এসিএল-টু’য়ে হতাশা বাড়াল হাবাসের দল, ছন্নছাড়া ফুটবলে ড্র করল ইস্ট বেঙ্গল
  • ২৮ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

আল সিব-  ০       :    ইস্ট বেঙ্গল- ০

Advertisement

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: আশা জাগিয়েও এসিএল টু’য়ে হতাশ করল ইস্ট বেঙ্গল। মঙ্গলবার ওমানে আল সিবের বিরুদ্ধে ড্র করে পরের রাউন্ডে যাওয়ার পথ আরও দুর্গম হল লাল-হলুদ ব্রিগেডের। দ্বিতীয়ার্ধে গোলরক্ষক লাচেনপা প্রাচীর হয়ে না দাঁড়ালে এক পয়েন্টও জুটত না। প্রশ্নের মুখে কোচ  হাবাসের স্ট্র্যাটেজি। ইকোনোমিডিস, লুকাসের মতো বিদেশিদের ব্যবহারই করলেন না স্প্যানিশ কোচ। তাহলে তাঁদের বয়ে বেড়ানোর অর্থ কি?
গ্রুপের প্রথম ম্যাচে জর্ডনের আল হুসেইনের বিরুদ্ধে ২-২ গোলে ড্র করেছিল ইস্ট বেঙ্গল। তবে যুবভারতীতে ইরাকের আল শোর্তার কাছে ২-৩ ব্যবধানে পরাস্ত হয় হাবাস ব্রিগেড। এসিএল টু’য়ে পরের রাউন্ডে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে এই ম্যাচ জেতা গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তাই আল সিব স্টেডিয়ামে আক্রমণাত্মক ফর্মেশনেই দল সাজিয়েছিলেন হাবাস। প্রতিপক্ষ গুছিয়ে নেওয়ার আগেই ধাক্কা দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল স্প্যানিশ কোচের। তবে হোমওয়ার্ক করেই মাঠে নেমেছিল আল সিব। ঘরের মাঠে প্রথম সুযোগ পায় তারাই। ৭ মিনিটে আবদুলের বাঁ পায়ের গ্রাউন্ডার লাচেনপার হাতে জমা পড়ে। উইংয়ে বিপিন ও এডমুন্ডকেও স্পেস দেননি হোম টিমের ডিফেন্ডাররা। পাশাপাশি জোনাল মার্কিংয়ে হাসফাঁস করলেন রামিরেজও। ফলে মাঝমাঠে প্রচুর পাস খেললেও গোলমুখে খেই হারাচ্ছিল হাবাস ব্রিগেড। এরইমধ্যে ৩০ মিনিটে লক্ষ্যভেদের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন ডেভিড। বক্সের ভিতর থেকে নেওয়া বাঁ পায়ের আলতো শট বিপক্ষ গোলকিপার রুখে দেন। কঠিন ম্যাচে এই ধরনের সুযোগ বারবার আসে না। সেটা বুঝেই হয়তো হতাশা প্রকাশ করতে দেখা গেল হাবাসকেও। ছটফট করলেও প্রতিপক্ষের বড়ো চেহারার ডিফেন্ডারদের ভিড়ে জায়গা পাচ্ছিলেন না মিজো স্ট্রাইকার।
দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেও সুযোগ পেয়েছিল ইস্ট বেঙ্গল। বিপিনের শট ক্রসবারে প্রতিহত হয়। তবে সময় গড়ানোর সঙ্গে আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে আল সিব। লাচেনপা না থাকলে ম্যাচটা হারতেও পারত ইস্ট বেঙ্গল। সংযোজিত সময়ে আল সিবের হাসানের দূরপাল্লার শট পোস্টে প্রতিহত হয়। পরের মিনিটেই জাহিরের বাঁক খাওয়ানো শট দুরন্ত সেভ করেন লাচেনপা। আসলে এদিন হাবাসের প্ল্যান বি’এর অভাব স্পষ্ট। ৬৫ মিনিটে ডেভিডের জায়গায় একে লোবাকে নামিয়েও লাভ হয়নি। এই ম্যাচে পয়েন্ট খুইয়ে গ্রুপ ডি’তে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইস্ট বেঙ্গল (২ পয়েন্ট)।
ইস্ট বেঙ্গল: লাচেনপা, লালচুংনুঙ্গা (সন্দীপ), জিভুলিচ, আনোয়ার, জয়, জিকসন (রোহিত), রশিদ, রামিরেজ, এডমুন্ড (আসিফ), বিপিন ও ডেভিড (লোবা)।