


ধর্মেন্দ্রর প্রয়াণের পর দুই পরিবারের দ্বন্দ্ব নিয়ে কম চর্চা হয়নি। কেন দুই পরিবার একসঙ্গে স্মরণসভার পরিবর্তে ভিন্ন স্মরণসভার আয়োজন করল, কেন বর্ষীয়ান অভিনেতার অস্থি বিসর্জন বা শেষ ছবির প্রিমিয়ারে দেখা গেল না হেমা, এষা, অহনাকে— এমন নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খেয়েছে ইন্ডাস্ট্রিতে। এই আবহে মুখ খুললেন হেমা নিজেই। সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে হেমা বলেন, ‘পরিবারের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত এটি। প্রত্যেকে প্রত্যেকের সঙ্গে কথা বলেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। আমার পরিচিত বৃত্ত খানিক আলাদা। আমি রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফলে আলাদা করে দিল্লি ও মথুরায় স্মরণসভা করেছি। আমি যা করেছি, তাতে খুশি। আমার পরিবারের ভাঙন নিয়ে অন্য কারও অধিক চিন্তাভাবনার প্রয়োজন নেই।’