া জারি রাখতে চায় সিটি পুলিস। জানা গিয়েছে, মৃত পড়ুয়ার সহপাঠীদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কলেজ কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও লাগাতার কথা বলছেন গোয়েন্দারা। শনিবার দুপুরে কলেজের ডাইভিং পুল এরিয়ার ফেন্সিং গেট তালাবন্ধ থাকা সত্ত্বেও কপিল কীভাবে সেখানে গেল, তা খতিয়ে দেখছে পুলিস। এদিন নিহত পড়ুয়ার দেহ নিয়ে হিমাচলপ্রদেশের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় অসহায় পরিবারটি। পড়ুয়ার দিদি বলেন, ‘মাত্র দেড় মাস আগেই ভাই এখানে মেরিন ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সে পড়তে এসেছিল। সাঁতার জানা সত্ত্বেও ও কীভাবে ডুবে গেল, বুঝতে পারছি না। রাখির দিন ভাইকে চিরতরে হারিয়ে ফেলব, কল্পনাও করতে পারিনি’।
প্রসঙ্গত, সাঁকরাইলের জলধূলাগড়ি এলাকায় সিকম ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজে গত জুন মাসে ভর্তি হয়েছিলেন কপিল কুমার। তাঁর বাড়ি হিমাচল প্রদেশের হামিরপুরে। গত শনিবার বিকেলে তাঁকে কলেজের ডাইভিং পুলে অচেতন অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁকে সেখান থেকে উদ্ধার করে প্রথমে একটি নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখান থেকে আন্দুল রোডের পাশে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে ডাক্তাররা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এরপর দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য পাঠিয়ে একটি অস্বাভাবিক মৃত্যুর মামলা রুজু করে সাঁকরাইল থানার পুলিস। ছেলের মৃত্যুর খবর পেয়ে রবিবারই হাওড়ায় আসে তাঁর পরিবারের সদস্যরা। তাঁদের অভিযোগ, কেউ বা কারা কপিলকে খুন করেছে। সবটা এখন ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ