নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বৈধভাবে ভারতে আসা বাংলাদেশিদের উপর নজরদারি নিয়ে উঠছে প্রশ্ন। অভিযোগ, পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে আসা বহু বাংলাদেশি সময় মতো ফিরছেন না নিজের দেশে। ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও তাঁরা এখানে ঘাঁটি গেড়ে থাকছেন বলে অভিযোগ। ছ’দিন আগে ফাঁসিদেওয়ায় বিয়ের আসর থেকে বাংলাদেশি যুবককে পুলিস গ্রেপ্তার করার পর এমন তথ্য পেয়েছে গোয়েন্দারা। তাদের আশঙ্কা, অসৎ উদ্দেশ্যে গা ঢাকা দিচ্ছেন অনেক বাংলাদেশি। যাদের হদিশ মিলছে না।
Advertisement
শিলিগুড়ির এক ডেপুটি পুলিস কমিশনার অবশ্য বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে পুলিস সতর্ক রয়েছে। গত দু’সপ্তাহের মধ্যে অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কিন্তু পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে আসা বাংলাদেশিরা নির্দিষ্ট সময়ে নিজের দেশে ফিরছে কি না সেটা বলা সম্ভব নয়। এ বিষয়ে ইমিগ্রেশন চেকপোস্ট বা দূতাবাস থেকে তথ্য পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হয়। দার্জিলিং জেলা পুলিসের গোয়েন্দা শাখার এক অফিসার জানান, জেলায় আসা বাংলাদেশিদের উপর নজর রয়েছে।
পুলিস অফিসাররা যাই বলুন না কেন বাস্তব ঘটনা কিন্তু অন্যরকম ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি ফাঁসিদেওয়ার চিকনমাটি পেটকি গ্রামে বিয়ের আসর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বাংলাদেশি পাত্রকে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উনিশ বছর বয়সি ধৃতের নাম উজ্জ্বল বর্মন। বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ি। গত ৯ সেপ্টেম্বর সে পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে এখানে আসে। গত ২৬ নভেম্বর ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও সে নিজের দেশে ফেরেনি। নিয়ম অনুসারে সে পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। অবৈধভাবে সে এখানে প্রায় আড়াই মাস ধরে বসবাস করে। গ্রামের একাংশের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর শিলিগুড়ি। এখানে চিকিৎসা, পড়াশোনা ও ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য প্রচুর বাংলাদেশি আসেন। এছাড়া দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে প্রচুর দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সেগুলির টানেও আসেন প্রচুর বাংলাদেশি। পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে আসা ওই বাংলাদেশিদের উপর নজরদারি চালানোর দায়িত্ব শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং দার্জিলিং জেলা পুলিসের ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চের। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলি সেভাবে নজরদারি চালাচ্ছে না।
গতবছর শিলিগুড়ি সহ দার্জিলিং জেলায় প্রচুর বিদেশি নাগরিক এসেছেন। একটি গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে এখানে এসেছেন ৩ হাজার ১৯০ জন বিদেশি নাগরিক। যারমধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা সর্বাধিক, ২০৬৫ জন। এদের কেউ চিকিৎসা, কেউ ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে এসেছেন। এরবাইরে অস্ট্রিয়ার ২৭৫, ব্রিটেনের ১৬০, অস্ট্রেলিয়ার ৯২ জন এসেছেন। কিন্তু ওই বাংলাদেশি সহ বিদেশি নাগরিকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের দেশে ফিরেছেন কি না তা পুলিস ও প্রশাসন স্পষ্ট করে জানাতে পারছে না।
ফুলবাড়ি ইমিগ্রেশন চেক পোস্টের এক পুলিস অফিসার জানান, এদেশে কতজন বাংলাদেশি বৈধভাবে এসেছেন তা বলা সম্ভব। কিন্তু কতজন বাংলাদেশি ফিরেছেন, তা বলা সম্ভব নয়। এনিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একাংশের বক্তব্য, পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের একাংশ এপারে এসে গা ঢাকা দিয়েছে বলে খবর। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর চলছে।
পুলিস অফিসাররা যাই বলুন না কেন বাস্তব ঘটনা কিন্তু অন্যরকম ইঙ্গিত দিচ্ছে। গত ৭ ফেব্রুয়ারি ফাঁসিদেওয়ার চিকনমাটি পেটকি গ্রামে বিয়ের আসর থেকে গ্রেপ্তার করা হয় বাংলাদেশি পাত্রকে। পুলিস ও স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, উনিশ বছর বয়সি ধৃতের নাম উজ্জ্বল বর্মন। বাংলাদেশের ঠাকুরগাঁওয়ে বাড়ি। গত ৯ সেপ্টেম্বর সে পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে এখানে আসে। গত ২৬ নভেম্বর ভিসার মেয়াদ উত্তীর্ণ হলেও সে নিজের দেশে ফেরেনি। নিয়ম অনুসারে সে পুলিসের গোয়েন্দা বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগও করেনি। অবৈধভাবে সে এখানে প্রায় আড়াই মাস ধরে বসবাস করে। গ্রামের একাংশের সহযোগিতায় অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর শিলিগুড়ি। এখানে চিকিৎসা, পড়াশোনা ও ব্যবসা বাণিজ্যের জন্য প্রচুর বাংলাদেশি আসেন। এছাড়া দার্জিলিং ও কালিম্পং পাহাড়ে প্রচুর দর্শনীয় স্থান রয়েছে। সেগুলির টানেও আসেন প্রচুর বাংলাদেশি। পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে আসা ওই বাংলাদেশিদের উপর নজরদারি চালানোর দায়িত্ব শিলিগুড়ি পুলিস কমিশনারেটের স্পেশাল ব্রাঞ্চ এবং দার্জিলিং জেলা পুলিসের ইনটেলিজেন্স ব্রাঞ্চের। স্থানীয়দের অভিযোগ, বিষয়টি নিয়ে পুলিসের সংশ্লিষ্ট শাখাগুলি সেভাবে নজরদারি চালাচ্ছে না।
গতবছর শিলিগুড়ি সহ দার্জিলিং জেলায় প্রচুর বিদেশি নাগরিক এসেছেন। একটি গোয়েন্দা সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালে এখানে এসেছেন ৩ হাজার ১৯০ জন বিদেশি নাগরিক। যারমধ্যে বাংলাদেশির সংখ্যা সর্বাধিক, ২০৬৫ জন। এদের কেউ চিকিৎসা, কেউ ট্যুরিস্ট ভিসা নিয়ে এসেছেন। এরবাইরে অস্ট্রিয়ার ২৭৫, ব্রিটেনের ১৬০, অস্ট্রেলিয়ার ৯২ জন এসেছেন। কিন্তু ওই বাংলাদেশি সহ বিদেশি নাগরিকরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিজেদের দেশে ফিরেছেন কি না তা পুলিস ও প্রশাসন স্পষ্ট করে জানাতে পারছে না।
ফুলবাড়ি ইমিগ্রেশন চেক পোস্টের এক পুলিস অফিসার জানান, এদেশে কতজন বাংলাদেশি বৈধভাবে এসেছেন তা বলা সম্ভব। কিন্তু কতজন বাংলাদেশি ফিরেছেন, তা বলা সম্ভব নয়। এনিয়ে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের একাংশের বক্তব্য, পাসপোর্ট ও ভিসা নিয়ে বাংলাদেশিদের একাংশ এপারে এসে গা ঢাকা দিয়েছে বলে খবর। বিষয়টি নিয়ে খোঁজখবর চলছে।



