Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / খেলা

সামনে গুজরাত, জয়ের আশায় বাংলা

পাল্টাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী। বদলাচ্ছে বাইশ গজও। শনিবার নন্দনকাননে গুজরাতের বিরুদ্ধে রনজি অভিযানের দ্বিতীয় ম্যাচে নামছে বাংলা। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ছয় পয়েন্টের পর এবারও সরাসরি জয়ই লক্ষ্য অভিমন্যু ঈশ্বরণ-ব্রিগেডের।

সামনে গুজরাত, জয়ের আশায় বাংলা
  • ২৫ অক্টোবর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌরাংশু দেবনাথ, কলকাতা:

Advertisement

পাল্টাচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বী। বদলাচ্ছে বাইশ গজও। শনিবার নন্দনকাননে গুজরাতের বিরুদ্ধে রনজি অভিযানের দ্বিতীয় ম্যাচে নামছে বাংলা। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ছয় পয়েন্টের পর এবারও সরাসরি জয়ই লক্ষ্য অভিমন্যু ঈশ্বরণ-ব্রিগেডের। আর সেই লক্ষ্যে জল-হাওয়া জোগাচ্ছে পিচের বাড়তি গতি ও বাউন্স। মহম্মদ সামি, আকাশদীপদের চোখ চকচক করে ওঠারই কথা!
সপ্তাহখানেক আগে উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ম্যাচ চলাকালীন ভুরি ভুরি অভিযোগ ছিল বঙ্গ শিবিরে। গতির অভাব, নেই বাউন্সও — রীতিমতো ফুঁসছিল হোমটিম। আকাশদীপ ঘনিষ্ঠ মহলে অনুযোগ করে বসেন, এই পিচে বল করতে করতে কাঁধ খুলে যাওয়ার জোগাড়। সহকারী কোচ অরূপ ভট্টাচার্য তো ক্লাবহাউসে দাঁড়িয়েই প্রশ্ন তোলেন, হোম অ্যাডভান্টেজ না পাওয়া নিয়ে। এমনকী, জেতার পর সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলিকে বাইশ গজ নিয়ে অভিযোগও জানিয়ে আসেন। এর ফলও মিলল হাতেনাতে।
গুজরাত ম্যাচে খেলা হবে আলাদা পিচে। সেখানে ময়দানের ভাষায়, বল পড়ে থমকে আসবে না। গতির পাশাপাশি থাকবে বাউন্সও। ক্যাপ্টেন অভিমন্যুর কথায়, ‘হ্যাঁ, আগের ম্যাচের পিচ গতি-বাউন্সের অভাব ছিল। এই ম্যাচে তা মিলবে।’ স্বাভাবিকভাবেই, বাংলার আস্থা ফের চার পেসারের থিওরিতে। উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে ৭ উইকেট পাওয়া সামি আর আকাশই শুরু করবেন নতুন বলে। তারপর আসবেন ঈশান পোড়েল ও সুরজ সিন্ধু জয়সওয়াল। রনজিতে খুব কম টিমেরই এমন পেস অ্যাটাক রয়েছে। বোলিংয়ের বৈচিত্র্য বাড়ছে শাহবাজ আহমেদের অন্তর্ভুক্তিতে। গত নভেম্বরে শেষবার বাংলার প্রতিনিধিত্ব করা অলরাউন্ডার স্পোর্টস হার্নিয়া ও কাঁধের চোটের জন্য দীর্ঘদিন ছিলেন বাইরে। বেঙ্গালুরুর সেন্টার অব এক্সেলেন্সে রিহ্যাব সেরে তিনি যোগ দিয়েছেন প্র্যাকটিসে। তিনি আসায় ব্যাটিং গভীরতাও বাড়ছে একলাফে।
অসমের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাওয়া গুজরাত যদিও হেলাফেলার দল নয়। যশপ্রীত বুমরাহ না থাকলেই বা, আর্জান নাগওয়াসওলা ঘরোয়া ক্রিকেটে সমীহ আদায়কারী পেসার। আছেন রবি বিষ্ণোইয়ের মতো লেগ স্পিনার। কিন্তু নন্দনকাননে শেষ ম্যাচের স্মৃতি ভুলতেই চান ২৫ বছর বয়সি। এপ্রিলের গোড়াতেই তো লখনউ সুপার জায়ান্টসের জার্সিতে চার ওভারে দেন ৪৭, যা এখনও রক্তাক্ত করে। আর যতই প্রতিভাধর হোন না কেন, এই পিচে সুখকর স্মৃতির জন্ম দেওয়া বিষ্ণোইয়ের পক্ষেও কঠিন চ্যালেঞ্জ!

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ