নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: সদস্য সংগ্রহ অভিযান নিয়ে রীতিমতো বেকায়দায় বিজেপি। মিসড কল দিলেই হওয়া যায় বিজেপির সদস্য। তাতেও অনীহা হিন্দি বলয়ে। চাপে পড়ে লোকের বাড়ি বাড়ি ঘুরেও অবস্থা বদলাতে ব্যর্থ নেতৃত্ব। একমাস ধরে বিশেষ অভিযান চালিয়ে ন’টি বিধানসভা মিলিয়ে বিজেপির সদস্য হয়েছেন মাত্র ২৬ হাজার ২৭৫ জন। এরমধ্যে তিনটি বিধানসভা এলাকা বিজেপির দখলে। তাও এই দুর্দশা। যদিও নিজেদের সংগঠনিক দুর্বলতা ঢাকতে তৃণমূল কংগ্রেসের সন্ত্রাসকে অজুহাত হিসেবে সামনে আনছে বিজেপি। হিন্দিভাষীদের বিজেপি থেকে দূরে সরার সুযোগ কাজে লাগিয়ে সংগঠন বাড়াতে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূল। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বাংলা থেকে ১ কোটি সদস্য করার টার্গেট দিয়েছিলেন বঙ্গ বিজেপিকে। প্রতি লোকসভা থেকে ২ লক্ষের বেশি সদস্য করলে তা ছোঁয়া সম্ভব। সেখানে শিল্পাঞ্চলের মতো একদা শক্তঘাটিতেই সদস্য অভিযানের করুণ পরিসংখ্যান বিজেপির মাথাব্যথার কারণ হয়ে উঠেছে।
Advertisement
দক্ষিণবঙ্গের গেরুয়া শিবিরের একদা শক্তঘাটি আসানসোল। ২০১৪ সাল থেকে এই লোকসভা আসন থেকে পরপর দু’বার জয়লাভ করেন বিজেপির প্রার্থী। ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনে বর্ধমান-দুর্গাপুর লোকসভা আসন বিজেপি জেতে মূলত দুর্গাপুর থেকে পাওয়া বিশাল লিডের ভরসায়। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনেও কুলটি, আসানসোল দক্ষিণ ও দুর্গাপুর পশ্চিম বিধানসভা আসন জয়লাভ করে বিজেপি। এই জয়ের পিছনে বড় অবদান ছিল হিন্দিভাষীদের। বহু জায়গাতেই তাঁরা একচেটিয়া বিজেপিকে ভোট দিয়েছিল বলে পরিসংখ্যান থেকে উঠে আসে। তবে, ২০২৪ সালে সব হিসাবই যেন উল্টে গিয়েছে। একদা উত্থান ভূমিতে বিজেপির সদস্য করাতে মাথার ঘাম পায়ে পড়ছে বিজেপি নেতাদের।
অন্য সময়ে অবাঙালি এলাকায় সদস্য হওয়ার জন্য প্রচারে যেত হতো না। নিজে থেকেই মানুষ মিসড কল দিয়ে সদস্য পদ নিতেন। এখন এলাকায় প্রচার করেও কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছে না। বিজেপি সূত্রে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকায় বিজেপির সদস্য হয়েছেন ১ হাজার ৫৯ জন, জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকায় ১ হাজার ৪০৫জন, বারাবনি ১ হাজার ৮১৮, রানিগঞ্জ ২ হাজার ৪০৮, দুর্গাপুর পূর্ব ২ হাজার ৮১৩, কুলটি ৩ হাজার ৩৯৯, আসানসোল উত্তর ৪ হাজার ৯, আসানসোল দক্ষিণ ৪ হাজার ৩৭০, দুর্গাপুর পশ্চিম ৪ হাজার ৯৯৪। তৎপর্যপূর্ণ বিষয় কুলটি, আসানসোল দক্ষিণ, দুর্গাপুর পশ্চিম, এই তিনটি বিধানসভা এলাকায় একদিকে যেমন অবাঙালি ভোটারের ভালো প্রভাব রয়েছে তেমনই সেখানের বিধায়ক বিজেপিরই। জামুড়িয়া, পাণ্ডবেশ্বর, রানিগঞ্জেও যথেষ্ট অবাঙালি ভোটার রয়েছে। সেখানে তো সদস্য সংগ্রহ অভিযানের শোচনীয় অবস্থা। সুযোগ বুঝে ছট উৎসব থেকেই নিজেদের জনসংযোগ কয়েকগুণ বাড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিটি ছট ঘাটে শাসক দলের নেতা বিধায়ক, মন্ত্রী, সাংসদের দেখা গিয়েছে।
বিজেপি আসানসোল জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাস উপেক্ষা করে এই সংখ্যা হয়েছে। যা কম নয়। পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, অবাঙালিরাও বুঝে গিয়েছেন বিজেপি কার ভালো করবে না। তাদের বড় অংশই এখন আমাদের সঙ্গে এসেছে।
অন্য সময়ে অবাঙালি এলাকায় সদস্য হওয়ার জন্য প্রচারে যেত হতো না। নিজে থেকেই মানুষ মিসড কল দিয়ে সদস্য পদ নিতেন। এখন এলাকায় প্রচার করেও কাজের কাজ তেমন কিছুই হচ্ছে না। বিজেপি সূত্রে পাওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত পাণ্ডবেশ্বর বিধানসভা এলাকায় বিজেপির সদস্য হয়েছেন ১ হাজার ৫৯ জন, জামুড়িয়া বিধানসভা এলাকায় ১ হাজার ৪০৫জন, বারাবনি ১ হাজার ৮১৮, রানিগঞ্জ ২ হাজার ৪০৮, দুর্গাপুর পূর্ব ২ হাজার ৮১৩, কুলটি ৩ হাজার ৩৯৯, আসানসোল উত্তর ৪ হাজার ৯, আসানসোল দক্ষিণ ৪ হাজার ৩৭০, দুর্গাপুর পশ্চিম ৪ হাজার ৯৯৪। তৎপর্যপূর্ণ বিষয় কুলটি, আসানসোল দক্ষিণ, দুর্গাপুর পশ্চিম, এই তিনটি বিধানসভা এলাকায় একদিকে যেমন অবাঙালি ভোটারের ভালো প্রভাব রয়েছে তেমনই সেখানের বিধায়ক বিজেপিরই। জামুড়িয়া, পাণ্ডবেশ্বর, রানিগঞ্জেও যথেষ্ট অবাঙালি ভোটার রয়েছে। সেখানে তো সদস্য সংগ্রহ অভিযানের শোচনীয় অবস্থা। সুযোগ বুঝে ছট উৎসব থেকেই নিজেদের জনসংযোগ কয়েকগুণ বাড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রতিটি ছট ঘাটে শাসক দলের নেতা বিধায়ক, মন্ত্রী, সাংসদের দেখা গিয়েছে।
বিজেপি আসানসোল জেলা সভাপতি বাপ্পা চট্টোপাধ্যায় বলেন, তৃণমূলের সন্ত্রাস উপেক্ষা করে এই সংখ্যা হয়েছে। যা কম নয়। পঞ্চায়েত মন্ত্রী প্রদীপ মজুমদার বলেন, অবাঙালিরাও বুঝে গিয়েছেন বিজেপি কার ভালো করবে না। তাদের বড় অংশই এখন আমাদের সঙ্গে এসেছে।



