Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / সম্পাদকীয়

দেশের মধ্যে দ্বেষ

দলিত পরিবারের সন্তান অনিকেত জাটভ। দলিত হয়েও কেক কেটে জন্মদিন পালন করার, সোশ্যাল মিডিয়ার স্টেটাসে সেই ছবি শেয়ার করার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন।

দেশের মধ্যে দ্বেষ
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সুদীপ্ত রায়চৌধুরী: দলিত পরিবারের সন্তান অনিকেত জাটভ। দলিত হয়েও কেক কেটে জন্মদিন পালন করার, সোশ্যাল মিডিয়ার স্টেটাসে সেই ছবি শেয়ার করার দুঃসাহস দেখিয়েছিলেন। গত ১৫ অক্টোবর জন্মদিন ছিল অনিকেতের। ওই রাতে বাড়ির কাছেই একটি জমিতে জন্মদিনের কেক কাটছিলেন তিনি। অভিযোগ, সেই সময়েই লোহার রড এবং হকি স্টিক নিয়ে অনিকেতের উপর হামলা করে একদল ‘উচ্চবর্ণের’ যুবক। নৃশংস মারের সঙ্গে প্রশ্ন ছুড়ে দেয়, ‘তেরা অওকাত কেয়া হ্যায়?’ ওই সময় তাঁর সঙ্গে ছিলেন এক আত্মীয় সুমিত। রেহাই পাননি তিনিও। যদিও আক্রমণকারীদের প্রধান লক্ষ্য ছিল অনিকেত। মারধরের পর আধমরা, রক্তাক্ত অনিকেত ও সুমিতকে ঝোপের ধারে ফেলে রেখে যায় উচ্চবর্ণের লাঠিয়ালরা। পরে তাঁদের হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সুমিত বেঁচে গেলেও আর ফেরা হল না অনিকেতের। দলিত পরিবারের সন্তান হয়ে কেক কেটে জন্মদিন পালনের অপরাধে খুন হলেন অনিকেত। বিকশিত ভারতে, ‘জাতঙ্কবাদী’দের হাতে।

Advertisement

অনিকেতের ঘটনাটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়—এটাই ভারতের এক গোপন, কিন্তু নির্মম সত্য। কাগজের পাতায়, জেলার হাজারো খবরের ভিড়ে লুকিয়ে থাকে এরকম অসংখ্য ঘটনা। একবার ফিরে তাকালেই দেখা যাবে গত কয়েক বছরে বিভিন্ন সময়ে আমরা এরকম কতশত খবর দেখেছি। ‘দলিত যুবককে ঘোড়ায় চড়ার কারণে মারধর’, ‘দলিত বরের ডিজে বাজানোয় বাধা’, ‘স্কুলে দলিত ছাত্রের জন্য আলাদা থালা’, ‘কুয়ো থেকে জল তুলতেই মারধর’... এরকম নানান হেডিং আমরা দেখি। কখনও পড়ি। কখনও পাশ কাটিয়ে চলে যাই বড়মাপের কোনও চটকদার খবরের টানে। এক মুহূর্ত হয়তো ভাবি (বা ভাবি না), তারপর ভুলে যাই। অবচেতনে আমাদের মধ্যে জন্ম নেয় একটা ধারণা—দলিত ঘরে জন্মালে স্বপ্ন দেখাটাও অপরাধ।
ভারতের স্বাধীনতার বয়স ৭৮ পেরিয়েছে। সংবিধান রচনার সময় ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর বলেছিলেন, শুধুমাত্র রাজনৈতিক স্বাধীনতা যথেষ্ট নয়। সামাজিক ও অর্থনৈতিক সমতা অর্জিত না হলে স্বাধীনতা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। তিনি বুঝতে পেরেছিলেন, কাগজে অধিকার লেখাটাই যথেষ্ট নয়, সমাজের মানসিকতা না বদলালে দলিতদের অবস্থান বদলাবে না। আম্বেদকর ঠিকই বুঝেছিলেন। কারণ এত বছর পরেও কতটা পরিবর্তন এসেছে, তার উত্তর খুঁজতে গ্রাম-শহরের দিকে তাকালেই দেখা যাবে, সংবিধানের পাতায় সমতার কথা লেখা থাকলেও বাস্তবে সমাজে দলিতদের জন্য রয়ে গিয়েছে বৈষম্যের অজস্র দেওয়াল। নাম, বাড়ি, পোশাক, খাবার, পানীয় জল, মন্দিরে প্রবেশ, স্কুলে বসার জায়গা—এসবই দলিতদের জন্য আজও অনেক জায়গায় ‘বিনা অনুমতিতে স্বাধীনতা ভোগ’ করার শামিল। একের পর এক ঘটনা ঘটে—দু’মাস, দু’বছর বা ২০ বছর আগে। কখনও কখনও তারও আগে। শুধু তারিখ আর স্থান বদলায়, উচ্চবর্ণের আধিপত্য, দমন, অপমান এবং প্রশাসনের নীরবতা একই থাকে। বদলায় না ক্ষমতার কাঠামোও। দলিতদের উপর এই ধরনের নির্যাতন কোনও একটি নির্দিষ্ট অঞ্চলের সমস্যা নয়। উত্তর, দক্ষিণ, পূর্ব, পশ্চিম—দেশের সব প্রান্তেই তার ছাপ আছে।
ভারত বিশ্বের সবচেয়ে বড় গণতন্ত্র। কিন্তু দলিতদের বেলায় মাঝে মাঝে মনে হয়—গণতন্ত্র শুধু ভোট দেওয়ার অনুমতি দিতে পারে, কিন্তু মর্যাদা দিতে পারে না। তবে ভোটটাও তো কম গুরুত্বপূর্ণ নয়! সরকার গঠন বা সরকার পালটে ফেলার চাবিকাঠি তো লুকিয়ে রয়েছে এই ভোটারদের হাতেই। সে দলিত হোন বা যাই হোন না কেন, তাঁদের ভোটের দামও তো উচ্চবর্ণের ভোটারদের সমান। সেকথা বিলক্ষণ জানেন রাজনৈতিক নেতারাও। আর সেই কারণেই ভোট এলে এই দলিত-প্রান্তিক মানুষদের কথা মনে পড়ে শাসক-বিরোধী সমস্ত রাজনৈতিক দলের। মনে পড়ে তাদের পাশে থাকার কথা। তাদের উন্নয়নের কথা। সমাজের মূল স্রোতে আর পাঁচজনের মতো তাদেরও যে স্বাভাবিকভাবে বাঁচার অধিকার আছে, সেই অধিকারের কথা। বিহারে ভোট এসে পড়েছে। রং-বেরঙের পোস্টার, প্রতিশ্রুতির বন্যা, রোড-শো—সব মিলিয়ে উৎসবের আমেজ। দলিত, পিছরে বর্গের ভোটারদের মন জয় ঝাঁপিয়ে পড়েছে এনডিএ, মহাগটবন্ধন—সব পক্ষই। বছর ঘুরলেই বাংলায় নির্বাচন। গতবারের মতো আবারও দিল্লি থেকে বড় বড় নেতারা আসবেন বঙ্গে। কোনও পাড়া-গাঁয় প্রচারে গিয়ে আগে থেকে বেছে রাখা দলিত পরিবারের বাড়িতে খাওয়া-দাওয়া করবেন। পরিবারের সদস্যদের নিজেরই ‘ভাই-বোন’ বলে জড়িয়ে ধরবেন। ক্যামেরার ফ্ল্যাশে এই নেতাবাবুদের ‘মানবিক’ রূপ ক্রমেই উজ্জ্বল থেকে উজ্জ্বলতর হয়ে ওঠে। ভাইরাল হয় খাওয়াদাওয়ার সেই সব রিলস। দলীয় সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে—‘আমরা দলিতদের পাশে আছি’ বার্তা। কিন্তু সেই আলোকোজ্জ্বল সময়ে কি ওই বাড়ির মানুষজন বা বাচ্চাদের মুখগুলি একবারও খেয়াল করেছেন? বোধহয় না। করলে দেখতেন, তাঁরা ঠিক কতটা আড়ষ্ট। বাড়ির বারান্দায় এত মানুষ, এত মিডিয়া, ক্যামেরা, ফ্ল্যাশের ঝলকানি...কখনও দেখেননি এঁরা। আর থালা-বাটিতে রাখা খাবার? সে তো অনেকটা ভূতের রাজার আশীর্বাদের মতো।
অবশ্য এই সবই ওই ভোটের জন্য। ভারতের রাজনৈতিক সংস্কৃতিতে এ এক চিরপরিচিত স্ক্রিপ্ট। ভোটপর্বের ‘মরশুমি ভালোবাসা’। নির্বাচনের সময় দলিত দরজায় কড়া নাড়া আর ভোট মিটলেই সেই দরজা বন্ধ করে দেওয়া। পরের ভোট পর্যন্ত তাঁদের অস্তিত্ব ভুলে থাকা। বছরের পর বছর এই একই দৃশ্য দেখতে দেখতে মনে প্রশ্ন জাগে, রাজনৈতিক ভালোবাসা ‘মরশুমি’ থেকে কবে ‘প্রাতিষ্ঠানিক’ হয়ে উঠবে? কবে শাসক ও বিরোধী—উভয়পক্ষ পরস্পরকে দোষারোপের বদলে প্রকৃত উন্নয়ন নিয়ে ভাববে! না হলে রাজা আসবে, রাজা যাবে, জামাকাপড়ের রং বদলাবে—কিন্তু দলিতদের দিন বদলাবে না।
এর জন্য শুধু রাজনৈতিক নেতাদের দিকে আঙুল তুলে অবশ্য লাভ নেই। ওঁদের দিকে আঙুল তুললে একটা আঙুল তুলতে হবে নিজেদের দিকেও। দোষ তো আমাদেরও কম নয়। কখনও শুধুমাত্র দলিত হওয়ার কারণে একজনের পেশাগত যোগ্যতা নিয়ে সন্দেহ করা হয়। পদবি দেখে তারপর সেই ডাক্তারের কাছে যাওয়া হবে কি না, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। উঠে আসে কোটার ন্যারেটিভ। কখনও আবার কর্মক্ষেত্রে দলিত পরিচয় জানাজানি হলে সহকর্মীর আচরণ বদলে যায়। পদবি দলিত শুনলে অনেক ফ্ল্যাটমালিক ভাড়া দিতে চান না। মুখের উপরে বলে দেন, ‘আমরা সব ধরনের ভাড়াটেদের ঘর দিই না।’ আসল কথা হল, এই সামাজিক বিভাজনটারই কোনও ভিত্তি নেই। এর ফলে কী লাভ হয়েছে, দেবা না জানন্তি। তবে একটা কথা বলাই যায়, নিউটনের তৃতীয় সূত্র কিন্তু জীবনের প্রতি ক্ষেত্রেও ভীষণভাবে সত্যি। প্রত্যেক ক্রিয়ার একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। ঘৃণা ও বিদ্বেষ থেকে জন্ম নেয় আরও ঘৃণা ও আরও বিদ্বেষ।
এই পর্যন্ত পড়ে হাঁপিয়ে উঠলেন? আর একটু ধৈর্য ধরুন। ড. আম্বেদকরের স্বপ্ন ছিল—শিক্ষাই হবে মুক্তির পথ। কিন্তু বাস্তবের ক্লাসরুমে আজও কোথাও কোথাও দলিত ছাত্রদের আলাদা বসানো হয়। মিড-ডে মিল দেওয়া হয় আলাদা থালায়। এ যেন অস্পৃশ্যতার একটা আধুনিক রূপ। যে স্কুল ভবিষ্যতের নাগরিক গড়ে তোলে, সেই স্কুলই যদি বৈষম্যের পাঠ দেয়—তবে সমাজে পরিবর্তন কোথা থেকে আসবে? শুধু স্কুল নয়, বৈষম্য রয়েছে উচ্চশিক্ষাতেও। এবং ভীষণ সূক্ষ্মভাবে। তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ—রোহিত ভেমুলা। বছর সাতাশের রোহিত বিজ্ঞানের শাখায় গবেষণা করতেন দেশের অন্যতম নামজাদা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হায়দরাবাদ বিশ্ববিদ্যালয়ে। লক্ষ্য ছিল, শুধু পিএইচডি ডিগ্রি নয়, বিজ্ঞানমনস্কতা দিয়ে এই দুনিয়াটা কিছুটা পালটে দেওয়া। কিন্তু তার আগেই দিনবদলের আকাঙ্ক্ষার মাশুল দিতে হয় রোহিতকে। আত্মহত্যার আগে চিঠিতে রোহিত লিখেছিলেন, ‘একজন মানুষের মূল্য এখন গিয়ে ঠেকেছে তাঁর পারিবারিক পরিচয়ে, ভোটে, একটা নম্বরে, একটা বস্তুতে। কাউকে তাঁর মন দিয়ে বিচার করা হয় না।’ আর একটা ঘটনার কথা না উল্লেখ করলেই নয়। গত ৭ অক্টোবর চণ্ডীগড়ের বাড়ি থেকে উদ্ধার হয় আইপিএস অফিসার ওয়াই পূরণের দেহ। মাথায় সার্ভিস রিভলভার ঠেকিয়ে ট্রিগারে চাপ দিয়েছিলেন হরিয়ানা পুলিশের এই এডিজি। ‘আত্মঘাতী’ পুলিশ আধিকারিকের ঘর থেকে উদ্ধার হয় আট পাতার চিঠি। সেই সুইসাইড নোটে ১০ জন পুলিশকর্তার নাম রয়েছে। চিঠিতে লেখা, ‘নিচু জাত’ বলে কর্মক্ষেত্রে ক্রমাগত মানসিকভাবে অত্যাচারিত হয়েছেন তিনি। নিজের ডিপার্টমেন্টেও ‘অচ্ছুত’ করে রাখা হতো তাঁকে। একজন আইপিএস অফিসারের এই অবস্থা হলে, সাধারণ দলিতদের কথা সহজেই অনুমেয়। নিজেদের দক্ষতা, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও রোহিত ভেমুলা বা ওয়াই পূরণের মৃত্যু বুঝিয়ে দেয়, সমস্যার শিকড় কতটা গভীরে। জাতীয় অপরাধ নথি ব্যুরোর রিপোর্ট অনুযায়ী, দলিতদের বিরুদ্ধে অপরাধের নথিভুক্তিকরণের সংখ্যা বিগত কয়েক বছরে কমেনি, বরং বৃদ্ধি পেয়েছে। সামাজিক ন্যায়বিচার মন্ত্রকের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২২ সালে সারা দেশে তপশিলি জাতিভুক্ত মানুষের উপর হামলা-নিগ্রহের মোট ৫২ হাজার ৮৬৬টি ঘটনা পুলিশে নথিভুক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধুমাত্র বিজেপি শাসিত রাজ্য উত্তরপ্রদেশেই এমন নথিভুক্ত ঘটনার সংখ্যা ১২ হাজার ২৮৭। বহু বিশেষজ্ঞের মতে, সরকারি রিপোর্টে যে সংখ্যাটি প্রকাশ্যে আসে, কমপক্ষে তার তিনগুণ ঘটনা নথিভুক্তই হয় না। কখনও ভয়ে, কখনও সামাজিক চাপে, কখনও আবার পুলিশ অভিযোগ নিতে অস্বীকার করায়।
ভারত আজ বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র। বিশ্বের চতুর্থ বৃহত্তম অর্থনীতি। মহাকাশ গবেষণা অভিযানে একের পর এক সাফল্য দেশের মুকুটে পালক জুড়ে চলেছে। এগুলি সবই সত্যি। একইসঙ্গে, জাতপ্রথা যে এখনও ভারতে ঘটে চলা সর্বাধিক ‘স্বাভাবিক অন্যায়’, সেটাও সত্যি। তাই কোনও একটি নির্দিষ্ট ঘটনার সমাধান করলে বা ভোটের মরশুমে কিছু শুকনো প্রতিশ্রুতি দিলেই পরিবর্তন আসবে না। শুধুমাত্র দলিত রাষ্ট্রপতি নিয়োগ, আম্বেদকরের মূর্তি নির্মাণ, ভোটপ্রচারে গিয়ে দলিত বাড়িতে দুপুরের খাওয়া খেলেই ‘দলিত বিকাশ’ হবে না। আসলে দিন তখনই বদলাবে, যখন আমরা এই সমস্যাগুলিকে শুধুমাত্র ‘দলিতদের সমস্যা’ বলে দাগিয়ে না দিয়ে ‘সামাজিক সমস্যা’ বলে মেনে নিতে পারব। কাস্ট-ভিত্তিক বুলিকে আর ‘মজা’ বলে উড়িয়ে দিলে চলবে না। স্কুল থেকেই জিরো-টলারেন্স পলিসি নিতে হবে। প্রতিটি রাজ্যে অত্যাচার-সংক্রান্ত মামলার বার্ষিক শ্বেতপত্র প্রকাশ বাধ্যতামূলক করা উচিত। দলিতদের বিরুদ্ধে ঘটে যাওয়া অপরাধে ক’টা এফআইআর, ক’টা চার্জশিট, কতজন দোষী সাব্যস্ত হল—এসব জনসমক্ষে না আসলে দায়বদ্ধতা আসে না। কারণ আইন যদি সুরক্ষা দিতে না পারে, তাহলে সন্ত্রাস স্বাভাবিক হয়ে যায়। এগুলি বাস্তবে কার্যকরী হলে তবেই হবে সত্যিকারের ‘দলিত বিকাশ’।
শেষ পর্বে একটা কথা মনে করিয়ে দেওয়া ভালো। বেশ কিছু বছর আগের কথা। বেশ কয়েকটি সংবাদ মাধ্যম একটি অনলাইন সমীক্ষা করেছিল। প্রশ্ন ছিল, মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর পরে সর্বশ্রেষ্ঠ ভারতীয় কে? সেই ভোটাভুটিতে জিতেছিলেন ড. ভীমরাও রামজি আম্বেদকর! আর দলিত হওয়ার অপরাধে নিহত অনিকেতের বাড়িও ছিল গৌতম বুদ্ধ নগরের আম্বেদকর মহল্লাতেই। কী আশ্চর্য সমাপতন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ