সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: হাইকোর্টের নির্দেশমতো সাসপেন্ড করা পাঁচ পড়ুয়ার তিনজনকে বুধবার পরীক্ষায় বসার সুযোগ দিল উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ। অন্যদিকে, সংশ্লিষ্ট মামলায় উচ্চ আদালতে কলেজের তরফে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগে প্রিন্সিপালের অফিসের সামনে বিক্ষোভ দেখায় জয়েন্ট ফোরাম অব রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যান্ড স্টুডেন্টস। যদিও তাঁরা হাতেগোনা কয়েকজন সদস্য ছিলেন।
Advertisement
থ্রেট কালচারের অভিযোগে তদন্ত কমিটির রিপোর্টের ভিত্তিতে ১১ সেপ্টেম্বর পাঁচজন পড়ুয়াকে ছ’মাসের জন্য কলেজ কাউন্সিল সাসপেন্ড করে। সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছিলেন ওই পাঁচ পড়ুয়া। কলেজ তাতে সাড়া দেয়নি। শেষে তাঁরা আদালতের দ্বারস্থ হন। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করে ওই পড়ুয়াদের বুধবার থেকে পরীক্ষায় বসার নির্দেশ দেয়।
মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ পেয়েছি। সেই মতো এদিন সাসপেন্ড হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়েছে। বাকি দু’জনের এদিন পরীক্ষা ছিল না।
এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশের পর উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে আদালতে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিন জয়েন্ট ফোরাম অব রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যান্ড স্টুডেন্টসের সদস্যরা প্রিন্সিপালকে স্মারকলিপি দিতে আসেন। সেইসময় প্রিন্সিপাল অফিসে ছিলেন না। তাঁর অফিসে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর ফোরামের জনা দশেক সদস্য প্রিন্সিপালের অফিসের সামনে কিছুক্ষণ স্লোগান দিয়ে চলে যান।
ফোরামের তরফে ডাঃ শাহরিয়ার আলম বলেন, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের গাইড লাইন মেনে কলেজ কাউন্সিল গঠিত হয়। এটি স্বশাসিত। কাউন্সিলের সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করে প্রিন্সিপাল আদালতকে ভুল তথ্য দিয়েছেন। তিনিই তদন্ত কমিটি গড়ে দেন। তিনদিন তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে রিপোর্ট দেয়। কিন্তু আমরা সংবাদমাধ্যমে জানতে পারলাম প্রিন্সিপাল এসব কথা না জানিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন চাপের মুখে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। কেন ভুল তথ্য দিয়েছেন, তা জানতেই এদিন প্রিন্সিপালকে আমরা স্মারকলিপি দিতে আসি। তিনি অফিসে না থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে আমরা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলকে গোটা ঘটনা জানিয়ে হস্তক্ষেপ চাইব।
পরে দপ্তরে এলে প্রিন্সিপাল ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহাকে এই অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, বিচারাধীন বিষয়, আমি এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।
এদিকে, এদিন ওই তিন ডাক্তারি পড়ুয়া পরীক্ষা দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গোপনে চলে যান।
মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপাল ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহা বলেন, হাইকোর্টের অন্তর্বর্তীকালীন নির্দেশ পেয়েছি। সেই মতো এদিন সাসপেন্ড হওয়া পাঁচজনের মধ্যে তিনজনকে পরীক্ষায় বসতে দেওয়া হয়েছে। বাকি দু’জনের এদিন পরীক্ষা ছিল না।
এদিকে, হাইকোর্টের নির্দেশের পর উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজের প্রিন্সিপালের বিরুদ্ধে আদালতে ভুল তথ্য দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এদিন জয়েন্ট ফোরাম অব রেসিডেন্ট ডক্টর্স অ্যান্ড স্টুডেন্টসের সদস্যরা প্রিন্সিপালকে স্মারকলিপি দিতে আসেন। সেইসময় প্রিন্সিপাল অফিসে ছিলেন না। তাঁর অফিসে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার পর ফোরামের জনা দশেক সদস্য প্রিন্সিপালের অফিসের সামনে কিছুক্ষণ স্লোগান দিয়ে চলে যান।
ফোরামের তরফে ডাঃ শাহরিয়ার আলম বলেন, ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলের গাইড লাইন মেনে কলেজ কাউন্সিল গঠিত হয়। এটি স্বশাসিত। কাউন্সিলের সিদ্ধান্তকে অস্বীকার করে প্রিন্সিপাল আদালতকে ভুল তথ্য দিয়েছেন। তিনিই তদন্ত কমিটি গড়ে দেন। তিনদিন তদন্ত কমিটি সংশ্লিষ্ট পড়ুয়াদের জিজ্ঞাসাবাদ করে রিপোর্ট দেয়। কিন্তু আমরা সংবাদমাধ্যমে জানতে পারলাম প্রিন্সিপাল এসব কথা না জানিয়ে ভুল তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন চাপের মুখে সাসপেন্ডের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছিল। কেন ভুল তথ্য দিয়েছেন, তা জানতেই এদিন প্রিন্সিপালকে আমরা স্মারকলিপি দিতে আসি। তিনি অফিসে না থাকায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি। তবে আমরা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কাউন্সিলকে গোটা ঘটনা জানিয়ে হস্তক্ষেপ চাইব।
পরে দপ্তরে এলে প্রিন্সিপাল ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহাকে এই অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়। তিনি বলেন, বিচারাধীন বিষয়, আমি এনিয়ে কোনও মন্তব্য করব না।
এদিকে, এদিন ওই তিন ডাক্তারি পড়ুয়া পরীক্ষা দিয়ে সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে গোপনে চলে যান।



