নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: আপাতত পিছিয়ে গেল উপাচার্য নিয়োগ মামলা। রাজ্যের ১৭ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে রাজ্যপালের আপত্তি বিবেচনা করবেন সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যান তথা দেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিত। সুপ্রিম কোর্টের গ্রীষ্মাবকাশের পর, জুলাই মাসের শেষে ফের এই মামলার শুনানি হবে। আগামী ২৪ মে থেকে ১৩ জুলাই ছুটি থাকবে শীর্ষ আদালত। সেই সময় গ্রীষ্মাবকাশকালীন বেঞ্চ বসবে। যদিও উপাচার্য মামলার শুনানি ছুটির পর, জুলাই মাসেই হবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিল বিচারপতি সূর্য কান্ত এবং বিচারপতি এন কে সিংয়ের বেঞ্চ।
রাজ্যের ৩৬টি বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী উপাচার্য নিয়োগ নিয়ে ২০২৩ সাল থেকে মামলা ঝুলে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। উপাচার্য হিসেবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেসব নাম বেছে নিচ্ছেন, তার সিংহভাগেই আপত্তি তুলেছিলেন আচার্য তথা রাজ্যপাল সি ভি আনন্দ বোস। তাই শীর্ষ আদালত বিষয়টির নিষ্পত্তির লক্ষ্যে উদয় উমেশ ললিতকে চেয়ারম্যান করে সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটি গড়ে দেয়। কমিটির প্রস্তাব মতো মুখ্যমন্ত্রীর বেছে নেওয়া প্রার্থীর মধ্যে ১৯টি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থায়ী উপাচার্যর নামে সম্মতি দেন আচার্য। বাকি ১৭টিতে তাঁর আপত্তি বহাল থাকে।
কেন আপত্তি, তার বিস্তারিত নোট দু’টি পেন ড্রাইভে করে মুখবন্ধ খামে সুপ্রিম কোর্টে জমা দিয়েছেন আচার্যর আইনজীবী তথা দেশের অ্যাটর্নি জেনারেল আর বেঙ্কটরামনি এবং আইনজীবী জয়দীপ মজুমদার। তারপর শীর্ষ আদালত
জানিয়েছে, এগুলি সার্চ অ্যান্ড সিলেকশন কমিটির চেয়ারম্যানের কাছে পাঠানো হবে। তিনিই বিবেচনা করবেন রাজ্যপাল তথা আচার্যর আপত্তির বিষয়টি। এরপর রাজ্য সরকারের আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি বলেন, ‘আমাদের অনুরোধ, সুপ্রিম কোর্টের গ্রীষ্মাবকাশের দু মাসের ছুটির মধ্যে বিষয়টি নিষ্পত্তি হয়ে গেলে ভালো হয়।’ বিচারপতি সূর্য কান্ত বলেন, ‘সেটা সম্পূর্ণ প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি উদয় উমেশ ললিতের বিষয়। আমরা কোনও নির্দেশ দিচ্ছি না।’