সংবাদদাতা, কাটোয়া: দশ হাজার টাকাতেই মিলছে জন্মের জাল শংসাপত্র। আর তা ব্যবহার করে তৈরি হচ্ছে পাসপোর্ট। গুসকরার ইঁটাচাঁদায় জাল জন্ম শংসাপত্র ব্যবহার করায় দু’ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিস। তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এমনই তথ্য পেয়েছে পুলিস।
Advertisement
প্রসঙ্গত, জাল জন্ম সার্টিফিকেট ব্যবহার করে পাসপোর্ট বানানোর চেষ্টার অভিযোগে শেখ হারন ও অয়ন চট্টোপাধ্যায় নামে দু› জনকে শুক্রবার গ্রেপ্তার করে পুলিস। তাদের দু› দিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অয়ন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি শক্তিগড় থানা এলাকায়। সে টাকা নিয়ে জাল শংসাপত্র দেয়। পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে জন্ম সার্টিফিকেট আবশ্যক। অয়ন দশ হাজার টাকার বিনিমিয়ে ওই ভুয়ো শংসাপত্র তৈরি করে দিয়েছিল। তবে অয়ন একা নয়, এর পিছনে একটি চক্র কাজ করছে বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে। ওই চক্রটি জাল স্ট্যাম্প, সই ব্যবহার করে ভুয়ো নথিপত্রের ব্যবস্থা করে দেয়। এর আগে মেমারিতেও পাসপোর্ট তৈরিতে জাল জন্ম সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আউশগ্রাম থানার ছোড়া এলাকায় কয়েক বছর আগে এরকম একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছিল। তাদের তখন গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। সেখানে আবার জাল আধারকার্ড তৈরি হচ্ছিল রমরমিয়ে। এক ব্যক্তির আধারকার্ডে বাবার নামের জায়গায় অন্য একজনের নাম বসানো হয়েছিল। তারপরেও চক্রের কাজকর্ম বন্ধ হয়নি। পুলিসি জেরায় অয়ন স্বীকার করেছে, সে এরকম অনেককেই জাল নথি সাপ্লাই করেছে। পুলিস তদন্ত করে দেখছে অয়নের সঙ্গে আর কে কে যুক্ত। তাছাড়া ধৃত কীভাবে জাল শংসাপত্র বানাত সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মূলত, কেতুগ্রামের শান্তিনগর, আউশগ্রামের ছোড়া— এসব এলাকায় বাংলাদেশ থেকে এসে বহু মানুষ বসবাস করছেন। তাঁদের একাংশ আবার ভারতীয় নথি বানাতে গিয়ে জাল চক্রের ফাঁদে পড়ে বহু টাকা খোয়াচ্ছেন। এসব তদন্ত করে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃত অয়ন চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি শক্তিগড় থানা এলাকায়। সে টাকা নিয়ে জাল শংসাপত্র দেয়। পাসপোর্ট তৈরি করতে গেলে জন্ম সার্টিফিকেট আবশ্যক। অয়ন দশ হাজার টাকার বিনিমিয়ে ওই ভুয়ো শংসাপত্র তৈরি করে দিয়েছিল। তবে অয়ন একা নয়, এর পিছনে একটি চক্র কাজ করছে বলে তদন্তকারীরা জানতে পেরেছে। ওই চক্রটি জাল স্ট্যাম্প, সই ব্যবহার করে ভুয়ো নথিপত্রের ব্যবস্থা করে দেয়। এর আগে মেমারিতেও পাসপোর্ট তৈরিতে জাল জন্ম সার্টিফিকেট ব্যবহার করতে গিয়ে ধরা পড়েছে। শুধু তাই নয়, আউশগ্রাম থানার ছোড়া এলাকায় কয়েক বছর আগে এরকম একটি চক্রের সন্ধান পেয়েছিল। তাদের তখন গ্রেপ্তারও করা হয়েছিল। সেখানে আবার জাল আধারকার্ড তৈরি হচ্ছিল রমরমিয়ে। এক ব্যক্তির আধারকার্ডে বাবার নামের জায়গায় অন্য একজনের নাম বসানো হয়েছিল। তারপরেও চক্রের কাজকর্ম বন্ধ হয়নি। পুলিসি জেরায় অয়ন স্বীকার করেছে, সে এরকম অনেককেই জাল নথি সাপ্লাই করেছে। পুলিস তদন্ত করে দেখছে অয়নের সঙ্গে আর কে কে যুক্ত। তাছাড়া ধৃত কীভাবে জাল শংসাপত্র বানাত সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
মূলত, কেতুগ্রামের শান্তিনগর, আউশগ্রামের ছোড়া— এসব এলাকায় বাংলাদেশ থেকে এসে বহু মানুষ বসবাস করছেন। তাঁদের একাংশ আবার ভারতীয় নথি বানাতে গিয়ে জাল চক্রের ফাঁদে পড়ে বহু টাকা খোয়াচ্ছেন। এসব তদন্ত করে দেখার দাবি তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।



