নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: পুরুলিয়া জেলায় রামনবমীর শোভাযাত্রায় এবার ততটা অস্ত্র প্রদর্শন দেখা যায়নি। অবশ্য শনিবার রাতে পুরুলিয়া শহরে হনুমান জয়ন্তীর শোভাযাত্রায় দেখা গেল অস্ত্র প্রদর্শন। সঙ্গে ছিল ডিজে-র কানফাটানো শব্দ। তবে হনুমান জয়ন্তীর শোভাযাত্রায়, মিছিলে সম্প্রীতির ছবি ধরা পড়েছে। ঝালদায় আবার বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রায় পা মিলিয়েছেন বিজেপি, তৃণমূল নেতারাও। পুরুলিয়া শহরের অন্যতম ‘ঐতিহ্য’ হনুমান জয়ন্তীর শোভাযাত্রা। শনিবার সন্ধ্যা থেকেই শোভাযাত্রার জন্য প্রস্তুতি নিতে থাকে আখড়াগুলি। তারপর রাত ১০টা নাগাদ নিজ নিজ এলাকা থেকে শোভাযাত্রা বের হয়। মধ্যরাতে তা এসে পৌঁছয় পুরুলিয়া শহরের ট্যাক্সি স্ট্যান্ডে। এবার রাত যত বেড়েছে, ততই বেড়েছে শোভাযাত্রার জৌলুস। বেড়েছে ডিজের তাণ্ডব। অস্ত্র হাতে দাপাদাপি করতে দেখা গিয়েছে হনুমান ভক্তদের। পুরুলিয়া পুরসভার চেয়ারম্যান নব্যেন্দু মাহালি বলেন, হনুমান জয়ন্তীর শোভাযাত্রা পুরুলিয়া শহরের ঐতিহ্য, পরম্পরা। পুরুলিয়া যখন বিহারের অংশ ছিল, তখন থেকে এই সংস্কৃতি চলে আসছে। দোল পূর্ণিমার দিনে বিভিন্ন হনুমান মন্দিরে লাঠিখেলা শুরু হয়। রামনবমীর দিন প্রত্যেক হনুমান মন্দিরে ঝান্ডা উত্তোলন হয়। সেই ঝান্ডা নিয়েই রামনবমীর এক সপ্তাহ পর শোভাযাত্রা বের হয়। বিভিন্ন আখড়া নিজেদের শোভাযাত্রা বের করে। এবছর মোট ৪৬টি আখড়া শোভাযাত্রায় অংশ নিয়েছে। শোভাযাত্রার অন্যতম আকর্ষণ লাঠিখেলা।



