Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

হবিবপুর ব্লকে চিকুনগুনিয়া রুখতে ‘ড্রাই ডে’ অভিযান শুরু প্রশাসনের

হবিবপুর ব্লকে চিকুনগুনিয়া রুখতে ‘ড্রাই ডে’ অভিযান শুরু প্রশাসনের
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, মালদহ: চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে মালদহ জেলাজুড়ে ‘ড্রাই ডে’ অভিযান শুরু প্রশাসনের। বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে জেলার হবিবপুর ব্লকে। তবে চিকুনগুনিয়া থেকে কিছুটা স্বস্তি মিললেও চিন্তা বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু। 
Advertisement
যদিও মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিঙ্ঘানিয়ার দাবি, ডেঙ্গুর পাশাপাশি চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সবধরনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। নতুন করে যাতে আর কেউ চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত না হয়, সেটা দেখা হচ্ছে। স্বাস্থ্যকর্মীরা নিরলস কাজ করে যাচ্ছেন মশাবাহিত রোগ রুখতে। 
মালদহ জেলার হবিবপুর ব্লকের শ্রীরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের কলাইবাড়িতে ইতিমধ্যে স্বাস্থ্যশিবির করা হয়েছে। একই সঙ্গে শ্রীরামপুর ও তার পাশের গ্রাম পঞ্চায়েতে ঋষিপুরে জেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য দপ্তরের যৌথ উদ্যোগে ড্রাই ডে অভিযান চালানো হয়েছে। 
বাড়ির ভিতর খোলা পাত্র, ডাব, ফুলের ভাঙা টব ইত্যাদির মধ্যে জল জমে থাকে। সেখানে জমা পরিষ্কার জলেই ডেঙ্গু এবং চিকুনগুনিয়া রোগ বহনকারী এডিস মশার লার্ভা জন্মায়। তাই ড্রাই ডে অভিযানের মাধ্যমে বাড়ি বাড়ি গিয়ে মানুষ সচেতন করা হচ্ছে। জল যাতে কোনওভাবেই না জমে, সেদিকে বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হবিবপুরের পাশাপাশি অন্য ব্লকের বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকাতেও ড্রাই ডে অভিযান চালানো হবে। সেই সঙ্গে এলাকা পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন করা হবে। ব্লিচিং পাউডার ছড়ানোর পাশাপাশি মশা মারার তেল স্প্রে করা হবে।
ব্লক এবং গ্রাম পঞ্চায়েতের পাশাপাশি পুরসভা এলাকাগুলিতেও ড্রাই ডে অভিযান চালাবে জেলা প্রশাসন ও জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর। মালদহ জেলার মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক সুদীপ্ত ভাদুড়ী বলেন, জেলায় চিকুনগুনিয়া আপাতত নিয়ন্ত্রণে আছে। 
স্বাস্থ্যদপ্তরের রিপোর্ট বলছে, মালদহ জেলায় বিশেষ করে হবিবপুর ব্লকে এই মুহূর্তে মোট ১৬ জন চিকুনগুনিয়ায় আক্রান্ত। গত কয়েক দিনের তুলনায় আক্রান্তের সংখ্যা কিছুটা কমে গিয়েছে। 
এদিকে ডেঙ্গুকে এখনও পুরোপুরি কাবু করা যায়নি। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান বলছে, চলতি সপ্তাহে জেলায় মোট ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ হাজার ৭০৫ জন। যার মধ্যে রতুয়া ২ ব্লকে আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি, ৩১৪ জন। রতুয়া ১ ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ২৬৩ জন। ইংলিশবাজার ব্লকে ২০৫ জন। কালিয়াচকে তিনটি ব্লকের মধ্যে ৩-এও ডেঙ্গু আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। সেখানে ১৮০ জন আক্রান্ত হয়েছেন। কালিয়াচক ১ ও ২ ব্লকে যথাক্রমে ১৫০ ও ১৪১ জন।
সম্পর্কিত সংবাদ