সংবাদদাতা, কাঁথি: হাইকোর্টের নির্দেশ মেনে অবশেষে পটাশপুর থানার ভুবন মঙ্গলপুর গ্রামের নির্যাতিতা মহিলার দেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত হল। ঘটনার একমাস পর শনিবার বিকেলে কলকাতার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা ময়নাতদন্ত করেন। ময়নাতদন্ত এবং অন্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর রাতের দিকে পরিবারের লোকজনের হাতে দেহ তুলে দেওয়া হয়। তমলুক থেকে পুলিস এসকর্ট করে দেহ গ্রামে নিয়ে আসে। গ্রামেও পুলিস মোতায়েন করা হয়েছিল। গভীর রাতে মহিলার শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়।
Advertisement
৬ অক্টোবর ওই মহিলাকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যর্থ হয়ে তাঁর মুখে বিষ ঢেলে খুনের অভিযোগ ওঠে এলাকার এক প্রৌঢ়ের বিরুদ্ধে। শুকচাঁদ মাইতি নামে ওই প্রৌঢ়কে পিটিয়ে মেরে ফেলেন এলাকার বাসিন্দারা। মহিলার পরিবারের তরফে থানায় ধর্ষণের চেষ্টা ও খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু ময়নাতদন্তের প্রাথমিক রিপোর্টে তার উল্লেখ ছিল না। ময়নাতদন্ত নিয়ে মহিলার পরিবারের লোকজন অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্ত এবং সিবিআই তদন্তের দাবি জানিয়ে তাঁরা কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।
২২অক্টোবর হাইকোর্ট পুলিসকে ২৯অক্টোবর পর্যন্ত দেহ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। ২৯ তারিখে মামলার পরবর্তী শুনানিতে ২ নভেম্বরের মধ্যে মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি ২৮ নভেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তারপর পরবর্তী তদন্তপ্রক্রিয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। মৃতার পরিবারের লোকজন বলেন, তাঁরা সুবিচারের আশায় রয়েছেন। আশা করছেন, এই রিপোর্টে আসল সত্য উদ্ঘটন হবে।
২২অক্টোবর হাইকোর্ট পুলিসকে ২৯অক্টোবর পর্যন্ত দেহ সংরক্ষণের নির্দেশ দেয়। ২৯ তারিখে মামলার পরবর্তী শুনানিতে ২ নভেম্বরের মধ্যে মৃতদেহের দ্বিতীয়বার ময়নাতদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়। পুরো প্রক্রিয়ার ভিডিওগ্রাফি করার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিচারপতি ২৮ নভেম্বরের মধ্যে দ্বিতীয় ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। তারপর পরবর্তী তদন্তপ্রক্রিয়ার নির্দেশ দেওয়া হবে। মৃতার পরিবারের লোকজন বলেন, তাঁরা সুবিচারের আশায় রয়েছেন। আশা করছেন, এই রিপোর্টে আসল সত্য উদ্ঘটন হবে।



