Bartaman Logo
১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

ভারী বৃষ্টি, ধস, নদীর জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত পাহাড়ের একাংশ, আতঙ্ক

ভারী বৃষ্টি, নদীর জলোচ্ছাস ও ধসে বিধ্বস্ত পাহাড়ের একাংশ। বৃহস্পতিবার রাতভর বৃষ্টির জেরে বালাসন নদীতে হিউম পাইপের ব্রিজ এবং রংভং নদীর কজওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে

ভারী বৃষ্টি, ধস, নদীর জলোচ্ছ্বাসে বিধ্বস্ত পাহাড়ের একাংশ, আতঙ্ক
  • ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: ভারী বৃষ্টি, নদীর জলোচ্ছাস ও ধসে বিধ্বস্ত পাহাড়ের একাংশ। বৃহস্পতিবার রাতভর বৃষ্টির জেরে বালাসন নদীতে হিউম পাইপের ব্রিজ এবং রংভং নদীর কজওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ধসে গিয়েছে পাহাড়ি রাস্তাও। এরজেরে শিলিগুড়ি ও মিরিকের মধ্যে সরাসরি ভারী যানবাহন চলাচল কার্যত বিপর্যস্ত। শুধু তাই নয়, পর্যটনস্থল তাবাকোশী ও রামভামের একাংশ বিচ্ছিন্ন। এনিয়ে স্থানীয়দের পাশাপাশি পর্যটকরাও আতঙ্কিত। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ময়দানে নেমেছে প্রশাসন। নদীরপাড়ের বাসিন্দাদের সতর্ক করার পাশাপাশি তারা মিরিকে মোতায়েন করেছে এসডিআরএফ টিম। তবে, দুধিয়ায় বেইলি ব্রিজ অক্ষত রয়েছে। শুক্রবার রাজ্যের স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ বলেন, মিরিকে বেইলি ব্রিজ ভেঙে গিয়েছে বলে যে খবর ছড়াচ্ছে, তা সত্য নয়। বেইলি ব্রিজ সম্পূর্ণ নিরাপদ ও অক্ষত রয়েছে। ভারী বৃষ্টির কারণে দুধিয়ায় বালাসন নদীর ওপর ভারী যানবাহনের জন্য তৈরি অস্থায়ী হিউম পাইপের ব্রিজটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। জুন মাসে যে কজওয়েটি ভেসে গিয়েছিল, স্থানীয় মানুষ সেখানেই হিউম পাইপের ওপর মাটি ফেলে অস্থায়ী ব্যবস্থা তৈরি করেছিলেন। সেটির একাংশ ভেসে গিয়েছে। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা অক্ষত রয়েছে।

Advertisement

ওই রাতে মিরিকে ভারী বৃষ্টি হয়। প্রশাসন সূত্রের খবর, গত ২৪ ঘণ্টায় মিরিকে বৃষ্টির পরিমাণ ৫৭.৩ মিলিমিটার। এতে শুধু বালাসন নদী নয়, রংভং নদীরও জলস্তর বেড়ে যায়। যার জেরে রংভং নদীর উপর তাবাকোশীর অস্থায়ী কজওয়ে আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পর্যটন শিল্পের মানচিত্রে আকর্ষণীয় পাহাড়ি গ্রামগুলির মধ্যে নদী, পাহাড়, জঙ্গল বেষ্টিত তাবাকোশী অন্যতম। এটি সুখিয়াপোখরি ব্লকের অধীনে। ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, বৃষ্টির জেরে ওই কজওয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আপাতত যান চলাচল বন্ধ রয়েছে। 
  
  

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ