Bartaman Logo
২৬ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

সবার পাশে থেকে ইসলামপুরের উন্নয়ন করেছেন ‘পাহারাদার’ করিম

ইসলামপুরের ১১ বারের বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীকে তাঁর অনুগামীরা  ‘পাহারাদার’ হিসেবে মানেন। করিমও নিজেকে ইসলামপুরের পাহারাদার হিসেবে বহু আগেই ঘোষণা করেছেন

সবার পাশে থেকে ইসলামপুরের উন্নয়ন করেছেন ‘পাহারাদার’ করিম
  • ৩১ মার্চ, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

কাজল মণ্ডল, ইসলামপুর: ইসলামপুরের ১১ বারের বিধায়ক আব্দুল করিম চৌধুরীকে তাঁর অনুগামীরা  ‘পাহারাদার’ হিসেবে মানেন। করিমও নিজেকে ইসলামপুরের পাহারাদার হিসেবে বহু আগেই ঘোষণা করেছেন। বিপদে-আপদে মানুষ গোলঘরে গিয়ে ন্যায় চাইলেই তার হয়ে রাস্তায় নামতে পিছপা হননি কোনোদিন। তাতে নেতৃত্ব গোঁসা হলেও পাত্তা দেননি বর্ষীয়ান তৃণমূল নেতা করিম। ‘বিদ্রোহী’ বিদায়ী বিধায়ক বর্তমানে বয়সের ভারে ‘রণক্লান্ত’। দল এবার তাঁকে প্রার্থী না করলেও করিমের উন্নয়নমূলক কাজকর্ম ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে ইসলামপুরের গ্রাম থেকে শহরে। গত পাঁচ বছরে শিক্ষা থেকে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো, রাস্তাঘাট থেকে ব্রিজ- নানা কাজ হয়েছে বিধায়কের এলাকা উন্নয়ন তহবিলের টাকায়। করিমের অনুগামীরা বলছেন, শুধু পাঁচ বছরের ফিরিস্তি দিয়ে চৌধুরী সাহেবের সঠিক মূল্যায়ন হবে না। বিধায়ক যে কাজ করেননি, বিরোধীরাও তা অস্বীকার করেন না।

Advertisement

ইসলামপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল, গভর্নমেন্ট পলিটেকনিক,  আইটিআই, স্টেডিয়ামের মতো বড় বড় প্রকল্প তৃণমূল সরকার ইসলামপুর শহরে করেছে চৌধুরী সাহেবের হাত ধরেই। ইসলামপুরের বিজেপি প্রার্থী চিত্রজিত্ রায়ও বলেছেন, করিম সাহেবের হাত ধরে কিছু কাজ হয়েছে, তা অস্বীকার করা যায় না।  
বিধায়ক বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ করলেও ডাঙাপাড়ায় দোলঞ্চা নদীর উপর ব্রিজ করতে পারেননি বলে বিরোধীরা বলছেন। ব্রিজের জন্য বড় ফান্ডের দরকার। তাই উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন দপ্তরে একাধিকবার প্রস্তাব পাঠিয়েছেন বিধায়ক। তবে ব্রিজ এখনও হয়নি।
করিমের অনুগামী নুর উদ্দিন বলেন, ১১ বার বিধায়ক এবং একবার মন্ত্রী থাকার সুবাদে ইসলামপুরে প্রচুর কাজ করেছেন করিম সাহেব। ইসলামপুরে যা কিছু বড় বড় প্রকল্প হয়েছে, সবই করিম সাহেবের হাত ধরে। মানুষ তার সুফল পাচ্ছেন। 
সিপিএম ও বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, তৃণমূলের জমানায় বড় বড় বিল্ডিং হয়েছে। কিন্তু পরিষেবা নেই। সিনিয়ার নেতা হিসেবে এলাকায় আরো উন্নয়ন হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু তা করতে ব্যর্থ হয়েছেন করিম। সিপিএমের প্রার্থী সাম খানের অভিযোগ, তৃণমূল শুধু বড় বড় বিল্ডিং করেছে। পরিষেবা দিতে ব্যর্থ। 
বাসিন্দারা বলছে, উন্নয়ন ধীরে ধীরে হচ্ছে। কিন্তু মানুষ যাতে শান্তিতে ঘুমোতে পারেন সেটাও জরুরি। চৌধুরী সাহেব কখনই ধর্মীয় মেরুকরণের রাজনীতি করেননি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে দেননি। ফলে এখানে বিভিন্ন ভাষাভাষী ও ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসবাস করছেন। এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখাতেও নজির সৃষ্টি করেছেন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ