নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উত্তর সিকিম বিধ্বস্ত। খারাপ আবহাওয়ার কারণে উড়তে পারছে না কপ্টারও। ফলে লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকদের বুধবার বিকেল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে পর্যটকদের পরিবারের।
নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে উত্তর সিকিম বিধ্বস্ত। খারাপ আবহাওয়ার কারণে উড়তে পারছে না কপ্টারও। ফলে লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকদের বুধবার বিকেল উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। চিন্তায় রাতের ঘুম উড়েছে পর্যটকদের পরিবারের।
এই পরিস্থিতিতে প্ল্যান বি তৈরি করল সিকিম প্রশাসন। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কোনওভাবে লাচেন থেকে চুং থাং পর্যন্ত ২৮ কিমি হাঁটা পথ তৈরি করা যায় কি না তার চেষ্টা শুরু হয়েছে। মঙ্গন জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, লাচেন থেকে চুংথাং পৌঁছতে অন্তত চার পাঁচটি ঝুঁকিপূর্ণ জায়গা রয়েছে। যেখানে ধসের জেরে রাস্তা ও সেতু মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। জরুরি ভিত্তিতে ওই জায়গাগুলো মেরামতের চেষ্টা চলছে। সেনা ও এনডিআরএফ কাঠের অস্থায়ী সেতু তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছে। এটা সম্ভব হলে লাচেনে আটকে পড়া পর্যটকরা যদি হেঁটে চুংথাং পর্যন্ত চলে আসতে পারেন, সেক্ষেত্রে সেখান থেকে তাঁদের গাড়িতে উদ্ধার করা হবে।
কিন্তু লাচেন থেকে বিপদসংকুল পাহাড়ি পথে লাগেজ নিয়ে ২৮ কিমি হেঁটে আসা আদৌও যে সহজ কথা নয় তা মানছে সিকিম প্রশাসন। তাদের তরফে অবশ্য বলা হয়েছে, পাকিয়ং বিমানবন্দরে দুটি কপ্টার রাখা রয়েছে। এদিনও কপ্টার দুটি ওড়ার চেষ্টা করে। কিন্তু খারাপ আবহাওয়ার কারণে কিছুটা গিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হয়।