নিজস্ব প্রতিনিধি, নয়াদিল্লি: জিএসটির সঙ্গে পূর্বতন রাজ্যের ভ্যালু অ্যাডেড ট্যাক্স (ভ্যাট) কিংবা কেন্দ্রের বিক্রয় করের মূল পার্থক্য কী ছিল? জিএসটি ফাঁকি দেওয়াকে সরাসরি অপরাধ হিসাবে গণ্য করা হয়েছিল ২০১৭ সালের আইনে। অর্থাৎ জিএসটি ফাঁকি, প্রতারণা, জাল ইনভয়েস তৈরি ইত্যাদি প্রতিটি ক্ষেত্রে অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করার অধিকার রয়েছে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের। এফআইআর করা যাবে। মামলা রুজু হবে। কারাদণ্ড হবে। প্রাক জিএসটি করকাঠামোয় এসব ছিল না। জিএসটিকে তাদের সাফল্য বলে বারংবার দাবি করা মোদি সরকার এবার, ৯ বছর পর সেই ব্যবস্থা থেকে সরে আসতে চাইছে। তারা চাইছে আর জিএসটি অপরাধে গ্রেপ্তারি নয়। শুধুই আর্থিক জরিমানা কিংবা সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ রাখা হবে অপরাধের সাজাকে। আগামী কাল দিল্লিতে জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে এই নিয়ে আলোচনা হবে। সেখানেই সিদ্ধান্ত হবে। এছাড়া কর্মীদের জন্য গোষ্ঠী বিমা বাবদ কোনও সংস্থা যে প্রিমিয়াম দেয়, সেটি থেকে ইনপুট ট্যাক্স ক্রেডিট দাবি করা যাবে। আরও একঝাঁক বিরল রোগের ওষুধের উপর থেকে জিএসটি মাশুল সরিয়ে নেওয়া হবে। জিএসটি অন্তর্ভুক্তির বাইরে ছোট ব্যবসায়ী যাদের ইনপুট ক্রেডিট ট্যাক্স নেই, তাদের ডিজিটাল লেনদেনের উপর ধার্য এমডিআর থেকে জিএসটি রেহাই মিলতে পারে। ট্রাক্টরের জন্য ধার্য জিএসটি কমানোর প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হবে। মূলত আগামী কালের জিএসটি কাউন্সিলের বৈঠকে একগুচ্ছ সংস্কার হতে চলেছে। প্রশ্ন উঠছে ২০১৭ সালে জিএসটি চালুর সময় যে বিধিনিয়ম অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল, সেগুলি দীর্ঘদিন ধরে চালানোর পর, হঠাৎ কেন মোদি সরকার বাতিল করতে শুরু করেছে।



