নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: নজরদারির অভাবে হাইব্রিড মাগুর মাছে ছেয়েছে শিলিগুড়ির বিভিন্ন বাজার। অজান্তেই এই মাছ বাড়ি নিয়ে গিয়ে শরীরে ক্ষতিকারক রোগ ডেকে নিয়ে আসছেন অনেকেই। বিশেষজ্ঞদের দাবি, এই মাছ বেশি খেলে শরীরে বাসা বাঁধতে পারে ক্যান্সার। যদিও মৎস্যদপ্তরের দাবি, ওই মাছ চিহ্নিতকরণ করতে না পারার জন্যই তা বাজারে আসা রোখা যাচ্ছে না। চিকিৎসকদের দাবি, এই মাছ চাষের পদ্ধতি বা প্রক্রিয়া অবৈজ্ঞানিক হওয়ায় কোনওভাবেই খাওয়া ঠিক নয়।
Advertisement
এনিয়ে শিলিগুড়ির মহকুমা শাসক অবধ সিঙ্গল বলেন, বিষয়টি জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি। দার্জিলিং জেলা মৎস্যদপ্তরের আধিকারিক ভেরোনিকা গুরুং বলেন, এই মাছ বাজারে রয়েছে। আমরা এটিকে চিহ্নিতকরণ করতে পারি না। কারণ ছোট অবস্থাতেই অন্যান্য দেশীয় মাগুরের সঙ্গে এই মাছকে বাজারে ঢোকানো হয়। যার ফলে বড় হওয়ার আগেই মাছ বিক্রি হয়ে যায়।
শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত মাছ ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি বাপী চৌধুরী বলেন, এবিষয়ে মৎস্যদপ্তর থেকে নজরদারি প্রয়োজন। কোন মাছ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে, সে বিষয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। ওই মাগুর মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
এক সময়ে শহরের বাজার ছেয়েছিল রাক্ষুসে মাগুর মাছে। কয়েক বছর আগে সরকার তা নিষিদ্ধ করে। কিন্তু তাতেও বিপদ কাটেনি। রাক্ষুসে মাগুরের সঙ্গে দেশি মাগুরের প্রজনন ঘটিয়ে শঙ্কর মাগুর উৎপাদন হচ্ছে। দেখতে হুবহু দেশি মাগুরের মতো। ফলে ছোট অবস্থায় দেখে চেনার উপায় নেই। এই মাগুর চাষ ভারতে নিষিদ্ধ হলেও, চোরা পথে বাংলাদেশ থেকে রাজ্যে ঢুকছে। আর এর জেরে অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছে দেশি মাগুর।
জানা গিয়েছে, কমদামে পোনা কিনে দ্রুত বেশি ফলন পাওয়ায় আশায় চাষিরা এই মাছ চাষ করছেন। আর বাজারে সেগুলিই বিক্রি হচ্ছে দেশি মাগুর বলে। আর এতেই বাড়ছে বিপদ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, শঙ্কর উপায়ে উৎপাদিত এই মাছ থেকে ছোট বড় সকলের মধ্যে অ্যালার্জির সমস্যা বাড়াবে। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার কল্যাণ খাঁ বলেন, এধরনের মাছের থেকে মানুষের মধ্যে চর্মরোগ থেকে শুরু করে অ্যালার্জি রোগের প্রকোপ বাড়বে।
শিলিগুড়ি নিয়ন্ত্রিত মাছ ব্যবসায়ী সংগঠনের সভাপতি বাপী চৌধুরী বলেন, এবিষয়ে মৎস্যদপ্তর থেকে নজরদারি প্রয়োজন। কোন মাছ নিয়ে নিষেধাজ্ঞা আছে, সে বিষয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে। ওই মাগুর মাছ বাজারে বিক্রি হচ্ছে।
এক সময়ে শহরের বাজার ছেয়েছিল রাক্ষুসে মাগুর মাছে। কয়েক বছর আগে সরকার তা নিষিদ্ধ করে। কিন্তু তাতেও বিপদ কাটেনি। রাক্ষুসে মাগুরের সঙ্গে দেশি মাগুরের প্রজনন ঘটিয়ে শঙ্কর মাগুর উৎপাদন হচ্ছে। দেখতে হুবহু দেশি মাগুরের মতো। ফলে ছোট অবস্থায় দেখে চেনার উপায় নেই। এই মাগুর চাষ ভারতে নিষিদ্ধ হলেও, চোরা পথে বাংলাদেশ থেকে রাজ্যে ঢুকছে। আর এর জেরে অস্তিত্বের সঙ্কটে পড়েছে দেশি মাগুর।
জানা গিয়েছে, কমদামে পোনা কিনে দ্রুত বেশি ফলন পাওয়ায় আশায় চাষিরা এই মাছ চাষ করছেন। আর বাজারে সেগুলিই বিক্রি হচ্ছে দেশি মাগুর বলে। আর এতেই বাড়ছে বিপদ। বিশেষজ্ঞদের দাবি, শঙ্কর উপায়ে উৎপাদিত এই মাছ থেকে ছোট বড় সকলের মধ্যে অ্যালার্জির সমস্যা বাড়াবে। জলপাইগুড়ি মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার কল্যাণ খাঁ বলেন, এধরনের মাছের থেকে মানুষের মধ্যে চর্মরোগ থেকে শুরু করে অ্যালার্জি রোগের প্রকোপ বাড়বে।



