Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক সরিয়ে ছন্দে ফিরছে হস্তশিল্প মেলা

অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক সরিয়ে ছন্দে ফিরছে  হস্তশিল্প মেলা
  • ৭ মার্চ, ২০২৫ ০৯:০৩
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে রেখে ফের ছন্দে ফিরছে রাজ্য হস্তশিল্প মেলা। বুধবার দুপুরের ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ভস্মীভূত হয় ছ’টি খাবারের স্টল। পুড়ে গিয়েছে বেশ কয়েকজন হস্তশিল্পীর তৈরি সামগ্রী। পুরো অগ্নিকাণ্ড দপ্তরকে টিন দিয়ে ঘিরে দিয়েছে প্রশাসন। বৃহস্পতিবার দুপুর থেকে ক্রেতা বিক্রেতাদের দরদামে মুখরিত হল মেলা চত্বর। আগুন লাগার এক ঘণ্টা পর দমকল এসেছিল। এই অভিযোগেই সরব হয়েছিলেন শিল্পীরা। এদিন সর্বক্ষণ দমকলের একটি ইঞ্জিনকে মেলা চত্বরে থাকতে দেখা যায়। রাখা ছিল অ্যাম্বুলেন্সও। অন্যদিকে ক্রমশ স্পষ্ট হচ্ছে মেলা চত্বরে রান্না করার জন্যই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনা থেকে শিক্ষা নিয়ে মেলার স্টলের অদূরেই রাস্তা করতে দেখা গিয়েছে শিল্পীদের একাংশকে। এমনকী সেখানে মদের বোতল পড়ে থাকতে ও সিগারেট খেতেও দেখা গিয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখার আশ্বাস দেন আধিকারিকরা। অন্যদিকে অগ্নিকাণ্ডের জেরে যাতে শিল্পীরা ক্ষতিপূরণ পান, সে বিষয়েও তৎপর হয়েছে প্রশাসন। এমএসএমই দপ্তরের আধিকারিকরাও বৃহস্পতিবার এসে পুরো এলাকা পরিদর্শন করেন। 

Advertisement

পশ্চিম বর্ধমান জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেন্টারের জেনারেল ম্যানেজার প্রবীর মহান্তি বলেন, শিল্পীরা যাতে ক্ষতিপূরণ পান, তাঁর সব রকম ব্যবস্থা করা হচ্ছে। বিমা সংস্থার পাশাপাশি দপ্তরের আধিকারিকদের এলাকা পরিদর্শন করেছেন। মেলার ভেতরে কোন ভাবেই রান্না করা, ধূমপান করা যাবে না। দুর্ঘটনার পরও আমরা সকলকে সর্তক করেছি। তারপরই কেউ এই ধরনের ঘটনা ঘটালে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। 
বৃহস্পতিবার দুপুরে মেলার অফিসের সামনেই শুকনো মুখে দাঁড়িয়ে ছিলেন শিখা ঘোষাল। বুধবর অগ্নিকাণ্ডের পর তাঁর কান্নায় ভেঙে পড়ার ঘটনা ভাইরাল হয়। তিনি বলেন, জীবন থেমে থাকবে না। সবই নতুন করে ব্যবসা শুরু করেছে। ক্ষতিপূরণ না পেলে আমি নতুন করে কিছুই করতে পারব না।’ সত্যিই অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ককে দূরে সরিয়ে রেখে বাকি শিল্পীরা অনেকটাই ছন্দে ফিরেছেন। টিনের শেডে ঢাকা পড়েছে দুর্ঘটনার ভয়ঙ্কর চিত্র। বাকি অংশেই শুরু হয়েছে কেনাকাটা। শিল্পীদের দাবি, বুধবার সন্ধ্যা থেকেই মেলার বেশিরভাগ অংশ স্বাভাবিক রূপে ফিরেছিল। তারই মধ্যে কর্মীদের উৎসাহিত করতে কলকাতা থেকে হাজির হন এমএসএমই দপ্তরের রাজ্য এক্সপোর্ট প্রমোশন সোস্যাইটির অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি কে ডি বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি শিল্পীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি দুর্ঘটনা নিয়েও খোঁজ খবর নেন।  শিলিগুড়ির শিল্পী বিপ্লব দাস, কলকাতার শিল্পী রাজেন্দ্র সিং বলেন, বুধবার সন্ধ্যা থেকেই মেলায় স্বাভাবিক ভিড় দেখা গিয়েছে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ