নয়াদিল্লি: অভিযোগ তুলেছিলেন দুই নির্বাচন কমিশনার। এসআইআরের সময় ‘ফর্ম ৬’-এ বদল আনাকে সরাসরি ‘বেআইনি’ বলে তোপও দেগেছিলেন। তা নিয়েই দেশজুড়ে বিতর্কের ঝড় উঠেছে। মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ইস্তফা দাবিতে ময়দানে নেমে পড়েছে বিরোধীরা, এমনকি ককরোচ জনতা পার্টিও। ঘরে-বাইরে এমন প্রবল চাপের মুখে অবশেষে ব্যাকফুটে জ্ঞানেশ কুমার! ভোটার তালিকায় নাম তোলার ‘ফর্ম ৬’ ফের আগের চেহারায় ফেরানো হল। পশ্চিমবঙ্গ সহ যে ১৩টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে, সেখানে আবার পুরানো ‘ফর্ম ৬’ প্রযোজ্য হচ্ছে। ফলে এই রাজ্যগুলিতে আর নিকটাত্মীয়ের পূর্বের এসআইআর সংক্রান্ত অতিরিক্ত তথ্যের ‘স্বঘোষণা’ দিতে হবে না ভাবী ভোটারদের। তবে যে রাজ্যগুলিতে এসআরআর প্রক্রিয়া শেষ হয়নি, সেখানে ওই ‘সেল্ফ ডিক্লারেশন’ বহাল রাখা হয়েছে। এক সর্বভারতীয় দৈনিকে প্রকাশিত তদন্তমূলক প্রতিবেদনের জেরে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হওয়ায় গত শনিবার বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশনের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ। তারপরই এক বিবৃতিতে জানানো হয়, বিহার এসআইআর সংক্রান্ত রায়ে খোদ সুপ্রিম কোর্টও এই ঘোষণাপত্রটিকে বহাল রেখেছিল। এসআইআর ছাড়া অন্য সময় পুরানো ‘ফর্ম ৬’ বহাল থাকবে। সেই মতোই এবার পদক্ষেপ করল কমিশন। তবে, বিহার ও পশ্চিমবঙ্গ সহ একের পর এক রাজ্যে বহুদিন আগে এসআইআর শেষ হয়েছে। ফলে ‘ফর্ম ৬’ নিয়ে এত দেরিতে কেন ‘ঘুম ভাঙল’ কমিশনের? সেই প্রশ্ন উঠছে।



