Bartaman Logo
৭ আগস্ট, ২০২৬

পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ‘রেয়ার আর্থ’ সম্ভারের নিলাম প্রক্রিয়া শুরু শীঘ্রই

পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় রেয়ার আর্থ মিনারেলসের বিপুল সম্ভার রয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে সংসদে একথা লিখিতভাবে জানিয়েছে কেন্দ্র।

পুরুলিয়া ও বাঁকুড়ায় ‘রেয়ার আর্থ’ সম্ভারের নিলাম প্রক্রিয়া শুরু শীঘ্রই
  • ৭ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি:  পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়ায় রেয়ার আর্থ মিনারেলসের বিপুল সম্ভার রয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সাংসদ শমীক ভট্টাচার্যকে সংসদে একথা লিখিতভাবে জানিয়েছে কেন্দ্র। এরই পাশাপাশি শমীকবাবুকে চিঠি পাঠিয়ে কেন্দ্র জানিয়েছে, পুরুলিয়ার বেকু রেয়ার আর্থ মিনারেল ব্লকের নিলামের প্রক্রিয়া দ্রুত শুরুর পথে হাঁটছে খনিমন্ত্রক। 

Advertisement

খনিমন্ত্রকের কেন্দ্রীয় রাষ্ট্রমন্ত্রী সতীশচন্দ্র দুবে রাজ্যসভায় লিখিতভাবে জানিয়েছেন, ২০২৫-২৬ ফিল্ড সিজনে জিওলজিক্যাল সার্ভে অব ইন্ডিয়ার (জিএসআই) যে এক্সপ্লোরেশন হয়েছে, তাতে পুরুলিয়া এবং বাঁকুড়া জেলায় ‘রেয়ার আর্থ এলিমেন্টস’ এবং ‘রেয়ার মেটালসে’র (আরইই-আরএম) বিপুল ভাণ্ডারের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে। এর মধ্যে পুরুলিয়ার চিরুগোরা, মেদনিতার এবং পুরদহ ব্লক অত্যন্ত উল্লেখযোগ্য। মূলত এই তিনটি ব্লককে জি-থ্রি থেকে জি-টু’য়ে আপগ্রেড করা হয়েছে। সাধারণত কোনো স্থানের একটি বড়ো অংশে খনিজের সন্ধান পাওয়ার পর নির্দিষ্ট  অংশকে তা উত্তোলনের জন্য চিহ্নিত করা সম্ভব হলে, সেটিই প্রধানত জি-থ্রি থেকে জি-টু’য়ে আপগ্রেডেশন। অর্থাৎ, খনিজ বা প্রাকৃতিক সম্পদের খোঁজ পাওয়ার পর কোন জায়গায় তা তোলা হবে এবং বেশি পরিমাণে পাওয়া যাবে, সেই ‘ম্যাপিং’ই হল জি-থ্রি থেকে জি-টু’য়ে আপগ্রেড করা। সেইমতোই পুরুলিয়ার তিনটি ব্লকের নামোল্লেখ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। একইভাবে বাঁকুড়ার ইন্দপুর-বোগা-ডাঙ্গা ব্লকে রয়েছে রেয়ার আর্থ মিনারেলসের সম্ভার। তবে ২০২৫-২৬ ফিল্ড সিজন অনুসারে তা রয়েছে জি-ফোর স্টেজে। ২০২৬-২৭ ফিল্ড সিজনে পুরুলিয়ার যেসব ব্লক খনিজ সম্পদে জি-থ্রি স্টেজে রয়েছে, সেগুলি হল বরুয়াডিহি পূর্ব, বেলডিহা এবং পানকিডিহি-ভেলাইডিহি। এরই মধ্যে বেকু রেয়ার মেটাল ব্লকের নিলাম সংক্রান্ত প্রক্রিয়া দ্রুত শুরু করতে চাইছে কেন্দ্র। এব্যাপারে বৃহস্পতিবার শমীক ভট্টাচার্য ‘বর্তমান’কে বলেন, ‘বিগত ১৫ বছর ধরে পূর্বতন তৃণমূল সরকার বাংলাকে লুট করেছে। কোথাও কোনো উন্নয়ন হতেই দেয়নি। অথচ বাংলায় যা খনিজ এবং প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, তাতে এই রাজ্য খুব সহজেই দেশের এক নম্বর স্থানে পৌঁছে যেতে পারে। রাজ্যের বিজেপি সরকারের সহযোগিতায় কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার সেই ব্যাপারেই উদ্যোগ নিয়েছে।’
অন্যদিকে, আসানসোলের ইএসআই হাসপাতালের প্রশাসনিক এবং পরিচালনগত যাবতীয় ভার এবার যাচ্ছে কেন্দ্রের হাতেই। অর্থাৎ, ইএসআই স্কিমের পরিবর্তে এবার ইএসআই কর্পোরেশনের আওতাভুক্ত হচ্ছে আসানসোলের এই হাসপাতাল। গত মাসেই এসংক্রান্ত মউ স্বাক্ষর হয়েছে কেন্দ্র এবং রাজ্যের মধ্যে। সংসদে শমীক ভট্টাচার্যকে লিখিতভাবে জানিয়েছে শ্রমমন্ত্রক। পাশাপাশি, এদিন রাতে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীনের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্যের সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। বিষয়টিকে সৌজন্য সাক্ষাৎ বলেই দাবি করেছেন সুকান্তবাবু।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ