Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কর্মীর অভাবে ধুঁকছে ঋষিপুর সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র

কর্মীর অভাবে ধুঁকছে ঋষিপুর সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র
  • ১৭ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, হবিবপুর: পর্যাপ্ত কর্মীর অভাবে ধুঁকছে ঋষিপুর সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র। বাসিন্দারা জানান, প্রায় ২০ বছর আগে এখানে বেড পরিষেবা চালু ছিল। সেই ব্যবস্থা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে শুধুমাত্র মেডিসিন পরিষেবা পাওয়া যায়। হবিবপুর ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত লাগোয়া তিনটি গ্রাম পঞ্চায়েতের মাঝামাঝি এলাকায় ঋষিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দক্ষিণ চাঁদপুর এলাকায় প্রায় পাঁচ বিঘা জায়গা জুড়ে রয়েছে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রটি। তবে জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে যেতে হয় প্রায় ১২ কিমি দূরের বুলবুলচণ্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে। বাসিন্দাদের দাবি, অবিলম্বে কর্মী নিয়োগ করে এখানে বেড পরিষেবা চালু করা হোক। স্বাস্থ্যকেন্দ্র সূত্রে খবর, অনেকগুলি ঘর রয়েছে। সেগুলি এক সময় চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হতো। প্রত্যেকটি ঘর রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে জরাজীর্ণ। 

Advertisement

অবিলম্বে সেগুলির সংস্কারের প্রয়োজন। একজন হোমিওপ্যাথি ও একজন অ্যালোপ্যাথি ডাক্তার শুধুমাত্র মেডিসিন পরিষেবা দেন। জ্বর, সর্দি, কাশির মতো সমস্যা হলে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে শুধুমাত্র ওষুধ দেওয়া হয়। 
এলাকায় গর্ভবতী বা বয়স্ক রোগীর অবস্থা খারাপ হলে নিয়ে যেতে হয় ১২ কিমি দূরে বুলবুলচণ্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে। নাহলে অন্য উপায় বলতে প্রায় ১৭ কিলোমিটার দূরে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। স্থানীয় বাসিন্দা তপন সিংহের কথায়, প্রায় ২০ বছর আগে আটটি বেড নিয়ে পরিষেবা চালু হয়েছিল। দু’বছর চলার পর বন্ধ হয়ে যায়। গর্ভবতীদের প্রসবের ব্যবস্থাও ছিল এখানে। সময়ের সঙ্গে জনসংখ্যা বাড়লেও পরিষেবা উন্নত হয়নি। অবিলম্বে বেড পরিষেবা চালুর দাবি জানাচ্ছি। হবিবপুরের ব্লক স্বাস্থ্য আধিকারিক বাবর আলী বলেন, বর্তমানে স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আউটডোর পরিষেবা দেওয়া হয়। পর্যাপ্ত ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী ও উন্নত পরিকাঠামোর অভাবে বেডের ব্যবস্থা করা যায়নি। তবে বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে।  ঋষিপুর সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে বেড চালুর দাবি উঠেছে।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ