নিজস্ব প্রতিনিধি, চণ্ডীপুর: চণ্ডীপুর থানার মগরাজপুরে গবাদি পশুর হাট নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা বিতর্কের অবসান ঘটাল ব্লক প্রশাসন। হাইকোর্টের নির্দেশে চণ্ডীপুরের বিডিও শাশ্বতপ্রসাদ লাহিড়ি গত ১২ডিসেম্বর নিজের অফিসে এনিয়ে শুনানি করেন। সেখানে মামলার বাদী ও বিবাদী পক্ষ ছাড়াও পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি এবং ব্লক ভূমি অফিসার উপস্থিত ছিলেন। মগরাজপুর রেলওয়ে ওভারব্রিজে অ্যাপ্রোচওয়ে ওঠার মুখে আব্দুল আন্নাস খানের গোরুর হাট নিয়ে বিতর্কের সূত্রপাত। ওই জায়গা ভূমিদপ্তরের খাতায় ‘হাটখোলা’ হিসেবে চিহ্নিত। যদিও ভূমিদপ্তরের নথিতে হাট এবং হাটখোলা দু’টি ভিন্ন ক্যাটাগরি। লাইসেন্স ছাড়াই এবং জমি হাট হিসেবে কনভার্সান না করিয়ে সেখানে পশুর হাট চলছে বলে অভিযোগ। এনিয়ে নিবেদিতা দাস পণ্ডিত হাইকোর্টে মামলা দায়ের করেছিলেন। সেই মামলায় সবপক্ষকে নিয়ে শুনানি করে নিষ্পত্তির জন্য বিডিওকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেই শুনানিতে বিডিওর নির্দেশ, আন্নাস খানকে পশুর হাট চালাতে হলে লাইসেন্স নিতে হবে। পাশাপাশি জমির চরিত্র হাটখোলা থেকে হাটে বদল করতে হবে।
Advertisement
মগরাজপুরে পাশাপাশি দু’টি গবাদি পশুর হাট রয়েছে। তারমধ্যে নিবেদিতা দাস পণ্ডিতদের হাটের বৈধতা থাকলেও অন্য গবাদি পশুর হাটের বৈধতা নিয়ে মামলা হয়েছিল। অভিযোগ, আব্দুল আন্নাস খানের ওই হাটের জন্য লাইসেন্স নেই। শুধু তাই নয়, ভূমির চরিত্র হাটের বদলে রয়েছে হাটখোলা। বিষয়টি আদালতে গড়ায়। এনিয়ে বিডিওকে হস্তক্ষেপ করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলে হাইকোর্ট। ব্লক ভূমি অফিসার সত্যজিৎ শিকদার হাট এবং হাটখোলা নিয়ে বিডিওকে রিপোর্ট দেন। তাতে বলা হয়, ভূমিদপ্তরের নথিতে হাট ও হাটখোলা আলাদা। এরপর সবপক্ষকে নিয়ে শুনানি হয়। তারপর বিডিও অফিস থেকে নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে।
অভিযোগকারী নিবেদিতাদেবী বলেন, আমরা বৈধভাবে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অথচ, অপর ওই ব্যক্তি বেআইনিভাবে ব্যবসা করছেন। বিডিওর নির্দেশিকায় সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এনিয়ে আন্নাস খান বলেন, আমাকে জমির চরিত্র হাটখোলা থেকে হাট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স ইস্যুর বিষয় নিয়ে মামলা করেছিলাম। প্রশাসনকে ইস্যু করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জমির ক্যাট্যাগরি বদল না হওয়ায় সেটা আটকে রয়েছে।
অভিযোগকারী নিবেদিতাদেবী বলেন, আমরা বৈধভাবে এই ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত। অথচ, অপর ওই ব্যক্তি বেআইনিভাবে ব্যবসা করছেন। বিডিওর নির্দেশিকায় সেটা পরিষ্কার হয়ে গিয়েছে। এনিয়ে আন্নাস খান বলেন, আমাকে জমির চরিত্র হাটখোলা থেকে হাট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। লাইসেন্স ইস্যুর বিষয় নিয়ে মামলা করেছিলাম। প্রশাসনকে ইস্যু করতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। জমির ক্যাট্যাগরি বদল না হওয়ায় সেটা আটকে রয়েছে।



