Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

পাঠভবন ও শিক্ষাসত্রে শিক্ষকদের অর্ধেক পদ শূন্য, দ্রুত পূরণের আশ্বাস উপাচার্যের

পাঠভবন ও শিক্ষাসত্রে শিক্ষকদের অর্ধেক পদ শূন্য, দ্রুত পূরণের আশ্বাস উপাচার্যের
  • ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, বোলপুর: বিশ্বভারতীর ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয় পাঠভবনে বর্তমান শিক্ষকের সংখ্যা মোট সংখ্যার প্রায় অর্ধেক। অতিথি শিক্ষকদের নিয়ে কাজ চালানো হচ্ছে। বিষয়টি জানতে পেরে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রবীরকুমার ঘোষ। বিশ্বভারতীর শিক্ষার হাল ফেরাতে যোগদানের পর থেকে প্রতিটি বিভাগ ও ভবন পরিদর্শন করে সমস্যার কথা জানতে উদ্যোগী হয়েছেন প্রবীরবাবু। তার প্রেক্ষিতে সমস্ত ভবন পরিদর্শন করার পর সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের আর একটি স্কুল শিক্ষাসত্র পরিদর্শন করেন। খতিয়ে দেখেন শিক্ষা ব্যবস্থা। এরপর সোমবার তিনি শান্তিনিকেতনের প্রাণকেন্দ্র পাঠভবন পরিদর্শন করেন। শতাব্দী প্রাচীন দুই বিদ্যালয়ের অধিকাংশ বিষয়ে স্থায়ী শিক্ষক নেই বলে সরাসরি শিক্ষাব্যবস্থায় তার প্রভাব পড়ছে। এই বিষয়টি জানতে পেরে দ্রুত শিক্ষক নিয়োগ করা হবে বলে উপাচার্য জানিয়েছেন। তার এই আশ্বাসে খুশি পাঠভবন ও শিক্ষাসত্র বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। 
বিশ্বভারতীর জন্মলগ্ন থেকেই পাঠভবনে অনন্য পদ্ধতিতে পঠন-পাঠন চালু রয়েছে। বিশ্বভারতী ইউজিসি স্বীকৃত রাজ্য তথা দেশে একমাত্র কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়। যেখানে পাঠভবন ও শিক্ষাসত্রের মত প্রাথমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক স্তরের পঠন-পাঠন রয়েছে। এছাড়া, ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজের আওতায় রয়েছে সমগ্র পাঠভবন ক্যাম্পাস। ফলে, বিশ্বভারতীর কাছে শতাব্দী প্রাচীন বিদ্যালয় দু’টির যথেষ্ট গুরুত্ব ও মর্যাদা রয়েছে। ‌তবে, এই দুই বিদ্যালয়ে শেষবার স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ হয়েছিল ২০১৪ সালে। তারপর থেকে অনেক শিক্ষক অবসর নেওয়ায় সেইসব পদ নতুন করে পূরণ হয়নি। প্রাক্তন বিতর্কিত উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর আমলেও কোনও নিয়োগ না হওয়ায় পাঠভবনে বর্তমানে ৮০টি পদের মধ্যে ৪০টিতেই নেই স্থায়ী শিক্ষক। শিক্ষাসত্রের অবস্থাটাও একই রকম। সোমবার পরিদর্শনকালে পাঠভবনের শিক্ষক, শিক্ষা কর্মী, হস্টেলে নানাবিধ সমস্যার কথা উপাচার্য জানতে পারেন। খুদে পড়ুয়াদের কাছ থেকেও তাদের সমস্যার কথা জানতে চান। সেগুলি জানতে পেরে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অতিগ ঘোষ। তিনি বলেন, পাঠভবন- শিক্ষাসত্র বিশ্বভারতীর অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ। দুর্ভাগ্যজনকভাবে দু’টি বিদ্যালয়েই অধিকাংশ শিক্ষকের পদ শূন্য। উপাচার্য জানিয়েছেন সেগুলি দ্রুত পূরণ করা হবে। 

Advertisement

 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ