Bartaman Logo
২৯ আগস্ট, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পুলিসের ভয়ে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল হেলমেটহীন বাইকচালকের

মামাতো বোনের বিয়েতে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাইকচালক তরুণের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দু’জন। বিহার লাগোয়া হরিশ্চন্দ্রপুরের সাদলীচক গ্রাম পঞ্চায়েতের সহারাবাহারা এলাকার ঘটনা।

পুলিসের ভয়ে পালাতে গিয়ে দুর্ঘটনায় প্রাণ গেল হেলমেটহীন বাইকচালকের
  • ২২ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: মামাতো বোনের বিয়েতে যাওয়ার সময় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হল বাইকচালক তরুণের। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও দু’জন। বিহার লাগোয়া হরিশ্চন্দ্রপুরের সাদলীচক গ্রাম পঞ্চায়েতের সহারাবাহারা এলাকার ঘটনা। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, মৃতের নাম মাঞ্জার আলি (২০)। জখম হয়েছেন নাজিম আক্তার ও মহম্মদ সাকিব। মাঞ্জার ও নাজিমের বাড়ি বিহারের মণিহারি থানার দিলারপুর এলাকায়। সাকিব হরিশ্চন্দ্রপুরের সুলতাননগরের বাসিন্দা। 
সোমবার ছিল সাকিবের দিদির বিয়ে। সাকিব দুই বন্ধুকে বিহার থেকে আনতে গিয়েছিলেন। একটি বাইকে তিনজন চেপে ফিরছিলেন। স্থানীয় সূত্রে খবর, কারও মাথায় হেলমেট ছিল না। পিছনে এক বাইক আরোহীর হাতে হেলমেট ঝোলানো ছিল। হেলমেট পরা না থাকায় বাংলা-বিহার সীমানা এলাকায় লাভা ব্রিজের কাছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার পুলিসকে দেখে ফাইনের ভয়ে পালানোর চেষ্টা করেন বাইক চালক। কিন্তু তখন নিয়ন্ত্রণ হারায় বাইকটি। সেসময় রাস্তা দিয়ে বেশকিছু মহিষ নিয়ে যাচ্ছিলেন এক ব্যবসায়ী। বাইকটি মহিষের পালে ধাক্কা মারলে রাস্তার উপর ছিটকে পড়েন চালক ও দুই আরোহী। পুলিস ও স্থানীয়রা জখমদের উদ্ধার করে হরিশ্চন্দ্রপুর গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে গেলে মাঞ্জারের মৃত্যু হয়। বাকি দু’জনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চাঁচল সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, দেহটি ময়নাতদন্তের জন্য মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। দুর্ঘটনার তদন্ত চলছে।
মাঞ্জারের মৃত্যুতে হাসপাতালের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে পরিবার। তাদের দাবি, চিকিৎসক দেরিতে আসায় তরুণের মৃত্যু হয়েছে। মৃতের মামা শেখ রবিউলের অভিযোগ, ভাগ্নেকে হাসপাতালে নিয়ে গেলেও জরুরি বিভাগে কোনও চিকিৎসক ছিলেন না। আশঙ্কজনক অবস্থায় আহতদের চিকিৎসা না করিয়ে কাগজপত্রের বাহানা দেখিয়ে হয়রান করা হয়। চিকিৎসার অভাবেই মাঞ্জারের মৃত্যু হয়েছে।
যদিও এই অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক ছোটন মণ্ডল। বলেছেন, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় যুবকের। সকাল থেকেই হাসপাতালে ডিউটি ছিল আমার। অন্য চিকিৎসকরাও ছিলেন। পরিবারের অভিযোগ ঠিক নয়। 

Advertisement

 (দুর্ঘটনায় মৃত যুবকের শোকার্ত পরিজন কান্নায় ভেঙে পড়েছেন।-নিজস্ব চিত্র)

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ