Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

‘শুনানি পরে হবে, আগে রাস্তাটা দখলমুক্ত করুন’ ভিআইপি রোডে এয়ারপোর্ট-কেষ্টপুর অংশ নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট

বেলাগাম দখলদারির ফলে ভিআইপি রোডের দু’পাশে বেহাল দশা। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এমনই অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল, মামলা নিষ্পত্তির আশায় বসে না থেকে রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলিকে অবিলম্বে এনিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে।

‘শুনানি পরে হবে, আগে রাস্তাটা দখলমুক্ত করুন’ ভিআইপি রোডে এয়ারপোর্ট-কেষ্টপুর অংশ নিয়ে ক্ষুব্ধ হাইকোর্ট
  • ১৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: বেলাগাম দখলদারির ফলে ভিআইপি রোডের দু’পাশে বেহাল দশা। অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে জনজীবন। এমনই অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলায় হাইকোর্ট স্পষ্ট জানিয়ে দিল, মামলা নিষ্পত্তির আশায় বসে না থেকে রাজ্য সরকার ও সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলিকে অবিলম্বে এনিয়ে ব্যবস্থা নিতে হবে। সম্প্রতি বিচারপতি সুজয় পাল ও বিচারপতি স্মিতা দাসের ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়েছে, অভিযোগ গুরুতর। বিষয়টি যাচাই করে রাজ্য এবং পরিবহণ দপ্তরকে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে হবে। তার আগেই পরিস্থিতি যাচাই করে স্থানীয় পুরসভা এবং রাজ্য সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে দখলদারি হঠাতে পদক্ষেপ করতে হবে। 

Advertisement

মামলাকারী রাজীব সরকারের অভিযোগ, কেষ্টপুর থেকে এয়ারপোর্ট ১ নম্বর পর্যন্ত ভিআইপি রোডের দু’পাশের ৯০ শতাংশ অংশ দখল হয়ে গিয়েছে। এর ফলে ওই এলাকা কার্যত ফুটপাথশূন্য হয়ে পড়েছে। এমনকি, রাজ্যের পূর্তদপ্তরের অধীন সাতগাছি লিঙ্ক রোড থেকে শুরু করে চিনার পার্কের দিকে জোড়ামন্দির ভিআইপি জংশন পর্যন্ত এলাকার একই অবস্থা। বাগুইআটি ভিআইপি রোড বাজার যাওয়ার রাস্তার অবস্থাও দুর্বিষহ। মামলাকারীর অভিযোগ, রাস্তার দু’ধারে হকার, অটো, ভ্যান, ই-রিক্সা বা টোটো বেআইনি ভাবে পাকাপাকি স্ট্যান্ড গড়ে তুলেছে। যার ফলে মূল রাস্তা সংকীর্ণ হয়ে পড়ায় স্বাভাবিকভাবে যানবাহনের গতি শ্লথ হয়ে পড়ছে। মাত্র দু’কিলোমিটার রাস্তা পেরোতে আধ ঘণ্টারও বেশি সময় লেগে যাচ্ছে। 
অভিযোগ, বাগুইআটি ও নাগেরবাজার থানার অন্তর্গত বাগুইআটি বাজার থেকে সাতগাছি পর্যন্ত মূল রাস্তার ফুটপাথের পুরোটাই হকারদের দখলে। অথচ বিধাননগর পুরসভা এবং দক্ষিণ দমদম পুরসভায় একাধিকবার অভিযোগের পরও কোনও সুরাহা হয়নি। আরও অভিযোগ, বাগুইআটি ৪৪ নম্বর বাস স্টপ থেকে শুরু করে গোটা এলাকায় বাস পার্কিংয়ের কারণে নিত্য যানজটে ভুগতে হচ্ছে মানুষকে। রাস্তার দু’ধারে বেআইনি কার পার্কিং পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলছে। শুনানিতে মামলাকারীর আইনজীবী আরও অভিযোগ করেন, দখলদারি তো আছেই। তার উপর গোটা বিধাননগর কমিশনারেট এলাকার অন্যতম মাথাব্যথ্যা বেআইনি ই-রিকশা ও টোটো। এই এলাকায় নিত্যদিন কত টোটো যাতায়াত করে, তা নিয়ে বিধাননগর পুরসভার কাছে কোনও  তথ্য নেই। তার উপর প্রতিদিন টোটোর সংখ্যা বেড়ে চলেছে। যাবতীয় অভিযোগ শোনার পর রিপোর্ট তলবের পাশাপাশি ডিভিশন বেঞ্চ জানিয়ে দিয়েছে, মামলার নিষ্পত্তির কথা না ভেবে আগে পরিস্থিতি যাচাই করে ব্যবস্থা নিতে হবে রাজ্য ও সংশ্লিষ্ট পুরসভাগুলিকে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ