Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / হেলথ

সামলান কান

ঠাস ঠাস দ্রুম দ্রাম, শুনে লাগে খটকা ফুল ফোটে? তাই বল! আমি ভাবি পটকা!

সামলান কান
  • ১৬ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

পরামর্শে ইএনটি বিশেষজ্ঞ ডাঃ দীপ্তাংশু মুখোপাধ্যায়।

Advertisement

ঠাস ঠাস দ্রুম দ্রাম, শুনে লাগে খটকা ফুল ফোটে? তাই বল! আমি ভাবি পটকা!
উৎসবের মরশুমে ফুল অবশ্য ফোটে। তবে এই আলোর উৎসবে বেড়েছে পটকার দাপটও। শব্দবাজির বাড়াবাড়িতে নাজেহাল কান। হাজার বিধিনিষেধ সত্ত্বেও শব্দবাজির মস্তানি এখনও কমেনি। সামনেই আবার কালীপুজো- দীপাবলি। তাই কান বাঁচাতে এখন থেকেই তৈরি থাকুন। নাহলে বড়সড় বিপদ হতে পারে। হারাতে পারেন শোনার শক্তিও। কীভাবে বুঝবেন কানে সমস্যা দেখা দিয়েছে, কী কী করণীয়, দেখা যাক।
কাছাকাছি চকোলেট বোম বা এই জাতীয় কোনও শব্দবাজি ফাটলে বিকট একটা শব্দ অন্তঃকর্ণে আঘাত করে। কানের পর্দা পর্যন্ত ফেটেও যেতে পারে। তাতে শ্রবণক্ষমতায় ব্যাঘাত ঘটে। শব্দবাজির প্রভাবে কানের শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কানের দম বন্ধ হয়ে যাওয়া, মাথা ঘোরানো, সোঁ সোঁ আওয়াজ এর উপসর্গ। এক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা করাতে হবে। শিরা ক্ষতিগ্রস্ত হলে এই যে সোঁ সোঁ করে একটা অস্বাভাবিক শব্দ তৈরি হয়। চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় টিনাইটাস। এক্ষেত্রে যতটা দ্রুত সম্ভব ইএনটি বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যেতে হবে। তাঁরা স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ দেন। তাতেই অধিকাংশ রোগী সুস্থ হয়ে ওঠেন। একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। শব্দ যত বেশিক্ষণ স্থায়ী হবে, ততই কানের ক্ষতি।
কী করণীয়
যেখানে শব্দবাজি ফাটছে, সেখান থেকে যতটা সম্ভব দূরে থাকতে হবে। নির্দিষ্ট সময় দরজা-জানালা বন্ধ রাখতে হবে। 
বিশেষ করে ওই সময়টার জন্য এক বা দুঘণ্টা ইয়ার প্লাগ ব্যবহার করা যেতে পারে। অঘটন ঘটলে দ্রুত নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে রোগীকে। 
বাড়ির বয়স্ক মানুষজন, ডায়াবেটিক রোগী, হার্টের রোগী, অন্তঃসত্ত্বাদের বিশেষভাবে খেয়াল রাখতে হবে।
লিখেছেন শোভন চন্দ

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ