নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: বানারহাট থেকে স্কুল শিক্ষকরা গোরুমারায় ঘুরতে এসেছিলেন। বন্যপ্রাণী দেখার টানে পড়ন্ত বিকেলে কার সাফারি করছিলেন তাঁরা। কিন্তু হাতি, গন্ডার, ময়ুর, বাইসন দেখেও যেন মনের খিদে মিটছিল না। হুড খোলা জিপে যেতে যেতে বারবার চোখ ঘোরাচ্ছিলেন এদিক ওদিক। যদি আরও কিছু দেখা যায়! ঠিক এমন সময় একেবারে তাঁদের সামনে পথ আটকে দাঁড়ায় চিতাবাঘ! থমকে যায় সাফারির গাড়ি। ওই দৃশ্য দেখে তখন হুড খোলা জিপে আত্মারাম খাঁচাছাড়া পর্যটকদের। সরু জঙ্গলপথে বেশ কয়েক মিনিট দাঁড়িয়ে ছিল প্রকাণ্ড চিতাবাঘটি। বেশ কয়েকবার ঘাড় ঘুরিয়ে পর্যটকদের দিকেও তাকায় সে। তারপর গুটি গুটি পায়ে ঢুকে যায় জঙ্গলে। লেপার্ড সরতেই মুহূর্তে ওই জায়গা পার করেন পর্যটকরা।
Advertisement
সাফারির গাড়িতে গাইড হিসেবে ছিলেন সুব্রত পাইক। তিনি বলেন, ঘটনাটি রবিবার বিকেলের। যাত্রাপ্রসাদ ওয়াচ টাওয়ার থেকে ফেরার পথে রাইনো পয়েন্ট দেখে ফিরছিলাম। আচমকা দেখি, পেল্লাই সাইজের চিতাবাঘ জঙ্গলের রাস্তাজুড়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। গোরুমারা ফরেস্ট বাংলোর খুব কাছেই ছিল লেপার্ডটি। সঙ্গে সঙ্গে সাফারির চালক গাড়ির স্টার্ট বন্ধ করে দেন। কয়েক মিনিট ধরে চিতাবাঘটি আমাদের নিরীক্ষণ করে। তারপর রাস্তা থেকে সরে যায়।
গাইড বলেন, গাড়িতে সাফারি করছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁরা বানারহাট থেকে এসেছিলেন। মোট পাঁচজন ছিলেন। এর আগেও তাঁরা গোরুমারায় এসেছেন। কিন্তু কখনও চিতাবাঘ দেখতে পাননি। এবার একেবারে চোখের সামনে লেপার্ড দেখে ভয়ে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে যায় তাঁদের। চিতাবাঘটি চলে যাওয়ার পর কোনওক্রমে ধাতস্থ হন তাঁরা।
বনদপ্তর সূত্রে খবর, এর আগে গত জানুয়ারি মাসে গোরুমারার মেদলা ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়ার পথে পর্যটকরা চিতাবাঘের দর্শন পেয়েছিলেন।
গাইড বলেন, গাড়িতে সাফারি করছিলেন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁরা বানারহাট থেকে এসেছিলেন। মোট পাঁচজন ছিলেন। এর আগেও তাঁরা গোরুমারায় এসেছেন। কিন্তু কখনও চিতাবাঘ দেখতে পাননি। এবার একেবারে চোখের সামনে লেপার্ড দেখে ভয়ে আত্মারাম খাঁচাছাড়া হয়ে যায় তাঁদের। চিতাবাঘটি চলে যাওয়ার পর কোনওক্রমে ধাতস্থ হন তাঁরা।
বনদপ্তর সূত্রে খবর, এর আগে গত জানুয়ারি মাসে গোরুমারার মেদলা ওয়াচ টাওয়ারে যাওয়ার পথে পর্যটকরা চিতাবাঘের দর্শন পেয়েছিলেন।



