সংবাদদাতা, ঘাটাল: আইনজীবী না ধরে একাই নিজের সমস্যার বিচার পেতে পর পর দু’বার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতির মুখোমুখি হয়ে রাতারাতি ‘সেলিব্রিটি’ হয়ে গেলেন এক যুবতী। ঘাটাল থানার প্রতাপপুরের বাসিন্দা বছর পঁচিশের ওই যুবতীর নাম মৌ চক্রবর্তী ওরফে টগরি। হাইকোর্টে বিচারপতির সঙ্গে তাঁর সওয়াল করার ভিডিও এখন নেটবিশ্বে ভাইরাল। মোবাইলে মোবাইলে ঘুরছে। টগরি বলেন, ‘আমি ঘাটাল মহকুমা প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরে আমার সমস্যার কথা বলে কোনও সুরাহা পাইনি। তাই, আমি সরাসরি হাইকোর্টে গিয়েছিলাম। হাইকোর্টে উকিল ধরার মতো আমার আর্থিক সঙ্গতি নেই। আমি নিজেই বিচারপতির সঙ্গে কথা বলেছি। আমার সমস্যার কথা জানিয়েছি।’
Advertisement
পারিবারিক সম্পত্তি নিয়ে জ্ঞাতিদের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের বিবাদ চলছে টগরির। তাঁর বাবা অনেক দিন আগেই মারা গিয়েছেন। পরিবারের সদস্য বলতে মা ও ভাই। যুবতীর অভিযোগ, তাঁদের মাথার উপর কেউ নেই বলে তাঁদের সম্পত্তি নিয়ে জ্ঞাতিরা জুলুম খাটাচ্ছেন। দেবত্তর জাগয়ার উপর বাড়িও নির্মাণ করে নেওয়া হয়েছে। বিষয়টি তিনি বার বার ঘাটাল থানা, ঘাটাল ব্লক ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তর এবং মহকুমা প্রশাসনে জানিয়েছেন। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি।’ এর পরেই তিনি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। তিনি বলেন, ‘আমি ঘাটালে আইনি পরিষেবা কেন্দ্রের সহযোগিতা চেয়েছিলাম। তাও পাইনি। তাই নিজে খুবই অসহায় বোধ করে শেষে হাইকোর্টে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিই।’
নভেম্বর মাসেই পর পর দু’বার তিনি বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে যান। ৬ নভেম্বর তিনি প্রথম ওই বিচারপতির এজলাসে গিয়েছিলেন। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে দীর্ঘক্ষণ তাঁকে এজলাসে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বিচারপতির কাছে তালিকাভুক্ত মামলাগুলি শেষ হওয়ার পর তিনি একেবারে সামনে গিয়ে কাঁদো কাঁদো গলায় বলেন, ‘আমি ঘাটাল থেকে এসেছি।’ বিচারপতি তাঁর দিকে মনোযোগ দিতেই টগরি তাঁর আবেদন বিচারপতির কাছে তুলে ধরেন। বিচারপতি সমস্ত ঘটনা শোনার পর টগরিকে জানান, পদ্ধতিগতভাবে না এলে হাইকোর্টে বিচার পাওয়া যায় না। তারপর বিচারপতি কিছু মৌখিক নির্দেশ দেন। ফের টগরি ১৪ নভেম্বর আবার একইভাবে ওই বিচারপতির এজলাসে যান। বিচারপতিকে আবারও একটি কাগজ তুলে দিয়ে টগরি জানান, ঘাটালের প্রশাসনের বিচারব্যবস্থা বলতে কিছু নেই। সেজন্যই তিনি অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন। বিচারপতি সেটি মন দিয়ে পড়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই টগরিকে জানান, আগে এলাকার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে যেতে। সেখানে কোনও কাজ না হলে তখন ফের হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেন।
ওই দু’দিনের লাইভ স্ট্রিমিং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। মৌয়ের প্রকৃত সমস্যার বিষয়টি হাইকোর্টে এখনও পর্যন্ত বিচার্য না হলেও তাঁর এই সাহসিকতার প্রশংসা করছেন সকলেই। কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা।
নভেম্বর মাসেই পর পর দু’বার তিনি বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে যান। ৬ নভেম্বর তিনি প্রথম ওই বিচারপতির এজলাসে গিয়েছিলেন। লাইভ স্ট্রিমিংয়ে দীর্ঘক্ষণ তাঁকে এজলাসে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। বিচারপতির কাছে তালিকাভুক্ত মামলাগুলি শেষ হওয়ার পর তিনি একেবারে সামনে গিয়ে কাঁদো কাঁদো গলায় বলেন, ‘আমি ঘাটাল থেকে এসেছি।’ বিচারপতি তাঁর দিকে মনোযোগ দিতেই টগরি তাঁর আবেদন বিচারপতির কাছে তুলে ধরেন। বিচারপতি সমস্ত ঘটনা শোনার পর টগরিকে জানান, পদ্ধতিগতভাবে না এলে হাইকোর্টে বিচার পাওয়া যায় না। তারপর বিচারপতি কিছু মৌখিক নির্দেশ দেন। ফের টগরি ১৪ নভেম্বর আবার একইভাবে ওই বিচারপতির এজলাসে যান। বিচারপতিকে আবারও একটি কাগজ তুলে দিয়ে টগরি জানান, ঘাটালের প্রশাসনের বিচারব্যবস্থা বলতে কিছু নেই। সেজন্যই তিনি অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন। বিচারপতি সেটি মন দিয়ে পড়ে কিছুটা বিরক্ত হয়েই টগরিকে জানান, আগে এলাকার ভূমি ও ভূমি সংস্কার দপ্তরে যেতে। সেখানে কোনও কাজ না হলে তখন ফের হাইকোর্টে যাওয়ার কথা বলেন।
ওই দু’দিনের লাইভ স্ট্রিমিং সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। মৌয়ের প্রকৃত সমস্যার বিষয়টি হাইকোর্টে এখনও পর্যন্ত বিচার্য না হলেও তাঁর এই সাহসিকতার প্রশংসা করছেন সকলেই। কুর্নিশ জানিয়েছেন নেটিজেনরা।



