নয়াদিল্লি: যুদ্ধের ১২তম দিন। বুধবার হরমুজ প্রণালীতে হামলা চালানো হল গুজরাতগামী থাইল্যান্ডের পণ্যবাহী জাহাজে। মুহূর্তেই জাহাজের একাংশে আগুন লেগে যায়। চারদিকে কালো ধোঁয়ার মধ্যেই তড়িঘড়ি উদ্ধারকাজে নামে ওমানের সেনা। কোনোক্রমে জাহাজে কর্মরত ২০ জনকে বের করে আনা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত ভিতরে আটকে রয়েছেন তিনজন। তাঁদের উদ্ধারে অভিযান জারি রয়েছে। জানা গিয়েছে, গুজরাতের কান্ডলা বন্দরের দিকে আসছিল ‘ময়ূরী নারী’ নামে ওই পণবাহী জাহাজটি। সেটিতে হামলার দায় স্বীকার করেছে ইরান।
সংযুক্ত আরব আমিরশাহির খলিফা বন্দর থেকে ছেড়েছিল পণ্যবাহী জাহাজটি। ওমানের উত্তর উপকূল থেকে ১১ নটিক্যাল মাইল দূরে সেটিকে টার্গেট করে হামলা চালানো হয়। মাঝসমুদ্রে আগুন ধরে যাওয়ায় থেমে যায় ‘ময়ূরী নারী’। পরে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে ওমানের সেনা। ২০ জনকে উদ্ধার করে তারা। জাহাজের ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যায়নি। এই হামলায় কী ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল, সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইরানের তরফে তেল সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার হুমকির ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এহেন হামলাকে কেন্দ্র করে ফের উত্তেজনা চরমে। সূত্রের খবর, এদিন হরমুজ প্রণালীর কাছে মোট চারটি পণ্যবাহী জাহাজে হামলা চালানো হয়েছে। মোট ১৩টি আঘাত হানা হয়।