নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: রাজ্য সরকারি কর্মচারীদের ডিএ মামলার শুনানি পিছিয়ে গেল। আগামী ১৮ আগস্ট দুপুর দুটোয় ফের শুনানি হবে বলে বৃহস্পতিবার জানিয়ে দিলেন সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি সঞ্জয় কারোল এবং বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্রর বেঞ্চ। তবে বকেয়া ডিএ কীভাবে মেটানো হচ্ছে, কাজ কতটা বাকি—তা নিয়ে মনিটরিং কমিটি দু’দিনের মধ্যে সব পক্ষকে রিপোর্ট দেবে বলে জানিয়ে দিল শীর্ষ আদালত। ওই রিপোর্ট দেখে পরবর্তী শুনানির দিন বিস্তারিত বক্তব্য রাখতে পারবে বাদী-বিবাদী উভয়পক্ষই। রাজ্যে ক্ষমতার আসার পর ডিএ নিয়ে বিজেপি সরকার সুপ্রিম কোর্টে সম্প্রতি একটি স্টেটাস রিপোর্ট জমা দিয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, বিপুল আর্থিক বোঝার কারণে ১০০ শতাংশ ডিএ দেওয়া সম্ভব নয়। বকেয়া ডিএ’র ৮৫ শতাংশ মেটাতে চায় তারা। আদালত সেই অনুমতি দিক। বাকি ১৫ শতাংশ ছাড় দেওয়া হোক। রাজ্য জানিয়েছে, বকেয়া ডিএ মেটানোর কাজ ধাপে ধাপে শুরু হয়েছে। মোট চার কিস্তিতে ২০২৮ সালের মধ্যে সমস্ত টাকা দিয়ে দেওয়া হবে।সেই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছে কর্মচারীদের সংগঠন। এদিন বিশেষ বেঞ্চে ছিল মামলার শুনানি। সরকারি কর্মী সংগঠনের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী তথা তৃণমূলের রাজ্যসভার সাংসদ মেনকা গুরুস্বামী। ছিলেন করুণা নন্দী, বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যর মতো আইনজীবীরা। শুনানিতে রাজ্য সরকারের পক্ষে দেশের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা সময় চাওয়ায় আগামী ১৮ আগস্ট শুনানির দিন ধার্য হয়েছে। অন্যদিকে, বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্ট সুমিত রায়কে আপাতত রক্ষাকবচ দিল। তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়কের বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। দেশের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী এবং বিচারপতি ভি মোহনার বেঞ্চে ছিল শুনানি। সুমিতের হয়ে সওয়ালে আইনজীবী গোপাল শঙ্করনারায়ণ বলেন, ‘তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করব বলার পরেও কেন পুলিশ গ্রেপ্তার করতে চাইছে?’ তুষার মেহতা বলেন, ‘ব্যাপক দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত, তাই।’ সওয়াল-জবাব শুনে প্রধান বিচারপতির নির্দেশ, আগামী ১৪ আগস্ট ফের শুনানি হবে। ততদিন পর্যন্ত শালবনী থানার কেসে সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করা যাবে না। তবে সুমিতবাবুকে তদন্তে সহযোগিতা করতে হবে।



