নয়াদিল্লি: নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওডিআই সিরিজের জন্য পরের সপ্তাহেই ঘোষিত হবে ভারতীয় দল। তাতে প্রত্যাবর্তন ঘটতে চলেছে অধিনায়ক শুভমান গিল ও সহ-অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ারের। দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ওডিআই সিরিজে ছিলেন না কেউই। তবে এখন দু’জনেই ফিট। পায়ের চোট সারিয়ে বিজয় হাজারে ট্রফিতে খেলবেন গিল। আর বেঙ্গালুরুতে জাতীয় ক্রিকেট অ্যাকাডেমিতে নেট সেশন চলছে শ্রেয়সের। তাঁর দলে ফেরা নিয়ে আশাবাদী ক্রিকেটমহল।
এই দুই তারকা কিউয়িদের বিরুদ্ধে স্কোয়াডে ফিরলে বাদ পড়তে পারেন তিলক ভার্মা ও ধ্রুব জুরেল। তবে বিজয় হাজারে ট্রফিতে ভালো খেলা ঈশান কিষান, দেবদূত পাদিক্কালের সুযোগ পাওয়া কঠিন। কারণ, কিপার হিসেবে লোকেশ রাহুল ও ঋষভ পন্থ থাকছেনই। ফলে ঈশানের জায়গা হচ্ছে না। আর মিডল অর্ডারে ঋতুরাজ গায়কোয়াড়কে টপকে পাদিক্কালের আসা অসম্ভব। তা সে যতই তিনি বিজয় হাজারে ট্রফিতে পরপর দুটো সেঞ্চুরি করুন না কেন।
জাতীয় নির্বাচকরা অবশ্য বিশ্রাম দেবেন হার্দিক পান্ডিয়া ও যশপ্রীত বুমরাহকে। সামনেই টি-২০ বিশ্বকাপ। তাই এই দুই চোটপ্রবণ ক্রিকেটারকে যতটা সম্ভব বিশ্রামে রাখতে চাইছে টিম ম্যানেজমেন্ট। রবীন্দ্র জাদেজাকে অবশ্য আরও একবার সুযোগ দিতে চাইছেন নির্বাচকরা। প্রোটিয়াদের বিরুদ্ধে সিরিজে তিনি একেবারেই দাগ কাটতে পারেননি। সেজন্যই অক্ষর প্যাটেলের নাম ভাসছে। কিন্তু দু’জন বাঁ-হাতি অলরাউন্ডারকে একসঙ্গে রাখা হবে না।
এদিকে, লাল বলের ক্রিকেটে প্রধান কোচের পদে গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে প্রশ্নের আঁচ ক্রমশ বাড়ছে। তাঁর সময়কালে দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও অস্টেলিয়ার বিরুদ্ধে মোট ১০টি টেস্ট হেরেছে ভারত। সাদা বলের ক্রিকেটে কোচ গম্ভীর যতই সফল হোন, পাঁচদিনের ফরম্যাটে ক্রমাগত বিপর্যয় ভাবাচ্ছে বোর্ডকে। এমনিতে, ২০২৭ সালে ওডিআই বিশ্বকাপ পর্যন্ত তাঁর সঙ্গে চুক্তি রয়েছে। কিন্তু এরই মধ্যে টেস্টের জন্য কোচ হিসেবে দায়িত্ব নিতে ভিভিএস লক্ষ্মণকে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বলে শোনা যাচ্ছে। তবে তিনি রাজি হননি। বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্সের প্রধান হিসেবেই খুশি লক্ষ্মণ। টেস্টে গম্ভীরের বিকল্প আর কোনও নাম এই মুহূর্তে বোর্ডের কাছে নেই। তাছাড়া, তাঁর খুঁটির জোরও মারাত্মক। তবে টি-২০ বিশ্বকাপে ভরাডুবি ঘটলে ছবিটা বদলাতেই পারে দ্রুত।