Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ, জেলায় প্রথম স্থানে হরিণঘাটা

পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা খরচ, জেলায় প্রথম স্থানে হরিণঘাটা
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা উন্নয়ন খাতে খরচের নিরিখে জেলায় ‘ফার্স্ট’ হরিণঘাটা ব্লক। ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে প্রথম দফার টাকা হরিণঘাটা পঞ্চায়েত সমিতি ইতিমধ্যেই ১০০ শতাংশ খরচ করে ফেলেছে ১০০ শতাংশই। এছাড়াও গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির মিলিত অর্থব্যয়েও অন্যতম সেরা তারা। বেশ কয়েক মাস হল ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা পেয়েছে নদীয়া জেলার ১৮টি ব্লক। এরমধ্যে হরিণঘাটা পঞ্চায়েত সমিতি পেয়েছিল ৬১.৮৯ লক্ষ টাকা। শুক্রবার প্রকাশিত জেলার সমস্ত পঞ্চায়েত সমিতির খরচের খতিয়ান বলছে উন্নয়ন খাতে সেই টাকার পুরোটাই ইতিমধ্যে খরচ করে ফেলেছে হরিণঘাটা। ফলে তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে তারা। সবচেয়ে খারাপ অবস্থা নদীয়া উত্তরের কালীগঞ্জ ব্লকের। এখনও ৬০ শতাংশ টাকাই খরচ করে উঠতে পারেনি তারা। আবার গ্রাম পঞ্চায়েত অর্থ ব্যয়ের তালিকায় জেলায় দ্বিতীয়স্থানে রয়েছে হরিণঘাটা। বরাদ্দ অর্থের প্রায় ৯৭ শতাংশ অর্থ ইতিমধ্যেই খরচ করেছে তারা। প্রথম স্থানে রয়েছে করিমপুর ২ ব্লক। একইভাবে গ্রাম পঞ্চায়েত এবং পঞ্চায়েত সমিতির মিলিত অর্থ ব্যয়ের তালিকাতেও দ্বিতীয় হরিণঘাটা ব্লক। প্রায় ৯৮% টাকা খরচ করে ফেলেছে তারা। দুই বিভাগের সম্মিলিত প্রায় ২৮২.১১ লক্ষ টাকার মধ্যে তারা খরচ করেছে ২৭৪.৩৫ লক্ষ টাকা। এই তালিকার সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে জেলার তেহট্ট ১ ব্লক। ৬৮ শতাংশ টাকা খরচ করতে পেরেছে তারা। 

Advertisement

স্বাভাবিকভাবেই এই হিসাব থেকে স্পষ্ট, সমস্ত ক্ষেত্রেই বাকি ১৭টি ব্লকের কাছে রীতিমতো নজির স্থাপন করেছে হরিণঘাটা। শুধুমাত্র উন্নয়ন খাতে টাকা খরচ নয়, হরিণঘাটা ব্লকই জেলার একমাত্র ব্লক যারা সমস্ত পঞ্চায়েতকে সলিড ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের আওতায় আনতে পেরেছে। তৈরি হয়েছে প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট। বর্তমানে জেলাজুড়ে প্লাস্টিক পুনর্ব্যবহারযোগ্য করে রাস্তা তৈরির যে পরিকল্পনা করেছে, সেই কাজও শুরু করেছে হরিণঘাটা। ইতিমধ্যেই প্লাস্টিক ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টে তৈরি হওয়া শুরু হয়ে গিয়েছে রাস্তা তৈরির কাঁচামাল। ফলে উন্নত পরিকাঠামো তৈরির নিরিখেও জেলায় সেরার সেরা দক্ষিণ প্রান্তের ব্লকটিই।
হরিণঘাটার সমষ্টি উন্নয়ন আধিকারিক মহাশ্বেতা বিশ্বাস বলেন, আমরা চেষ্টা করছি, সাধারণ মানুষের কাছে উন্নয়ন দ্রুত পৌঁছে দিতে। কোনও খাতে টাকা বরাদ্দ হলেই আমরা দ্রুত বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সেই টাকা খরচ করতে সক্ষম হচ্ছি। এক্ষেত্রে আমাদের পঞ্চায়েত সমিতি এবং গ্রাম পঞ্চায়েতগুলি অত্যন্ত ভালো উদ্যোগ নিয়ে কাজ করছে। টায়েড এবং আনটায়েড ফান্ডে নাগরিক পরিকাঠামো উন্নয়নের কাজ দ্রুতগতিতে চলছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ