সংবাদদাতা, কাটোয়া: কোথাও কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, দিল্লির লালকেল্লা, আবার কোথাও বিয়েবাড়ির দৃশ্য-গুসকরা শহরের বিভিন্ন বিগ বাজেটের কালীপুজোয় এমনই থিমের ছড়াছড়ি। প্রাচীন শহর গুসকরায় কালীপুজো ঘিরে বাসিন্দারা উৎসবে মেতে উঠেছেন। মণ্ডপে প্রবেশ করলেই দেখা যাবে, পুরনো দিনের বিয়ের নহবত। তারপরই চোখে পড়বে আস্ত জমিদারবাড়ি। বিয়েবাড়ির হইচই, ছাদনাতলা, ফুচকার স্টল-বিয়েবাড়ির এই সমস্ত দৃশ্যই গুসকরার শান্তিপুরে অগ্রগামী ক্লাবের মণ্ডপে ফুটে উঠেছে। প্রতিমাতেও আনা হয়েছে বৈশিষ্ট্য। এখানে দশহাতবিশিষ্ট কালী বধ করছেন মহিষাসুরকে। দু’দিকে দেবীর বাহন হিসেবে সিংহকে রাখা হয়েছে। ক্লাবের সম্পাদক শিবু বণিক বলেন, আমরা থিমে বিয়েবাড়ির দৃশ্য ফুটিয়ে তুলেছি।
Advertisement
শহরের বারোয়ারিতলায় গেলেই কলকাতার ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের আদলে তৈরি মণ্ডপ দেখা যাবে। সাদা রঙের ওই প্রাসাদের আদল ফুটিয়ে তুলতে মণ্ডপে ব্যবহার করা হয়েছে থার্মোকল। বারোয়ারিতলার ছন্নছাড়া ক্লাব এবার ভিক্টোরিয়া হাউসের আদলে তাদের পুজো মণ্ডপ গড়ে তুলেছে। ক্লাবের সভাপতি গৌতম দাস, সম্পাদক তথা গুসকরা পুরসভার চেয়ারম্যান কুশল মুখোপাধ্যায় বলেন, পুজোর বাজেট ৩ লক্ষ টাকা। প্রতি বছর আমরা নানা থিম তুলে ধরি।
শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনপাড় এলাকার অগ্রণী ক্লাব এবার দিল্লির লালকেল্লার আদলে মণ্ডপ সাজিয়ে তুলেছে। লাল রঙের সেই সুদৃশ্য মণ্ডপ দেখতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। যা সামলাতে পুজো উদ্যোক্তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। পুজো কমিটির সম্পাদক চন্দন যশ, কোষাধ্যক্ষ প্রশান্ত দাঁ জানান, এবার তাঁদের পুজো ৫০ বছরে পা দিল। বাজেট আড়াই লক্ষ টাকা। এই তিনটি পুজো কমিটি কয়েকদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন। আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে শহর।
শহরের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের লাইনপাড় এলাকার অগ্রণী ক্লাব এবার দিল্লির লালকেল্লার আদলে মণ্ডপ সাজিয়ে তুলেছে। লাল রঙের সেই সুদৃশ্য মণ্ডপ দেখতে দর্শনার্থীরা ভিড় করছেন। যা সামলাতে পুজো উদ্যোক্তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। পুজো কমিটির সম্পাদক চন্দন যশ, কোষাধ্যক্ষ প্রশান্ত দাঁ জানান, এবার তাঁদের পুজো ৫০ বছরে পা দিল। বাজেট আড়াই লক্ষ টাকা। এই তিনটি পুজো কমিটি কয়েকদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করছে। প্রতিটি পুজো মণ্ডপে দর্শনার্থীরা ভিড় জমাচ্ছেন। আলোর রোশনাইয়ে সেজে উঠেছে শহর।



