Bartaman Logo
১১ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জোগান থাকলেও জামাইষষ্ঠীতে চড়া দাম ইলিশের

জামাইষষ্ঠী উপলক্ষ্যে বাজার ছেয়ে গিয়েছে ইলিশে। ছোটো ও বড়ো দুই আকারেরই মাছ বাজারে মিলছে। গতবছর জামাইষষ্ঠীর সময় মায়ানমারের ইলিশের উপর নির্ভর করতে হয়েছিল।

জোগান থাকলেও জামাইষষ্ঠীতে চড়া দাম ইলিশের
  • ২০ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কাকদ্বীপ: জামাইষষ্ঠী উপলক্ষ্যে বাজার ছেয়ে গিয়েছে ইলিশে। ছোটো ও বড়ো দুই আকারেরই মাছ বাজারে মিলছে। গতবছর জামাইষষ্ঠীর সময় মায়ানমারের ইলিশের উপর নির্ভর করতে হয়েছিল। কারণ সে সময় ইলিশের আমদানি ছিল না। কিন্তু এবছর খরা কাটিয়ে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৬০ টন ইলিশ বাজারে এসেছে। গভীর সমুদ্র থেকে মাছ ধরে প্রায় ৭০ শতাংশ ট্রলার উপকূলে ফিরে এসেছে। মূলত জামাইষষ্ঠীর বাজার ধরতেই ট্রলারগুলি মাছ ধরে পাঁচদিনের মধ্যে ফিরেছে উপকূলে। জামাইষষ্ঠী বলে গভীর সমুদ্র থেকে ইলিশ বাজারে এসে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে দাম হয়ে গিয়েছে চড়া।

Advertisement

রাজু বিশ্বাস নামে এক মৎস্যজীবী বলেন, ‘সমুদ্র এখন উত্তাল। যে কারণে জাল ফেলতে সমস্যা হচ্ছে। তবে এই মরশুমে প্রথম দফায় মোটামুটি ইলিশ পড়েছে। মাছের সাইজও ভালো। এছাড়াও ভোলা, নিহারি সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ জালে ধরা পড়েছে।’ কাকদ্বীপ পাল বাজারের এক মৎস্য ব্যবসায়ী সুরজিৎ দাস বলেন, ‘এবছর জামাইষষ্ঠীতে সব ওজনের ইলিশ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ৩০০ থেকে ৪০০ গ্রাম ইলিশ ৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। ৫০০ থেকে ৬০০ গ্রাম ১২০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ১৪০০ টাকা ও ৯০০ থেকে ১ কেজি ওজনের ইলিশের দাম ১৮০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’ সুন্দরবন সামুদ্রিক মৎস্যজীবী শ্রমিক ইউনিয়নের সম্পাদক সতীনাথ পাত্র বলেন, ‘গতবছর জামাইষষ্ঠীতে নদী ও সমুদ্রের ইলিশ বাজারে পাওয়া যায়নি। ভিনদেশ থেকে রপ্তানি করে আনতে হয়েছিল। তবে এবছর জামাইদের পাতে এখানকার ইলিশই পড়বে। এখন বৃষ্টি থেমে গিয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকার কারণে আরও ইলিশ মেলার সম্ভাবনা আছে।’-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ