Bartaman Logo
২৫ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / ব্যবসা

পালাবদলের পর বাণিজ্যে গতি বৃদ্ধির আশায় হিলির ব্যবসায়ীরা

রাজ্যে পালাবদলের পর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সীমান্তবর্তী হিলিকে ঘিরে এলাকার ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ নতুন করে উন্নয়নের আশার আলো দেখছেন।

পালাবদলের পর বাণিজ্যে গতি বৃদ্ধির আশায় হিলির ব্যবসায়ীরা
  • ২১ মে, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হিলি: রাজ্যে পালাবদলের পর দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার সীমান্তবর্তী হিলিকে ঘিরে এলাকার ব্যবসায়ী থেকে সাধারণ মানুষ নতুন করে উন্নয়নের আশার আলো দেখছেন। ইতিমধ্যে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের জন্য জমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু করেছে রাজ্য সরকার। এই অবস্থায় সীমান্ত বাণিজ্যের উন্নয়নে উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা, স্থল বন্দর ও কৃষিভিত্তিক শিল্পের বিকাশের মাধ্যমে আগামী দিনে হিলি উত্তরবঙ্গের অন্যতম অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠতে পারে। আগামী দিনে হিলি উত্তরবঙ্গের একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসাবে গুরুত্ব পাওয়ার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Advertisement

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে অবস্থিত হিলি দীর্ঘদিন ধরে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক স্থল বন্দর হিসেবে পরিচিত। প্রতিদিন এই বন্দর দিয়ে বিপুল পরিমাণ পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানি হয়। ফলে উত্তরবঙ্গের পাশাপাশি উত্তর-পূর্ব ভারতের বাণিজ্য ক্ষেত্রেও হিলির বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। ব্যবসায়ীদের মতে, নতুন রাজনৈতিক সমীকরণের ফলে রাজ্য ও কেন্দ্রের মধ্যে সমন্বয় আরও বৃদ্ধি পেলে জেলার সার্বিক উন্নয়নের পাশাপাশি হিলির বাণিজ্যিক সম্ভাবনাও দ্রুত প্রসার লাভ করবে। স্থানীয় মহলের মতে, আগামী দিনে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সুসম্পর্ক আরো মজবুত হলে এবং করিডর ব্যবস্থা বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের ভেতর দিয়ে ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলির সঙ্গে সহজ যোগাযোগ গড়ে উঠলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে হিলির গুরুত্ব অনেক বৃদ্ধি পাবে। এরফলে আগামী দিনে নতুন ব্যবসার সুযোগ তৈরি হওয়া সহ কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রও সম্প্রসারিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
ব্যবসায়ীদের মতে,হিলিতে দ্রুত আধুনিক রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলার পাশাপাশি একটি অত্যাধুনিক রেল গোডাউন নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি। দ্রুত রেল যোগাযোগ ব্যবস্থার মাধ্যমে কম খরচে শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় কাঁচামাল আনা সহজ হবে। পাশাপাশি কম খরচে খুব সহজে উৎপাদিত পণ্য দ্রুত দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো সম্ভব হলে হিলিকে কেন্দ্র করে শিল্প ও বাণিজ্যের বিকাশ ঘটবে।
হিলির বাসিন্দা অমূল্য রতন বিশ্বাস জানান, এই অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে কৃষিপণ্য উৎপাদিত হয়। তাই এখানে কৃষিভিত্তিক শিল্প গড়ে তোলা গেলে স্থানীয় কৃষকরা লাভবান হবেন। পাশাপাশি উৎপাদিত পণ্য সহজেই বাংলাদেশ সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পাঠানো সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে স্থানীয় যুবকদের জন্য নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
হিলি এক্সপোর্টার্স অ্যান্ড কাস্টমস ক্লিয়ারিং এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সহ সভাপতি রাজেশ কুমার আগরওয়াল জানান, ডবল ইঞ্জিন সরকারে বাণিজ্য আরো প্রসারিত হবে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ