দেশে শুরু হয়েছে ৩ ঘণ্টার মধ্যে জিএসটি রেজিস্ট্রেশন, দাবি কেন্দ্রীয় কর্তার
  • ২৯ অক্টোবর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: যে সংস্থা বা ব্যবসা দ্রুত জিএসটি রেজিস্ট্রেশন করতে চায়, তাদের তিন ঘণ্টার মধ্যে সেই সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। এমনই দাবি করলেন সেন্ট্রাল বোর্ড অব ইনডাইরেক্ট ট্যাক্সেস অ্যান্ড কাস্টমসের (সিবিআইসি) মেম্বার (জিএসটি) সঞ্জয় মঙ্গল। বুধবার কলকাতায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে এই রুটে ৬০ থেকে ৬৫ ভাগ রেজিস্ট্রেশন হচ্ছে। বাকিদেরও যাতে অতি দ্রুত রেজিস্ট্রেশন দেওয়া যায়, সেই চেষ্টা চলছে।’ তবে তাড়াহুড়ো করে রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো ভুয়ো সংস্থাকে যেন সেই সুযোগ না করে দেওয়া হয়, সেদিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি। বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে আধার যাচাইয়ের মাধ্যমে এই রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া চালু করেছি।’ এদিন শহরের শিল্পমহল তাঁর কাছে জিএসটি সংক্রান্ত একগুচ্ছ নালিশ জানায়। তাঁদের একাংশের বক্তব্য, দপ্তর যে সার্কুলার বা নির্দেশিকাগুলি করদাতাদের জন্য জারি করে, তা অনেক ক্ষেত্রেই মানতে চান না দপ্তরের কর্তারাই। এক্ষেত্রে অযথা আইনি জটিলতা তৈরি হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সিবিআইসি চেয়ারম্যান বিবেক চতুর্বেদীর কাছে তাঁরা আরজি জানান, যে সার্কুলারগুলি গুরুত্বপূর্ণ, সেগুলি যেন জিএসটি আইনের আওতায় বিধি হিসাবে নিয়ে আসা হয়। তবেই সেগুলির আইনি স্বীকৃতি সম্ভব। শিল্পমহলের একাংশের আরও বক্তব্য, দেশের আদালতগুলিতে জিএসটি সংক্রান্ত বিভিন্ন রায় দেওয়া হয়। জিএসটি দপ্তরের কর্তারা বেশ কিছু রায়কে মান্যতা দিয়ে সেই মতো করদাতাদের আবেদন বিচার করেন। অন্যদিকে, কোর্টের রায় অনুযায়ী করদাতা যদি কোনো সিদ্ধান্ত নেন এবং সেই মতো কর প্রদান করেন, অফিসারদের একাংশ অনেক ক্ষেত্রে তা মানতে চায় না। একই রায় নিয়ে দপ্তরের মধ্যে বিভ্রান্তি থাকায় করদাতারা জটিল সমস্যায় পড়েন। যদি কোনো রায়কে মান্যতা দিতে হয়, তাহলে সেই মতো নির্দেশিকা জারির দাবিও তোলে শিল্পমহল। অভিযোগ, জিএসটি রেজিস্ট্রেশনের জন্য নথি জমা দেওয়ায় স্থিরতা নেই। রাজ্য-কেন্দ্রীয় জিএসটি দপ্তরে আলাদা নিয়ম মেনে চলা হয়। নথি দেওয়ার ক্ষেত্রে কেন কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম থাকবে না, প্রশ্ন তোলেন শিল্পকর্তারা।

Advertisement