নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া: যাদবপুরকাণ্ডে রাজ্যের প্রায় সমস্ত জেলাতেই প্রতিবাদ-আন্দোলনে শামিল হয়েছে এসএফআই। কমরেডরা আন্দোলন করতে গিয়ে কোথাও কোথাও মার খেয়েছে। সেখানে এতদিন কেটে গেলেও পুরুলিয়া জেলায় বড় আকারে কোনও কর্মসূচিই গ্রহণ করতে পারল না বাম ছাত্র সংগঠনের নেতারা, যা নিয়ে ব্যাপক চর্চা শুরু হয়েছে। উঠে আসছে গোষ্ঠীকোন্দলের তত্ত্ব! এই পরিস্থিতিতে সংগঠনের রদবদলের চিন্তাভাবনাও শুরু করেছে নেতৃত্ব। আগামী ৯ মার্চ কনভেনশনের ডাক দিয়েছে এসএফআই।
Advertisement
গত শনিবার যাদবপুরের ঘটনায় সরগরম হয়ে ওঠে রাজ্য। শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে পরের দিনই এসএফআইয়ের তরফে বিভিন্ন জেলাজুড়ে বিক্ষোভ কর্মসূচির ডাক দেওয়া হয়। সূত্রের খবর, সেই কর্মসূচি গ্রহণ করে পুরুলিয়া জেলা কমিটিও। নিজের ফেসবুক ওয়ালে কর্মসূচির একটি পোস্টার পোস্টও করেন এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদক সুব্রত মাহাত। তারপর হঠাৎ করেই পিছিয়ে আসেন তাঁরা। কিন্তু কেন? সূত্রের খবর, যে পোস্টারটি পোস্ট করা হয়েছিল, তা এসএফআই উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির ‘নকল’ করা হয়েছিল। অন্য জেলার পোস্টার হুবহু একই রেখে শুধু স্থান ও সময় পরিবর্তন করা হয়েছিল। তাই নিয়ে তুমুল বিরোধিতা শুরু হয়েছে দলের মধ্যে। এসএফআইয়ের জেলা কমিটির হোয়াসটঅ্যাপ গ্রুপেও এনিয়ে দলের এক নেত্রীর সঙ্গে বাদানুবাদে জড়িয়ে পড়েন জেলা সম্পাদক। গ্রুপ ত্যাগ করে বেরিয়ে যান তিনি।
এসএফআইয়ের জেলা কমিটির এক নেতা বলেন, কর্মসূচিটা বাস্তবায়িত করাই মূল লক্ষ্য থাকা উচিত ছিল। কিন্তু সামান্য একটা পোস্টার তৈরিকে কেন্দ্র করে মতপার্থক্যের জেরে জেলাস্তরের কোনও কর্মসূচিই গ্রহণ করতে পারলাম না। শুধুমাত্র জেকে কলেজ ইউনিটের কিছু পড়ুয়া নামমাত্র একটা কর্মসূচি করেছিল।
এনিয়ে এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। কিছু বলতে চাননি এসএফআইয়ের জেলা সভাপতি সায়ন্তন ঘোষও।
সূত্রের খবর, এসএফআইয়ের বর্তমান জেলা সম্পাদক সুব্রত মাহাত প্রায় ছ’বছর দায়িত্বে রয়েছেন। তার আগে জেলা সভাপতি ছিলেন তিন বছর। পার্টির ২৬তম রাজ্য সম্মেলনে সর্বকনিষ্ঠ প্রতিনিধিও ছিলেন তিনি। একাধিক লড়াই আন্দোলন থেকে শুরু করে এসএফআইয়ের সদস্য সংগ্রহ অভিযানেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল সুব্রতর। তবে, বিগত কয়েক বছর ধরে সংগঠনের অনেকেই সুব্রতর বিরোধিতায় সরব হয়েছেন। গত ২০২৪ সালের জেলা সম্মেলনেও সুব্রতর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সংগঠনের ‘শহুরে’ নেতারা। অন্য কাউকে জেলা সম্পাদক করার দাবি জানানো হয়। যদিও তাতে বিশেষ আমল না দিয়েই সুব্রতকে পুনঃনির্বাচিত করে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব। তবে, ওই সম্মেলনে ভক্তরঞ্জন মাহাতকে অব্যাহতি দিয়ে দলের নতুন সভাপতি করা হয় সায়ন্তন ঘোষকে।
দলীয় সূত্রের খবর, আগামী ৯ মার্চ পুঞ্চায় যে সম্মেলন হওয়ার কথা, সেখানে সংগঠনের রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে সুব্রতকে। সেক্ষেত্রে নতুন সম্পাদক কে হন, আপাতত সেটাই দেখার।
এসএফআইয়ের জেলা কমিটির এক নেতা বলেন, কর্মসূচিটা বাস্তবায়িত করাই মূল লক্ষ্য থাকা উচিত ছিল। কিন্তু সামান্য একটা পোস্টার তৈরিকে কেন্দ্র করে মতপার্থক্যের জেরে জেলাস্তরের কোনও কর্মসূচিই গ্রহণ করতে পারলাম না। শুধুমাত্র জেকে কলেজ ইউনিটের কিছু পড়ুয়া নামমাত্র একটা কর্মসূচি করেছিল।
এনিয়ে এসএফআইয়ের জেলা সম্পাদককে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, দলের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে কোনও কথা বলব না। কিছু বলতে চাননি এসএফআইয়ের জেলা সভাপতি সায়ন্তন ঘোষও।
সূত্রের খবর, এসএফআইয়ের বর্তমান জেলা সম্পাদক সুব্রত মাহাত প্রায় ছ’বছর দায়িত্বে রয়েছেন। তার আগে জেলা সভাপতি ছিলেন তিন বছর। পার্টির ২৬তম রাজ্য সম্মেলনে সর্বকনিষ্ঠ প্রতিনিধিও ছিলেন তিনি। একাধিক লড়াই আন্দোলন থেকে শুরু করে এসএফআইয়ের সদস্য সংগ্রহ অভিযানেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল সুব্রতর। তবে, বিগত কয়েক বছর ধরে সংগঠনের অনেকেই সুব্রতর বিরোধিতায় সরব হয়েছেন। গত ২০২৪ সালের জেলা সম্মেলনেও সুব্রতর বিরুদ্ধে গর্জে ওঠেন সংগঠনের ‘শহুরে’ নেতারা। অন্য কাউকে জেলা সম্পাদক করার দাবি জানানো হয়। যদিও তাতে বিশেষ আমল না দিয়েই সুব্রতকে পুনঃনির্বাচিত করে ঊর্ধ্বতন নেতৃত্ব। তবে, ওই সম্মেলনে ভক্তরঞ্জন মাহাতকে অব্যাহতি দিয়ে দলের নতুন সভাপতি করা হয় সায়ন্তন ঘোষকে।
দলীয় সূত্রের খবর, আগামী ৯ মার্চ পুঞ্চায় যে সম্মেলন হওয়ার কথা, সেখানে সংগঠনের রদবদল হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হতে পারে সুব্রতকে। সেক্ষেত্রে নতুন সম্পাদক কে হন, আপাতত সেটাই দেখার।



