জ্ঞানু মাস্ট গো, মমতার সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি পোস্ট দিপকের
  • ১ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: শনিবার দিল্লিতে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করলেন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধান অভিজিৎ দিপকে। আজ, রবিবার দিল্লির রামলীলা ময়দানে বিরোধী ‘ইন্ডিয়া’ জোটের মেগা সমাবেশ রয়েছে। এসআইআরে কারচুপি করে ভোট চুরির মতো গুরুতর অভিযোগ ওঠা মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার দাবিতেই বিরোধী জোট এই সমাবেশ আয়োজন করেছে। তাতে যোগ দিতে শনিবার সন্ধ্যাতেই দিল্লি এসে পৌঁছন মমতা এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর রাতেই দিল্লিতে মমতার ১৮৩, সাউথ অ্যাভিনিউয়ের বাড়িতে গিয়ে তাঁর সঙ্গে দেখা করেন দিপকে। 

Advertisement

সিজেপি প্রধান বলেন, ‘আমি মূলত দিদিকে ধন্যবাদ জানাতে এসেছি। যখন আমাদের দিল্লি পুলিশ নিয়ম বিরুদ্ধভাবে গ্রেপ্তার করেছিল, তখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন।’ পাশে দাঁড়িয়ে থাকা মমতা দিপকের পিঠও চাপড়ে দেন। বলেন, ‘এটি আমাদের দায়িত্বের মধ্যে পড়ে।’ মমতা বলেন, ‘দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে তরুণ প্রজন্মকেই। অভিজিৎ দিপকে, সৌরভ, রাঙ্কারা সেই দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। এই লড়াই চলবে।’ পরে দিপকেও নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের ছবি শেয়ার করেন। লেখেন, ‘জ্ঞানু মাস্ট গো।’ অর্থাৎ, জ্ঞানেশ কুমারকে পদত্যাগ করতেই হবে। তাঁর হাতে আর অন্য কোনো বিকল্প নেই। জ্ঞানেশ কুমারের ইস্তফার পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন এবং স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির পদত্যাগের দাবিতে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি। আজ, রবিবার রামলীলা ময়দানের সমাবেশকে সমর্থনও করেছে ককরোচরা। 
তবে সিজেপি নেতৃত্ব আজ, রবিবার সশরীরে রামলীলা ময়দানের সমাবেশে হাজির থাকবেন কি না, তা নিয়ে কিছুটা ধোঁয়াশা রয়েছে। কারণ দিপকে, সৌরভ এবং আশুতোষ এই তিনজনের মাথাতেই রয়েছে ‘পিস বন্ড’ স্বাক্ষর করার খাঁড়া। তবে কোনো বিরোধী সমাবেশে অংশ নিলে সেই ‘শান্তি চুক্তি’ লঙ্ঘন হবে কি না, ককরোচ জনতা পার্টির আইনজীবীরা তা খতিয়ে দেখছেন। সূত্রের খবর, সবকিছু ঠিকঠাক থাকলে আজ, রবিবার রামলীলা ময়দানে বিরোধী জোটের মহা সমাবেশে সিজেপির শীর্ষ নেতারা উপস্থিত থাকতেই পারেন। সেই কারণে দিপকে নিজে দিল্লিতে রয়েছেন। এদিন দিপকে অবশ্য বলেছেন, ‘মোদি সরকার বিরোধী প্রত্যেক দল এবং সংগঠনের রবিবারের কর্মসূচিকে সমর্থন করা উচিত। আমরাও তাই করছি। প্রত্যেকেই এর পাশে দাঁড়িয়েছে।