সংবাদদাতা, কাটোয়া: সারাদিন ঘাম ঝরিয়ে খলপা দিয়ে নানা নকশা তুলতে ব্যস্ত শিল্পীরা। ওপার বাংলায় শেখা শিল্প এপার বাংলাতেও রুটিরুজি জোগায় গুসকরা শহরের খলপা শিল্পীদের।
Advertisement
গুসকরায় ২ বি জাতীয় সড়কের পাশে, বাস স্ট্যান্ডের কাছে দরমা শিল্পীদের স্টুডিও রয়েছে। সেখানেই সারাদিন বসে নাগাড়ে কাজ করে চলেছেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্বপল্লি বসতপুর রোডের বিমল সরকার, বিশ্বজিৎ সরকাররা। মূলত অসম থেকে আসা ফাঁপা মুলি বাঁশ কেটে বেত বানাতে হয়। তারপর তা দিয়ে বেতের বেড়া, টেবিল ল্যাম্প, ঘর সাজানোর নানা শৌখিন জিনিসপত্র তৈরি করা হয়। একটা সময়ে গরিব মানুষের মূল ভরসা ছিল খলপার বেড়ার ঘর। তাতে আলকাতরা মাখিয়ে সুন্দর ঘর তৈরি করে বসবাস করতেন দুঃস্থ মানুষরা। কারণ ওই খলপার বেড়া জলে নষ্ট হয় না। এখন খলপার বেড়া দিয়ে বিয়েবাড়ির ছাদনাতলা, পুজো মণ্ডপ তৈরি করা হয়। একসময়ে অবিভক্ত বাংলাদেশের নানা জায়গায় এমন শিল্প গড়ে উঠেছিল। দিনে দিনে এই শিল্প বিলুপ্ত হতে বসেছে। দেশভাগের পর ওপার বাংলার খলপার কারিগররা এদেশে এসে তা শুরু করলেও কালের নিয়মে তা লুপ্তপ্রায়।
ফলে কাজ হারাচ্ছেন শিল্পীরা। গুসকরা শহরের বাসিন্দা বিমল সরকার বলেন, আমরা বাংলাদেশের ফরিদপুরে থাকতাম। সেখানেই এমন শিল্পকর্ম শিখেছি। এখন বিলুপ্ত হলেও বিয়েবাড়ি, পুজো মণ্ডপ, ঘর সাজানোর উপকরণের দৌলতে কোনওরকমে হাঁড়ি চড়ে। তবে সরকারি শিল্পী পরিচয়পত্র পেলে এই শিল্প আরও এগিয়ে যেতে পারতাম।
জানা গিয়েছে, অসমের এক বান্ডিল বাঁশের দাম পড়ে ৬০০ টাকা। সেই বাঁশ ছোট ছোট লোহার ব্লেড দিয়ে মাপ অনুযায়ী কাটা হয়। বিমলবাবু বলেন, এখন সব মিলিয়ে মাসে প্রায় দশ হাজার টাকা আয় হয়। তা দিয়ে কোনওমতে সংসারটা চলে যায়। আরেক শিল্পী বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, এখন বেড়া বা দরমা দিয়ে ঘর কেউ করে না। বাংলাদেশে বহু মানুষ দরমার ঘর করতেন। গুসকরা শহরে যখন আমরা এসব তৈরি করতাম তখন ভালো চাহিদা ছিল। এখন সবার বাড়িতেই পাকা ছাদ। তাই খলপার প্রয়োজন পড়ে না। গুসকরা পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, এই শিল্প বাঁচাতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।
ফলে কাজ হারাচ্ছেন শিল্পীরা। গুসকরা শহরের বাসিন্দা বিমল সরকার বলেন, আমরা বাংলাদেশের ফরিদপুরে থাকতাম। সেখানেই এমন শিল্পকর্ম শিখেছি। এখন বিলুপ্ত হলেও বিয়েবাড়ি, পুজো মণ্ডপ, ঘর সাজানোর উপকরণের দৌলতে কোনওরকমে হাঁড়ি চড়ে। তবে সরকারি শিল্পী পরিচয়পত্র পেলে এই শিল্প আরও এগিয়ে যেতে পারতাম।
জানা গিয়েছে, অসমের এক বান্ডিল বাঁশের দাম পড়ে ৬০০ টাকা। সেই বাঁশ ছোট ছোট লোহার ব্লেড দিয়ে মাপ অনুযায়ী কাটা হয়। বিমলবাবু বলেন, এখন সব মিলিয়ে মাসে প্রায় দশ হাজার টাকা আয় হয়। তা দিয়ে কোনওমতে সংসারটা চলে যায়। আরেক শিল্পী বিশ্বজিৎ সরকার বলেন, এখন বেড়া বা দরমা দিয়ে ঘর কেউ করে না। বাংলাদেশে বহু মানুষ দরমার ঘর করতেন। গুসকরা শহরে যখন আমরা এসব তৈরি করতাম তখন ভালো চাহিদা ছিল। এখন সবার বাড়িতেই পাকা ছাদ। তাই খলপার প্রয়োজন পড়ে না। গুসকরা পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, এই শিল্প বাঁচাতে আমরা যথাসাধ্য চেষ্টা করব।



