সংবাদদাতা, পুরুলিয়া: গত আর্থিক বছরের তুলনায় এবার কর্মশ্রী প্রকল্পে শ্রম দিবসের সংখ্যা প্রায় ২০ লক্ষ ছাপিয়ে গিয়েছে। মার্চের শেষ পর্যন্ত এই সংখ্যা আরও বাড়বে বলে আশা করছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কাজেও পরিযায়ী শ্রমিকদের আরও বেশি করে লাগানোর উপর জোর দিতে চাইছে জেলা প্রশাসন। ফলে উপকৃত হবেন শ্রমিকরা। রাজ্যের বাইরে কাজে যাওয়ার প্রবণতাও কমবে।
Advertisement
পুরুলিয়া জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, গত আর্থিক বছরে পুরুলিয়া জেলাতে কর্মশ্রী প্রকল্পে ২৯ লক্ষের বেশি শ্রমদিবস তৈরি করা সম্ভব হয়েছিল। চলতি আর্থিক বছরের শেষের দেড় মাস আগেই জেলাতে ৫২ লক্ষের বেশি শ্রমদিবস তৈরি হয়েছে। আরও জানা গিয়েছে, কর্মশ্রী প্রকল্পে জেলাতে এখনও পর্যন্ত প্রায় ৯৬ হাজার শ্রমিককে কাজ দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তারমধ্যে ৩২৬৪ জন পরিযায়ী শ্রমিকও কাজ পেয়েছেন। তবে, পুরুলিয়া-২, বান্দোয়ান, ঝালদা-১, নিতুড়িয়া, রঘুনাথপুর-১, জয়পুর এবং বরাবাজার ব্লকে কর্মশ্রী প্রকল্পের কাজ এখনও পর্যন্ত আশানুরূপ হয়নি বলে জেলা প্রশাসনিক রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা কয়েক হাজার। ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিনরাজ্যে কাজের পরিবর্তে জেলাতেই কাজের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয়স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে এবং বিভিন্ন দপ্তরকে আরও সক্রিয় হতে হবে। একাধিক দপ্তরে এবিষয়ে খুব ভালো কাজ করেছে। তেমনই জবকার্ড হোল্ডারদের কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু দপ্তরের আবার অনীহাও দেখা গিয়েছে। এবিষয়ে অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে পঞ্চায়েত দপ্তরের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলাজুড়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা ইতিমধ্যে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। কাজও শুরু হয়েছে। তাই বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কাজে জব কার্ড হোল্ডারদের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের বেশি সংখ্যায় কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চলতি বছরে পুরুলিয়া জেলাতে কর্মশ্রী প্রকল্পে কাজ ভালো হলেও শ্রমিকদের গড় মজুরির ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। পুরুলিয়ার মতো জেলাতে যাতে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো যায় সে বিষয়টিও নজর রাখছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, পুরুলিয়া জেলার বিভিন্ন প্রান্তে পরিযায়ী শ্রমিকের সংখ্যা কয়েক হাজার। ওই পরিযায়ী শ্রমিকদের ভিনরাজ্যে কাজের পরিবর্তে জেলাতেই কাজের সুযোগ দেওয়ার বিষয়ে স্থানীয়স্তরে গ্রাম পঞ্চায়েতগুলিকে এবং বিভিন্ন দপ্তরকে আরও সক্রিয় হতে হবে। একাধিক দপ্তরে এবিষয়ে খুব ভালো কাজ করেছে। তেমনই জবকার্ড হোল্ডারদের কাজ দেওয়ার ক্ষেত্রে কিছু দপ্তরের আবার অনীহাও দেখা গিয়েছে। এবিষয়ে অন্যান্য দপ্তরের সঙ্গে পঞ্চায়েত দপ্তরের পক্ষ থেকে যোগাযোগ করার বিষয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, জেলাজুড়ে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রথম কিস্তির টাকা ইতিমধ্যে উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। কাজও শুরু হয়েছে। তাই বাংলার বাড়ি প্রকল্পের কাজে জব কার্ড হোল্ডারদের পাশাপাশি পরিযায়ী শ্রমিকদের বেশি সংখ্যায় কাজে লাগানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, চলতি বছরে পুরুলিয়া জেলাতে কর্মশ্রী প্রকল্পে কাজ ভালো হলেও শ্রমিকদের গড় মজুরির ক্ষেত্রে সমস্যা রয়েছে। পুরুলিয়ার মতো জেলাতে যাতে শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানো যায় সে বিষয়টিও নজর রাখছেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা।



