সংবাদদাতা, রায়গঞ্জ: টোটো রেজিস্ট্রেশনের নির্দেশিকা না আসায় বিভ্রান্তিতে রায়গঞ্জ ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েত। রেজিস্ট্রেশন না মেলায় শহরে প্রবেশের ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে গ্রামের টোটো চালকদের। যার জেরে বেশ কয়েকটি পঞ্চায়েতে বিক্ষোভ দেখালেন টোটো চালকরা। বৃহস্পতিবারের পর শুক্রবারও টোটো চালকদের বিক্ষোভ অব্যাহত থাকল। এদিন রায়গঞ্জ ব্লকের রামপুর গ্রামপঞ্চায়েতের সামনে রাস্তা আটকে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখান টোটো চালকরা। রায়গঞ্জ-বিন্দোল রাজ্য সড়কের উপর গাছের ডাল ফেলে বিক্ষোভ চলে। বিক্ষোভের জেরে যানচলাচল বন্ধ থাকে। হয়রানি হয় যাত্রীদের।
Advertisement
টোটো চালকদের অভিযোগ, রেজিস্ট্রেশন ছাড়া শহরে টোটো চলতে দেওয়া হচ্ছে না। জরিমানা করা হচ্ছে। টোটো না চললে আর্থিক ক্ষতি হবে আমাদের।
বিনয় বাড়ুই নামে এক টোটো চালক জানান, রায়গঞ্জ শহরে ঢুকতে টোটোর রেজিস্ট্রেশন চাইছে প্রশাসন। কিন্তু আমাদের পঞ্চায়েত এখনও রেজিস্ট্রেশন শুরু করেনি। ফর্ম বিলিও করেনি। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ছুটে আসে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। কর্তারা টোটো চালকদের সঙ্গে কথা বলেন। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়। রামপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান মমতা রায় বর্মন বলেন, টোটো রেজিস্ট্রেশনের কোনও নির্দেশিকা পাইনি। বিডিও নির্দেশ দিলেই আমরা রেজিস্ট্রেশন শুরু করব। তবে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে টোটো চালকদের নিয়ে শহরে প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন বরুয়া গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মন। তিনি বলেন, আমরা চাই গ্রামের টোটো চালকরা শহরে চলুক। সরকারি নির্দেশিকা না আসায় রেজিস্ট্রেশন শুরু করা যায়নি। পুরপ্রশাসন তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার যাতে না করে তাঁর জন্য আমি টোটো চালক হিসেবে শামিল হয়েছি। যদিও টোটোর রেজিস্ট্রেশন রবিবার থেকে শুরু হবে বলে তিনি জানান। প্রশাসন কেন এখনও গ্রামীণ টোটোর রেজিস্ট্রেশন শুরু করতে পারেনি, প্রশ্ন তুলেছেন টোটো চালকরা। ফোন না তোলায় এবিষয়ে রায়গঞ্জের বিডিও শরণ তামাংয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মেসেজেরও উত্তর দেননি। কয়েকদিন আগেই শহরে টোটো চলাচল নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুরসভা। টোটোর রেজিস্ট্রেশন না থাকলে জরিমানা করা হচ্ছে বলে দাবি গ্রামীণ টোটো চালকদের। শনিবার বেশ কিছু টোটো চালককে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান পুরপ্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, পুর আইন না মানায় ৬ জন টোটো চালককে জরিমানা করা হয়েছে।
বিনয় বাড়ুই নামে এক টোটো চালক জানান, রায়গঞ্জ শহরে ঢুকতে টোটোর রেজিস্ট্রেশন চাইছে প্রশাসন। কিন্তু আমাদের পঞ্চায়েত এখনও রেজিস্ট্রেশন শুরু করেনি। ফর্ম বিলিও করেনি। বিক্ষোভের খবর পেয়ে ছুটে আসে পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষ। কর্তারা টোটো চালকদের সঙ্গে কথা বলেন। সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ উঠে যায়। রামপুর গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান মমতা রায় বর্মন বলেন, টোটো রেজিস্ট্রেশনের কোনও নির্দেশিকা পাইনি। বিডিও নির্দেশ দিলেই আমরা রেজিস্ট্রেশন শুরু করব। তবে দ্রুত রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়া শুরুর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।
অন্যদিকে টোটো চালকদের নিয়ে শহরে প্রবেশ করতে গেলে বাধার মুখে পড়েন বরুয়া গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান ভবানন্দ বর্মন। তিনি বলেন, আমরা চাই গ্রামের টোটো চালকরা শহরে চলুক। সরকারি নির্দেশিকা না আসায় রেজিস্ট্রেশন শুরু করা যায়নি। পুরপ্রশাসন তাঁদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার যাতে না করে তাঁর জন্য আমি টোটো চালক হিসেবে শামিল হয়েছি। যদিও টোটোর রেজিস্ট্রেশন রবিবার থেকে শুরু হবে বলে তিনি জানান। প্রশাসন কেন এখনও গ্রামীণ টোটোর রেজিস্ট্রেশন শুরু করতে পারেনি, প্রশ্ন তুলেছেন টোটো চালকরা। ফোন না তোলায় এবিষয়ে রায়গঞ্জের বিডিও শরণ তামাংয়ের কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। মেসেজেরও উত্তর দেননি। কয়েকদিন আগেই শহরে টোটো চলাচল নিয়ে কড়া পদক্ষেপ নিয়েছে পুরসভা। টোটোর রেজিস্ট্রেশন না থাকলে জরিমানা করা হচ্ছে বলে দাবি গ্রামীণ টোটো চালকদের। শনিবার বেশ কিছু টোটো চালককে জরিমানা করা হয়েছে বলে জানান পুরপ্রশাসক সন্দীপ বিশ্বাস। তিনি বলেন, পুর আইন না মানায় ৬ জন টোটো চালককে জরিমানা করা হয়েছে।



