সানি বাগ, কলকাতা: রুপোলি পর্দায় দুর্দান্ত অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর রক্তে মিশে ছিল দেশাত্মবোধ। দেশের টানে একসময় ছুটে গিয়েছিলেন ভারত-পাকিস্তান কার্গিল যুদ্ধের ময়দানেও। সেখানে কাটিয়েছিলেন প্রায় দু’মাস। শুধু তা-ই নয়, নানা ধরনের সমাজকল্যাণমূলক কাজের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন। গরিব কৃষকদের সাহায্যেও বারেবারে এগিয়ে আসেন নানা পাটেকর। তাঁর প্রয়াণে গভীর শোকপ্রকাশ করে অভিনেতা দেবদূত ঘোষ বলেন, ‘টালিগঞ্জে যখন উনি কাজ করতে এলেন, নিজের কাজের পুরো পারিশ্রমিকটাই অনাথ আশ্রমে দান করে দিয়েছিলেন। এ এক অনন্য শিক্ষা।’
ভারাক্রান্ত গলায় দেবদূত বলেন, ‘আজকের দিনে বহু মানুষই অনেক অর্থ রোজগার করেন। কিন্তু আমাদের মতো দেশে মানুষের কল্যাণে কতজন অর্থ সাহায্য করতে পারেন? তিনি এই উদারতা শিখিয়েছেন। ভারতীয় সমাজ এবং অভিনয় জগতের এ এক অপূরণীয় ক্ষতি।’
প্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতার অনবদ্য অভিনয়শৈলী স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘ওঁর নিজস্ব একটা ধরন ও স্টাইল ছিল, যা আমরা গৌতম হালদার কিংবা সুপ্রিয় দত্তের মতো গুণী অভিনেতাদের কাজের মধ্যেও খুঁজে পেয়েছি। আমরা যখন অভিনয় শিখতাম এবং নানান ওয়ার্কশপে অংশ নিতাম, তখন নানা পাটেকরজিকে নিয়ে আলোচনা হতো।’