রাজকোট: ৬২ বলে অপরাজিত ৬৬। বিজয় হাজারে ট্রফিতে বিদর্ভের বিরুদ্ধে ৩৮ ওভারের শেষে এটাই ছিল হার্দিক পান্ডিয়ার স্কোর। পরের ছ’বলে রীতিমতো তাণ্ডব ঘটালেন ৩২ বছর বয়সি তারকা। চোখ কপালে ওঠার মতো ব্যাপার হল, নামের পাশে জ্বলজ্বল করছে ১০০ রান। বিদর্ভ স্পিনার পার্থ রেখাডের ওভারে বরোদার অলরাউন্ডারের ব্যাটে এসেছে ৩৪ রান। তারমধ্যে ছক্কার সংখ্যাই পাঁচটি। সঙ্গে একটি চারও ছিল। শেষ পর্যন্ত তাঁর নামের পাশে ৯৩ বলে থাকল মারমার কাটকাট ১৩৩। তাতে শামিল ১১টা ছক্কা ও আটটা চার। উল্লেখ্য, চলতি আসরে শুক্রবারই প্রথম বরোদার হয়ে নেমেছিলেন হার্দিক। সাত নম্বরে তিনি যখন ক্রিজে যান ৭১ রানে পাঁচ উইকেট খুইয়ে ধুঁকছে তাঁর দল। সেখান থেকে হার্দিকের দাপটে ওঠে ২৯৩-৯। অবশ্য তারপরও জিতে মাঠ ছাড়তে পারেনি বরোদা। আমন মোখাডের অপরাজিত ১৫০ রানই গড়ে দেয় বিদর্ভের (২৯৬-১) ৯ উইকেটে জয়ের ভিত।
বিজয় হাজারে ট্রফির অন্য ম্যাচে এদিন শতরান করলেন গুজরাতের অক্ষর প্যাটেল (১১১ বলে ১৩০), কর্ণাটকের দেবদূত পাদিক্কাল (১২০ বলে ১০৮), কেরলের সঞ্জু স্যামসনও (৯৫ বলে ১০১)। ‘লিস্ট এ’ ক্রিকেটে এটাই অক্ষরের প্রথম শতরান। তাঁর দুরন্ত ইনিংসের সুবাদে আলুরে অন্ধ্র প্রদেশকে সাত রানে হারাল গুজরাত। এদিকে, চলতি টুর্নামেন্টে পাঁচ ম্যাচে চতুর্থ শতরান হল পাদিক্কালের। ত্রিপুরার বিরুদ্ধে ৮০ রানে জিতল তাঁর দল কর্ণাটক।
স্যামসনের শতরানও ঝাড়খণ্ডের বিরুদ্ধে আট উইকেটে জেতাল কেরলকে। সঙ্গী ওপেনার রোহন কুন্নুমমালের সঙ্গে প্রথম উইকেটে ২১২ যোগ করেন তিনি। দিল্লির অধিনায়ক ঋষভ পন্থ এদিন সার্ভিসেসের বিরুদ্ধে হাফ-সেঞ্চুরি করলেন। ৩৭ বলে তিনি অপরাজিত থাকেন ৬৭ রানে। পাঞ্জাবের অর্শদীপ সিং সিকিমের বিরুদ্ধে মাত্র ৩৪ রানে নেন পাঁচ উইকেট। চন্ডীগড়ের বিরুদ্ধে হায়দরাবাদের হয়ে শতরান হাঁকালেন তিলক ভার্মা (১০৯)।